শিরোনাম
রোয়াংছড়িতে অভিভাবকদের নিয়ে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিতকাপ্তাইয়ে ট্রাকের বাঁশের সাথে বৈদ্যুতিক তার আটকে ট্রন্সফরমার ক্ষতিগ্রস্তমাটিরাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হলো বিজয়ীরালংগদুতে ইউএনও এর জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপে সুফল পাচ্ছেন মানুষদীঘিনালায় বেসরকারি সংস্থা গ্রীণ হিল প্রকল্পের উদ্বোধনরামগড়ে পুকুরে পড়ে চার বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুবান্দরবানে টোবাকো’র বিক্রয় প্রতিনিধি সাড়ে ৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাওপানছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণঅস্থায়ী বেইলি ব্রিজেই ৩ বছর পার কাপ্তাই ব্যাঙছড়ি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে কবেখাগড়াছড়ির পানছড়ি সীমান্তে থেমে থেমে গুলিবর্ষণে আতঙ্কে জনসাধারণ

কফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ জরুরি

॥ কাপ্তাই উপজেলা প্রতিনিধি ॥
পাহাড়ি এলাকা কাজুবাদাম ও কফি চাষে যথেষ্ট উপযোগী এর উন্নয়ন এবং সম্প্রসারণে কৃষি গবেষণা কেন্দ্র প্রকল্পের মাধ্যমে কাজ করে চলেছে। ইতিমধ্যে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবনের বেশ কিছু পাহাড়ি এলাকায় কফি ও কাজুবাদামের আধুনিক চাষাবাদ, পরিচর্যা, রোগবালাই দমন বিষয় নিয়ে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১জুলাই) সকালে গবেষণা কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করে রাইখালী পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্প (বারি অঙ্গ)-এর অর্থায়নে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলার কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ৩০ জন বৈজ্ঞানিক সহকারী অংশগ্রহণ করেন।

রাইখালী পাহাড়ি কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ জিয়াউর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)-এর পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মোঃ মোশাররফ হোসেন মোল্লা। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন হাটহাজারী আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আতিকুর রহমান, চট্টগ্রামের পাহাড়তলী কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ মনিরুজ্জামান এবং খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলার ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোঃ এমদাদুল হক। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বান্দরবান সদর সরেজমিন গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড: মোঃ সেলিম। বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান অনুষ্ঠানের সঞ্চালনা করেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি ড. মোঃ মোশাররফ হোসেন মোল্লা বলেন, পাহাড়ি এলাকায় কফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণ, আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ এবং গবেষণালব্ধ জ্ঞান মাঠপর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া জরুরি। তাই দক্ষ জনবল তৈরির মাধ্যমে এসব সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকের আয় বাড়ানো সম্ভব। তিনি বলেন, প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী বৈজ্ঞানিক সহকারীরা কফি ও কাজুবাদামের আধুনিক চাষাবাদ, পরিচর্যা, রোগবালাই দমন, সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা এবং প্রক্রিয়াজাতকরণ বিষয়ে ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক ধারণা লাভ করেছেন। আয়োজকদেরও আশা, এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে পাহাড়ি অঞ্চলে কফি ও কাজুবাদাম চাষের সম্প্রসারণে নতুন গতি সৃষ্টি হবে। এতে কওে আমরাও সফলতা অর্জন করবো।

প্রশিক্ষণ শেষে জাতীয় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) উদ্ভাবিত উন্নত জাতের বিভিন্ন ফলজ গাছের চারা স্থানীয় কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়। একই সঙ্গে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি।