শিরোনাম
তরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরি

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ওএমএসের পন্য বিক্রি শুরু

৬

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও নিম্নআয়ের মানুষের খাদ্য সহায়তায় সরকারের খোলা বাজারে বিক্রয় (ওএমএস) কার্যক্রম শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১০টায় মাটিরাঙ্গা হাসপাতাল গেটসংলগ্ন ডিলার পয়েন্টে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ আহমেদ।

উপজেলা খাদ্য কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, মাটিরাঙ্গা পৌরসভার মোট ৬টি নির্ধারিত পয়েন্টে ওএমএসের চাল ও আটা বিক্রি করা হবে। প্রতিদিন রোটেশন পদ্ধতিতে ২টি পয়েন্টে বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি পয়েন্টে প্রতিদিন ১ মেট্রিক টন চাল এবং ৫০০ কেজি আটা বরাদ্দ থাকবে। একজন ভোক্তা সর্বোচ্চ ৩০ টাকা কেজি দরে ৫ কেজি চাল এবং ২৪ টাকা কেজি দরে আড়াই কেজি আটা কিনতে পারবেন। এ বিশেষ সহায়তা কার্যক্রম আগামী আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত চলবে।
নির্ধারিত বিক্রয় কেন্দ্রগুলো হলো: মাটিরাঙ্গা হাসপাতাল গেট, মাটিরাঙ্গা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে, আলিশান ভাতঘরের পাশে, মুসলিমপাড়া, চৌধুরীঘাট, ইসলামপুর এবং মাটিরাঙ্গা পৌরসভা গেট।

মাটিরাঙ্গা উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মোঃ ফরিদ আহমেদ বলেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও নিম্নআয়ের মানুষ যাতে খাদ্য সংকটে না পড়েন, সে লক্ষ্যেই সরকার এই বিশেষ ওএমএস কর্মসূচি চালু করেছে। কোনো ধরনের অনিয়ম ছাড়াই সঠিক দামে ও সঠিক মাপে দুর্গত মানুষের হাতে চাল ও আটা পৌঁছে দিতে আমরা সার্বক্ষণিক তদারকি নিশ্চিত করছি।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা খাদ্য কার্যালয়ের তদারকি কর্মকর্তা অরুণ কান্তি পাল, সংশ্লিষ্ট ডিলার রবিউল ইসলাম এবং সুবিধাভোগী সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন।