শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

ধুরন্ধর এই জেঠারে ধরিতে চাঁটগাঁর তিন থানার চৌকস পুলিশ জেঠার সমন্বয় লইতে হইয়াছে

১৬৫

ক্রিং ক্রিং, এ্যঁ…লো, কি গো জেঠা তুমি ঠিক আছোতো, গত সপ্তাহের খবরাখবর লইয়া তোমাগোর দরবারে-দরবারে, টেবিলে-টেবিলে কারেন্ট হাজির হইয়াছি। আমাগো শেখ হাসিনা জেঠিতো ব্যাটা করোনার টুঁটি চাপিয়াই ধরিয়াছে। এই বজ্জাতের হাড্ডি গোটা পৃথিবীর জেঠা-জেঠির অস্থিমজ্জাও চুষিয়া খাইতেছে। লাখ লাখ জেঠা-জেঠিগোর জীবন সাঙ্গ করিয়া বন্ধন ছিন্ন করিয়াছে। জোট বাধিঁয়াছে ওমিক্রন….বহুতের লগে। তার মইধ্যে সমাজের দু¯ৃ‹তকারী, ধর্ষক, বখাটে, ইভটিজার, লুটপাটকারী, মাদক বিক্রেতা, টেন্ডারবাজ, তেলবাজ, অস্ত্রবাজ, দালালবাজ, ভুমিদস্যু, চাঁপাবাজগোর বিষয়ে দু-চারটি কথা লিখিয়াই যাইতেছি। ভাই পো-রে, আইন আছে, কঠোর দমন নাই, নিপীড়ণ, নির্যাতন, বিতারণ আছে ভালো শাসন নাই। পাহাড়ের চুড়ায়, খাদে, চিপায়, নালায়, ঝিড়িতে, হ্রদের ধারের অভাগা জেঠা জেঠিরা কোন দুনিয়ায় তাইনেরা বসবাস করিতেছে বলিয়া খালি আপুত্তি-বিপুত্তি। আমি জেঠাও সর্ব বেকায়দায়। ভক্তরাও খালি কহেন অ-জেঠা আমজেঠা-জেঠিরা বাঁচি, মরি আর ঝুলিয়া থাকি আপুনে অন্তত ভালা থাকিবেন। ঐ জেঠা জেঠিগোরে কি বলিব আমিও বিপদ সামলাইতেই পারিতেছিনা। বুড়ো বুড়িরাই কহিত যে নাকি সহে সে নাকি বরকত পাইয়া থাকে। বহু হর্তাকর্তা আইজ দিতাছি কাইল দিতাছি বলিয়া চড়কার মতন ঘুরাইতেছে, আবার দুই চাইর কলম লেখিলেই খালি কহেন অ জেঠা, গা তো পোড়াইতেছে। আমিওযে পুড়িয়া মরিতেছি, সইতেও পারিতেছি না, বরকতও পাইতেছি না, কিছু বলিতেও পারিতেছিনা, জমাজাটিও করিতে পারিতেছিনা, খালি চিন্তা, আর চিন্তা….

ভাই পো-রে পুরানে বুড়ো-বুড়িরা কহিতো ওজন বুঝে ভোজন দে, মন বুঝে ধন দে, লা-আ-ভ বুঝে ঝাঁপ দে। এক দিকে জেঠা জেঠিগোর ঠেলাগুতো অন্য দিকে ভাই পো আর জেঠা-জেঠিগোর ওয়েটিং, এইসব চিন্তা লইয়া অধিক সময় চোখের পাতা রাইতেও খাড়াইয়া থাকে। আবার ফিজিসিয়ান কহিলেন জেঠির প্রেসার নাকি এখন হাই, তয় তাইনের চিল্লা-ফাল্লাও হাইফাই। আমি কি সমাজের জেটা জেঠিগোর সুখ দুঃখের বয়ান লিখিব নাকি জেঠিরে সামাল দিব ঐ হিসাবও মিলাইতে পারিতেছি না। প্রতিদিনই ভোর সকালেও দেখি জেঠি বুকে হাত দুইখান লইয়া ঘুমের ঘোরেও যেন জেঠারে ঘায়েল করিতে পরিকল্পনা করিতেছে। জেঠাও হ¹ল মানুষ-আমানুষগোর খবরাখবর লইয়া বাড়ি ফিরিলেও রাইতে তাইনের সেবাও করিতে হইতেছে। আবার বহুত জেঠা-জেঠি কহিলো তাইনেগোরে নাকি প্রেসক্রাইব করিতে, জেঠি হইতে কিভাবে রক্ষা পাওন যায়। এই হইলো কাটা ঘা’এ নুন ছিটানো। আরে জেঠার নিজের প্রেসক্রাইব কারে জমা করিবো হেই চিন্তা লইয়া উপর ওয়ালার দেয়া ব্ল্যাক চুল হোয়াইট হইতেছে তার মইধ্যে জেঠা-জেঠিগোর যত তালিমালি। রাইতে জেঠিরে দুই চাইর কথা শুনাইয়া দিলেই পেট্রোল বোমার মতন ঢাস ঢাস করিতে করিতে জীবনটারে ঠাঁসা বানাইয়া দেয়। হেই সময় মনে হয় লাইফটা রেস্টুরেন্টের পরটার মতন হইতেছে। সকালে বিছানা ছাড়িতে দেরি। পাহাড় পর্বতের মানুষ অ-মানুষগোর সুখ দুঃখের বয়ান উত্তাপন করিতে হিমশিমও খাইতেছি। করোনা-১৯তো কারো কথাই হুনিতে চাহে না। বহু ভাইরাসের মানবতা কিছুটা থাকিলেও এই ভাইরাসের দেখি মানবতার মা-ও নাই, বাপও নাই। আবার কুঞ্জ হইতে বাহির হইলেই ভাইপোগোর নজরবন্দি, তার মইধ্যে বিনা বেতনে চাকুরী ব্যাটা ছোট্ট জেঠার পাঠশালায় কামিং গোইং এখন হরদম। বেকার এই জেঠাও দেখি করোনার বান লইয়া খালি প্রশ্নের রান করিতে ওস্তাদ, বায়না ধরে জঙ্গল দেখিবো, পাহাড়-নদী-নালা দেখিবো, আমি জেঠা যে কোন খানে লুকাইবো হেই চিন্তা লইয়াও, খুবই চিন্তায় আছি… যাউ¹া…

মং জেঠা কহিলো, বান্দরবনের রুমা-রোয়াংছুরি উপুজিলার মাঝপথে অস্ত্রধারী দুই দলের মইধ্যে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় আট জনের প্রান গিয়াছে। প্রানভয়ে ঐ পাহাড় গ্রামের জেঠা-জেঠিরা নিজ গ্রাম-ঘরবাড়ি ছাড়িয়া অন্যের আশ্রয়ে দিন কাটাইতেছে। সেনাবাহনিী তাঁগোর দেখভাল করিতেছে। অতিষ্ট গ্রামবাসী সন্ত্রাসীগোরে নির্মূল কিরতে সরকাররে আহ্বান জানাইয়াছে। গেল রবিবার সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাঁগোর চিকিৎসা সেবা দিতে গেলে এই আহ্বান করিয়াছে। কথা হইলো হ¹লরেই মিলিয়া একযোগে কাজ করিলে সামধানতো আসিবেই, চিন্তায় আছি…

আমাগো মুন্ত্রী বীর জেঠা কহিলো পাহাড়ের পাহাড়ী বাঙ্গালী সম্প্রীতির বন্ধনে বসবাস করিতেছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের হ¹লখানেই মনে হইতেছে শান্তির পায়রা উড়িতেছে। এই সম্প্রীতির কারণ হইলো আমাগো প্রধানমুন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাইনে পাহাড়ের হ¹ল সম্প্রদায়কে খুব ভালোবাসেন যার কারনে হ¹ল দিকেই উন্নয়ন করিয়া যাইতেছে। গেল শুক্রুরবার নাইক্ষ্যছুড়িতে ক্ষুদ্র চাক জনগুষ্ঠির সম্মেলনে এইসব কহিলেন। কথা হইলো শান্তি নষ্টকারীগোর কারনে হেই পাহাড়ের যেইভাবে লাশ পড়িতেছে এই অঘটনগুলাইনের কি হইবে। তয় অঘটন ঘটানোর পিছনে যারা কলকাঠি নাড়াইতেছে তাঁগোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা লইতে হইবে, চিন্তায় আছি…

আমাগো কুতয়ালীর পুলিশ জেঠারা মানব সমাজের ঠকবাজ আঠার মামলার এক আসামী রুবেল জেঠারে চট্টগ্রামে আটক করিয়াছে। ধুরন্ধর এই জেঠারে ধরিতে চাঁটগাঁর তিন থানার চৌকস পুলিশ জেঠার সমন্বয় লইতে হইয়াছে। রুবেল জেঠা অতিলাভ দেখাইয়া মানব সমাজের বহুতের পকেট কাটিয়া কুটি কুটি টাকা হাতাইয়া নিয়াছে। অভাগা ফাঠা কপাইল্লা জেঠা-জেঠিরাও এই মহাচোররে চিনিেিত পারে নাই। কথা হইলো দেশে হ¹ল পুতিষ্ঠান আইনের আওতায় যতক্ষন না আসিবে ততক্ষন সমাজরে চুষিয়া যাইবে, চিন্তায় আছি…

দহেন জেঠা কহিলো আমার ভাষা আমার সাহিত্য এই স্লোগান লইয়া খাগড়াছুড়িতে লেখক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হইয়াছে। গেল শুক্কুরবার ক্ষুদ্র নু-গোষ্ঠি হল রুমে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তিন পাহাড়ের বহুত লেখক-রেখিকা জেঠা-জেঠিরা একত্র হইয়া এই সম্মেলন হইয়াছে। কথা হইলো আমাগো সমাজের এই জ্ঞানী গুণিরা যদি সমাজের অন্ধকার দুর করিতে কলম না ধরে তাহা হইলে এক সমুয় আসিয়া যাইবে যা অন্ধকারে অন্ধকারে সমাজ নিমজ্জিত থাকিবে। তয় এই আমার ভাষা আমার সাহিত্য যারা ধরিয়া রাখিয়াছে তাঁগোরে সম্মান করন খুবই দরকার, চিন্তায় আছি…

আমাগো মুন্ত্রী জেঠা কহিলো তাইনের বান্দরবান জেলাকে শিক্ষিত নগরী হিসাবেই তেরী করিবেন। নতুন প্রজম্মের জেঠা জেঠিরা সুশিক্ষত হইয়া সুনাম রাখিবে। গেল মঙ্গলবার তাইনের পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড এর অধীনে শিক্ষা উপবৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে এইসব কহিলেন। কথা হইলো আমাগো ছোট্ট জেঠা-জেঠিরা বই খাতায় নয় জ্ঞানের শিক্ষায়ও শিক্ষিত হইতে প্রানপন চেষ্ঠা চালাইয়া যাইতে হইবে, চিন্তায় আছি…

আমাগো বীর মুক্তিযোদ্ধারা কাপ্তাই উপুজিলায় তাঁগোর জইন্য সরকারিভাবে বীর নিবাস পাওনের কারনে তাইনেরা বহু খুশিতে। কবির জেঠা কহিলো, উপুজিলার ২নং গাইন্দ্যা বীর মুক্তিযোদ্ধা ২০১৬সালে মৃত্যু বরণ করেন। তাইনরে বসবাসরে জায়গা থাকিলেও ঘর আছিল ভাঙগাচোড়া। মুজিব বর্ষে প্রধানমুন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদানের কারনে হেই মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে বীর নিবাসের ব্যবস্থা করিয়া দিয়াছেন প্রশাসন। কথা হইলো আমাগো দেশের মুক্তিযোদ্ধাদের এইভাবে সম্মান করিলে বিশ্ব দরবারেও প্রশংশিত হইবো আমরাই।

কবির জেঠা কহিলো, আমাগো কাপ্তাই হ্রদ লইয়া যে অবুস্থা তাহা হইলো মরিলরে মরিল তারে বাঁচাইতে কেউ না আসিল। হ্রদের জায়গা দখল করিতে করিতে এখুন হ্রদ হইয়াছে ছোট মানির স্তর নামিতে নামিতে পানির হ¹ল প্রানীও মরিতে বসিল। আর কত্ত অত্যাচার কাপ্তাই হ্রদ সর্হ্য করিবে। গেল সপ্তাহে রাঙ্গামাটির বিলাইছুড়ি উপুজিলায় যাইবার সমুয় হ্রদের মাঝ পথে বোট আটকাইয়া গেলে শেষ মেষ যাত্রীরাই তলদেশে মাটি সরাইয়া বোট গন্তেব্যে নিতে প্রানপন চেষ্টা। আমাগো হাইকোর্ট যেই আদেশ দিয়াছেন তার সঠিক বাস্তবায়ন হইতে থাকিলে প্রজম্মের জইন্য লাভ হইবে, চিন্তায় আছি…

সান্তু জেঠা কহিলো, আমাগো প্রধানমুন্ত্রী সরকারি খরচে গরিবদের জইন্য আইন সহায়তা লইয়া গেল শুক্কুরবার জাতীয় আইনগত সহায়া দিবস পালন হইয়াছে। আমাগো জেলার লিগ্যাল এইড এর বর্মকর্তা সিনিয়র সহকারী জজ জুনাইদ জেঠা সরকারের এই অংশ লইয়া বহুত সম্মান কুড়াইয়াছেন এখুনও কুড়াইতেছেন। তাইনে পাহাড়ের আনাচে কানাচে শান্তির জইন্য বিরোধ মীমাংসা করিয়াই যাইতেছেন। আমাগো মানব সমাজে তাইনের প্রশংসাতো হ¹লখানেই। কথা হইলো এই ধরনের মুক্তমনা লোভহীন কর্মকর্তা থাকিলে সমাজে বহুত শান্তির দ্বার খুলিয়া যাইবে, চিন্তায় আছি…

আবার আমাগো মাত্তাল লেদু কহিলো আর কত্ত। হ্রদের জায়গা উদ্ধারে চুনোপুঁটিগোর মইধ্যে অভিযান চালাইলে হইবে না রাঘববোয়ালগোর কলার ধরিতে হইবে। অবৈধভাবেই সারা বছরই জেঠা-জেঠিগোরে চুষিয়াই খাইলি। ক্ষেমতার অধিকারী হইয়া রাজনৈতিক লেজুরভিত্তি চালাইয়া শহর নগরের অসহায় জেঠা-জেঠিরে ভালবাসার পল্টি মারিয়া লাগাতারই ছেঁচড়াইতেছে। জন্ম নিবন্ধন লইয়া বহুতে কহিলো যেই অত্যাচারিত হইতেছি তয় মানবকুলে আর জন্ম লওনের দরকার নাই। ঢের ভালা পাখি হইয়া জন্মিলে গোটা পুত্থিবী ঘুরিলেও, পাসপোর্ট, ভিসা, পুরিচয়পুত্র, জন্ম নিবন্ধুনের দরকার হইবে না। এই কামে, হেই কামে বহুতে ফিরিকশন লাগাইয়া দিয়া চুইংগামের মতন লম্বা করিতেছে, আবার নানান কিছিমের আকাম লইয়াও দৌড়াইতেছে। লেদু কহিলো খালি জনগনরে ল্যাং মারনের তালে। ক্ষেমতারে ললিপপ ভাবিয়া লুটপাট-সুবিধা চালাইতে বহুতেরে পাঁটায় তুলিয়া ছেঁচিতেছে। লুটেরার দল আছমকা গন্ডোগোল আর আবোল তাবোল দল বাঁধাইয়া হ¹লই হাতাইয়া নিতে গোল পাকাইতেছে। যা মনে হইতেছে মাত্তাল লেদু মধু খাইলেও হুঁস জ্ঞান ঠিকই আছে, চিন্তায় আছি…

ভাইপো-রে পার্বত্য এলাকায় আর কতো রকম-বেরকমের কান্ডকারখানা দেখিতে হুনিতে হইবো বুঝিতে পারিতেছিনা। রাজনীতির মাঠতো হঠাৎ করিয়া চুড়ান্ত গরম হইয়া পড়িবে। ঐ গরমে কে পোড়া আর কে আধপোড়া হইবে পাবলিক জেঠারা ডরে ভয়ে দিনাতিপাত করিতেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক জেঠা জেঠি কহিলেন সন্ধ্যার পর অনেকে ডরে ভয়ে স্থান ত্যাগ করিয়াও রাত্রি যাপন করিতেছে। আধিপত্য, চাঁন্দাপত্য, ঘায়েলপত্য, খাদ্যপত্য নানান অপকর্মপত্যর বিস্তার লইয়া কয়েক গ্রুপতো ফটর ফটর করিয়া খালি মানুষ মারিতে ওস্তাদ, ভাই-পো রে খালি দুঃখ আর দুঃখ আমি জেঠাও কখন জেলে ঢুকি এই চিন্তা লইয়া আরো বহুত ঘটনা বাকি থাকিলেও আইজ এই পর্যন্ত লিখিয়া ইতি টানিতেছি, তবুও চিন্তায় আছি….

ইতি-

পা.স.চি.জে.মি.ব.

৩০এপ্রিল, ২০২৩ খ্রিঃ রবিবার