শিরোনাম
রামগড়ে পুকুরে পড়ে চার বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুবান্দরবানে টোবাকো’র বিক্রয় প্রতিনিধি সাড়ে ৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাওপানছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণঅস্থায়ী বেইলি ব্রিজেই ৩ বছর পার কাপ্তাই ব্যাঙছড়ি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে কবেখাগড়াছড়ির পানছড়ি সীমান্তে থেমে থেমে গুলিবর্ষণে আতঙ্কে জনসাধারণকাপ্তাই দারুস সালাম নূরানী মাদ্রাসা ধীরে ধীরে ঝুঁকিতে পড়ছেশ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে মঙ্গল শোভাযাত্রারামগড় ছাত্রদলের উদ্যোগে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাদ্য স্টুডেন্ট সোসাইটি অব চট্টগ্রামের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণশুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে কাপ্তাইয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং আলোচনা সভা

পানছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ

॥ মোঃ ইসমাইল, পানছড়ি ॥
খাগড়াছড়ির পানছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে গর্ভকালীন স্বাস্থ্য, পরিচর্যা, প্রসব-পরবর্তী যত্ন, শিশু স্বাস্থ্য ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক তিন সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। রবিবার (৬সেপ্টেম্বর) সকালে পানছড়ি আর্মি ক্যাম্পে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি জোনের মেডিকেল অফিসার (আরএমএ) তানজিম ইসলাম অর্ণব।

প্রশিক্ষণে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ৩৬ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছেন। তিন সপ্তাহব্যাপী এ প্রশিক্ষণে মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যসেবা, প্রসবের সময় করণীয়, সন্তান জন্মের পর মা ও শিশুর পরিচর্যা, শিশু স্বাস্থ্য এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

আয়োজকরা জানান, প্রশিক্ষণের বিভিন্ন বিষয়ে পানছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও প্রশিক্ষকরা ধারাবাহিকভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন। প্রতিটি বিষয়ে চার থেকে পাঁচজন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণার্থীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও ব্যবহারিক জ্ঞান প্রদান করবেন।

খাগড়াছড়ি জোনের মেডিকেল অফিসার (আরএমএ) তানজিম ইসলাম অর্ণব বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, খাগড়াছড়ি জোনের উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ৩৬ জন প্রশিক্ষণার্থী তিন সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্য, সন্তান জন্মের পর মা ও শিশুর পরিচর্যা, শিশু স্বাস্থ্য এবং প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আশা করছি, প্রশিক্ষণ শেষে তারা নিজেদের পাশাপাশি আশপাশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান তারা নিজ নিজ এলাকায় প্রয়োগ করে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দুর্গম পাহাড়ি জনপদে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।