শিরোনাম
সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ জরুরি, খাগড়াছড়িতে উঠান বৈঠক২৪ বছর শিকলে বাঁধা হাতি ‘বাহাদুর’ বন বিভাগ জেনেও না জানার ভান করে আছেস্থানীয় জনগোষ্ঠিরা যাহাতে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হয় এমন প্রকল্প গ্রহন করা হবে১১ আরই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদানবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে বার্মিজ কারেন্ট জালসহ ৪ জন আটকখাগড়াছড়িতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮’তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনবান্দরবানের লামায় ৩ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশঅনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে কোন স্থান নাইমানিকছড়িতে বাজার শেড দখলমুক্ত সহ পুনঃস্থাপনের দাবী‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কাপ্তাইয়ে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রদলের প্রচারণা

দীঘিনালায় আমরা পারি যুব ফাউন্ডেশন উদ্যোগে ঈদ উপহার প্রদান

১১

॥ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি ॥
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় আমরা পারি যুব ফাউন্ডেশন এর উদ্যোগে অর্ধশত অসহায় দুস্থ ও প্রতিবন্ধী এবং বিধবার মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার (১৬মার্চ) ২৬রমজান সকালে দীঘিনালা উপজেলায় কবাখালী ইউনিয়নে আমরা পারি যুব ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে অর্ধশত অসহায় দুস্থ প্রতিবন্ধী, বিধবার মাঝে ঘরে ঘরে গিয়ে ঈদ উপহার বিতরণ উদ্বোধন করেন দীঘিনালা উপজেলায় নির্বাহী অফিসার তানজিল পারভেজ। এসময় উপস্থিত ছিলেন আমরা পারি যুব ফাউন্ডেশনের সভাপতি সাংবাদিক মোঃ সোহেল রানা, সাধারন সম্পাদক সুমন উদ্দিন, কবাখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি মোঃ তাজুল ইসলাম, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ মাসুদ রানা, মোঃ আবু তাহের প্রমূখ।

এসময় দীঘিনালা উপজেলায় নির্বাহী অফিসার তানজিল পারভেজ বলেন, এটা একটি ব্যাতিক্রম উদ্যেগ ঘরে ঘরে গিয়ে প্রতিবন্ধী, বিধবা পরিবারের সদস্য কাছে ঈদ উপহার সামগ্রী পৌঁছে দেয়া। এলাকায় আমরা পারি যুব ফাউন্ডেশন সত্যি প্রশংসনীয় কাজ করছে। এধরণের উদ্যেগ সমাজের ধনীরা নিলে সমাজের গরীব অসহায় দুস্থ পরিবারের সদস্য সবাই মিলেমিশে ঈদ আনন্দের সাথে পালন করতে পারবে।

আমরা পারি যুব ফাউন্ডেশন সিনিয়র সাংবাদিক সভাপতি মোঃ সোহেল রানা বলেন, আমরা অনেক সময় চা-নাস্তা করতে বসলেও চার-পাঁচ টাকা খরচ হয়। তাই আমরা সংগঠনের সবাই মিলে এলাকার অসহায় দুস্থ প্রতিবন্ধী বিধবা পরিবারের মাঝে ঘরে ঘরে গিয়ে ঈদ উপহার হিসেবে সেমাই, চিনি, সয়াবিন তেল, গুড়ো দুধ, নুডলস ও সস দিয়ে আসি।

কবাখালী ইউনিয়ন হাচিনসনপুর এলাকার সমর্থ বানু (৬৫) ও প্রতিবন্ধী জোসনা আক্তার বলেন, ঈদ আসলে আমরা সেমাই চিনি কিনতে পারি না, কেহ দিলে ছেলে মেয়েদের নিয়ে ঈদ পালন করি ছেলে মেয়েরা অনেক খুশি হয়।