শিরোনাম
রামগড়ে পুকুরে পড়ে চার বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুবান্দরবানে টোবাকো’র বিক্রয় প্রতিনিধি সাড়ে ৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাওপানছড়িতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণঅস্থায়ী বেইলি ব্রিজেই ৩ বছর পার কাপ্তাই ব্যাঙছড়ি সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ হবে কবেখাগড়াছড়ির পানছড়ি সীমান্তে থেমে থেমে গুলিবর্ষণে আতঙ্কে জনসাধারণকাপ্তাই দারুস সালাম নূরানী মাদ্রাসা ধীরে ধীরে ঝুঁকিতে পড়ছেশ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উপলক্ষে খাগড়াছড়িতে মঙ্গল শোভাযাত্রারামগড় ছাত্রদলের উদ্যোগে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাদ্য স্টুডেন্ট সোসাইটি অব চট্টগ্রামের উদ্যোগে অসহায়দের মাঝে শিক্ষাসামগ্রী বিতরণশুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে কাপ্তাইয়ে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা এবং আলোচনা সভা

বান্দরবানে টোবাকো’র বিক্রয় প্রতিনিধি সাড়ে ৫ লাখ টাকা নিয়ে উধাও

॥ চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি ॥
বান্দরবানের থানচিতে আবুল খায়ের টোবাকো কোম্পানির পণ্য বিক্রির ৫ লাখ ৫০ হাজার ৫৫০ টাকা নগদ অর্থ ও কোম্পানির দেওয়া একটি স্মার্টফোন নিয়ে বিক্রয় প্রতিনিধি উমংচিং মারমা (২৩) উধাও। এক সপ্তাহ ধরে স্বজনসহ বিভিন্ন এলাকায় খোঁজ করেও তার সন্ধান না পেয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন কোম্পানির স্থানীয় সাব-ডিলার।

রবিবার (৬সেপ্টেম্বর) দুপুরে থানচি থানায় লিখিত অভিযোগটি করেন আবুল খায়ের টোবাকো কোম্পানির বান্দরবান-থানচি পয়েন্টের সাব-ডিলার সোনাতন বড়ুয়া।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উমংচিং মারমা থানচি বাজারে আবুল খায়ের টোবাকো কোম্পানির বিক্রয় প্রতিনিধি হিসেবে মাসিক ১৪ হাজার টাকা বেতনে কর্মরত ছিলেন। তার দায়িত্ব ছিল কোম্পানির সিগারেটসহ বিভিন্ন পণ্য স্থানীয় দোকানে বিক্রি করা এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ প্রতি সপ্তাহে কোম্পানির নির্ধারিত হিসাবে স্থানীয় সোনালী ব্যাংকে জমা দেওয়া।

অভিযোগে বলা হয়, গত ২৬ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিভিন্ন দোকানে কোম্পানির পণ্য বিক্রি করে গ্রাহকদের কাছ থেকে মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার ৫৫০ টাকা নগদ সংগ্রহ করেন উমংচিং মারমা। নিয়ম অনুযায়ী ওই টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়ার কথা থাকলেও তিনি তা জমা না দিয়ে থানচি সদরের ভাড়া বাসা ছেড়ে অন্যত্র চলে যান। পরে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মুঠোফোন ও কোম্পানির দেওয়া স্যামসাং গ্যালাক্সি এ-০৬ স্মার্টফোনও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাব-ডিলার সোনাতন বড়ুয়া বলেন, গত এক সপ্তাহ ধরে উমংচিংয়ের স্বজনসহ সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজ করা হয়েছে। কিন্তু কোথাও তার সন্ধান পাওয়া যায়নি। তার দুটি মুঠোফোনই বন্ধ রয়েছে। এ কারণে কোম্পানির পণ্য বিক্রির সাড়ে ৫ লাখ টাকা নিয়ে তিনি উধাও হয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে থানচি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কানন সরকার বলেন, কোম্পানির সাব-ডিলার সোনাতন বড়ুয়া একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। সত্যতা পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।