শিরোনাম
মানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীখাগড়াছড়ির পানছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুর মৃত্যু, বিজিবি’র সদস্য আহতবান্দরবানের লামায় ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার এলজিইডি’র সড়কের উন্নয়ন কাজ ব্যাপক অনিয়মে ?দুর্গম পাহাড়ে বঞ্চিত বহু মানুষের চিকিৎসা সেবায় মাটিরাঙ্গা সেনা জোনবাঘাইছড়িতে সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ প্রদানবান্দরবানের লামায় কৃষক পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভুয়া তথ্য প্রচারের অভিযোগরাঙ্গামাটিতে দূর্গাপ্রতিমা বিসর্জন হলো সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ভক্ত অনুরাগীদের অশ্রুনয়নেকাপ্তাই বাঁশকেন্দ্র জামে মসজিদটি পূর্ণ সংস্কার করে দেওয়া হোকখাগড়াছড়ির রামগড়ে পুজামন্ডপ পরিদর্শনে ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপিদুর্গাপূজা উপলক্ষে রামগড়ে ৫০ অসহায় নারীকে শাড়ি প্রদান

পানছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ

৫

॥ মোঃ ইসমাইল, পানছড়ি ॥
খাগড়াছড়ির পানছড়িতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উদ্যোগে গর্ভকালীন স্বাস্থ্য, পরিচর্যা, প্রসব-পরবর্তী যত্ন, শিশু স্বাস্থ্য ও প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ক তিন সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণ শুরু হয়েছে। রবিবার (৬সেপ্টেম্বর) সকালে পানছড়ি আর্মি ক্যাম্পে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন খাগড়াছড়ি জোনের মেডিকেল অফিসার (আরএমএ) তানজিম ইসলাম অর্ণব।

প্রশিক্ষণে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ৩৬ জন প্রশিক্ষণার্থী অংশ নিয়েছেন। তিন সপ্তাহব্যাপী এ প্রশিক্ষণে মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্যসেবা, প্রসবের সময় করণীয়, সন্তান জন্মের পর মা ও শিশুর পরিচর্যা, শিশু স্বাস্থ্য এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

আয়োজকরা জানান, প্রশিক্ষণের বিভিন্ন বিষয়ে পানছড়ি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও প্রশিক্ষকরা ধারাবাহিকভাবে প্রশিক্ষণ প্রদান করবেন। প্রতিটি বিষয়ে চার থেকে পাঁচজন প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণার্থীদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা ও ব্যবহারিক জ্ঞান প্রদান করবেন।

খাগড়াছড়ি জোনের মেডিকেল অফিসার (আরএমএ) তানজিম ইসলাম অর্ণব বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, খাগড়াছড়ি জোনের উদ্যোগে এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে। বিভিন্ন সম্প্রদায়ের ৩৬ জন প্রশিক্ষণার্থী তিন সপ্তাহব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন। মাতৃত্বকালীন স্বাস্থ্য, সন্তান জন্মের পর মা ও শিশুর পরিচর্যা, শিশু স্বাস্থ্য এবং প্রাথমিক চিকিৎসা বিষয়ে তাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। আশা করছি, প্রশিক্ষণ শেষে তারা নিজেদের পাশাপাশি আশপাশের মানুষের স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারবেন।

প্রশিক্ষণার্থীরা জানান, দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় স্বাস্থ্যসেবা ও স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান তারা নিজ নিজ এলাকায় প্রয়োগ করে মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবায় অবদান রাখতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দুর্গম পাহাড়ি জনপদে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা পৌঁছে দিতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর এমন উদ্যোগ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।