শিরোনাম
রাঙ্গামাটিতে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠির বৈসু উৎসবে নদীতে ভাসানো হয়েছে ফুলবাঘাইছড়ির বাঘাইহাটস্থ এতিমখানায় সেনাবাহিনীর খাদ্যদ্রব্য বিতরণপার্বত্য চট্টগ্রামের ১১টি ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী উৎসাহ-উদ্দীপনায় উৎসব পালন করছেদীঘিনালায় অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের সেনাবাহিনীর সহায়তা প্রদানমাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিক উদ্যোগ জনগণের মাঝে ইতিবাচক সাড়াপ্রত্যেক জাতিগোষ্ঠী তাদের স্ব-স্ব নামেই সামাজিক এই বৃহৎ উৎসব পালন করবে: পার্বত্য মন্ত্রীদীঘিনালায় নদীতে ফুল ভাসিয়ে চাকমা সম্প্রদায়ের ফুল বিঝু পালনবাঘাইছড়িতে মারিশ্যা জোন-২৭ বিজিবি’র পক্ষ থেকে বিঝু’র উপহার সামগ্রী বিতরণকাপ্তাইয়ে তনচংগ্যা সম্প্রদায়ের বিষু উৎসব বর্ণিল র‌্যালি ও আলোচনা সভাবাঘাইছড়িতে ফুল বিঝু’র বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও কাচালং নদীতে ফুল ভাসানো উৎসব

জন্ম সনদ, মরণ সনদ লইয়াতো লুকোচুরি করিয়া বহুতের পেটও দেখি বড় বড় হইয়া গিয়াছে, চিন্তায় আছি…

২০

ক্রিং ক্রিং, এ্যঁ…লো, কি গো জেঠা তুমি ঠিক আছোতো, গত সপ্তাহের খবরাখবর লইয়া তোমাগোর দরবারে-দরবারে, টেবিলে-টেবিলে কারেন্ট হাজির হইয়াছি। আমাগো শেখ হাসিনা জেঠিতো ব্যাটা করোনার টুঁটি চাপিয়াই ধরিয়াছে তয় দেশের টাকা পাচারকারীগোর অবুস্থা কি হইবে। এই বজ্জাতের হাড্ডি করোনা গোটা পৃথিবীর জেঠা-জেঠির অস্থিমজ্জাও চুষিয়া খাইতেছে আর আমাগো দেশের লুটেরার দল দেশের জেঠা-জেঠিগোর পকেট কাটিতেছে। তার মইধ্যে সমাজের দু¯ৃ‹তকারী, ধর্ষক, বখাটে, ইভটিজার, লুটপাটকারী, মাদক বিক্রেতা, টেন্ডারবাজ, তেলবাজ, অস্ত্রবাজ, দালালবাজ, ভুমিদস্যু, চাঁপাবাজগোর বিষয়ে দু-চারটি কথা লিখিয়াই যাইতেছি। ভাই পো-রে, আইন আছে, কঠোর দমন নাই, নিপীড়ণ, নির্যাতন, বিতারণ আছে ভালো শাসন নাই। পাহাড়ের চুড়ায়, খাদে, চিপায়, নালায়, ঝিড়িতে, হ্রদের ধারের অভাগা জেঠা জেঠিরা কোন দুনিয়ায় তাইনেরা বসবাস করিতেছে বলিয়া খালি আপুত্তি-বিপুত্তি। আমি জেঠাও সর্ব বেকায়দায়। ভক্তরাও খালি কহেন অ-জেঠা আমজেঠা-জেঠিরা বাঁচি, মরি আর ঝুলিয়া থাকি আপুনে অন্তত ভালা থাকিবেন। ঐ জেঠা জেঠিগোরে কি বলিব আমিও বিপদ সামলাইতেই পারিতেছিনা। বুড়ো বুড়িরাই কহিত যে নাকি সহে সে নাকি বরকত পাইয়া থাকে। বহু হর্তাকর্তা আইজ দিতাছি কাইল দিতাছি বলিয়া চড়কার মতন ঘুরাইতেছে, আবার দুই চাইর কলম লেখিলেই খালি কহেন অ জেঠা, গা তো পোড়াইতেছে। আমিওযে পুড়িয়া মরিতেছি, সইতেও পারিতেছি না, বরকতও পাইতেছি না, কিছু বলিতেও পারিতেছিনা, জমাজাটিও করিতে পারিতেছিনা, খালি চিন্তা, আর চিন্তা….

ভাই পো-রে পুরানে বুড়ো-বুড়িরা কহিতো ওজন বুঝে ভোজন দে, মন বুঝে ধন দে, লা-আ-ভ বুঝে ঝাঁপ দে। এক দিকে জেঠা জেঠিগোর ঠেলাগুতো অন্য দিকে ভাই পো আর জেঠা-জেঠিগোর ওয়েটিং, এইসব চিন্তা লইয়া অধিক সময় চোখের পাতা রাইতেও খাড়াইয়া থাকে। আবার ফিজিসিয়ান কহিলেন জেঠির প্রেসার নাকি এখন হাই, তয় তাইনের চিল্লা-ফাল্লাও হাইফাই। আমি কি সমাজের জেটা জেঠিগোর সুখ দুঃখের বয়ান লিখিব নাকি জেঠিরে সামাল দিব ঐ হিসাবও মিলাইতে পারিতেছি না। প্রতিদিনই ভোর সকালেও দেখি জেঠি বুকে হাত দুইখান লইয়া ঘুমের ঘোরেও যেন জেঠারে ঘায়েল করিতে পরিকল্পনা করিতেছে। জেঠাও হ¹ল মানুষ-আমানুষগোর খবরাখবর লইয়া বাড়ি ফিরিলেও রাইতে তাইনের সেবাও করিতে হইতেছে। আবার বহুত জেঠা-জেঠি কহিলো তাইনেগোরে নাকি প্রেসক্রাইব করিতে, জেঠি হইতে কিভাবে রক্ষা পাওন যায়। এই হইলো কাটা ঘা’এ নুন ছিটানো। আরে জেঠার নিজের প্রেসক্রাইব কারে জমা করিবো হেই চিন্তা লইয়া উপর ওয়ালার দেয়া ব্ল্যাক চুল হোয়াইট হইতেছে তার মইধ্যে জেঠা-জেঠিগোর যত তালিমালি। রাইতে জেঠিরে দুই চাইর কথা শুনাইয়া দিলেই পেট্রোল বোমার মতন ঢাস ঢাস করিতে করিতে জীবনটারে ঠাঁসা বানাইয়া দেয়। হেই সময় ভাবি লাইফটা রেস্টুরেন্টের পরটার মতন হইতেছে। সকালে বিছানা ছাড়িতে দেরি। পাহাড় পর্বতের মানুষ অ-মানুষগোর সুখ দুঃখের বয়ান উত্তাপন করিতে হিমশিমও খাইতেছি। তয় আবার লুটেরা ভাইরাসের দলতো কাহারো কথাই হুনিতে চাহে না। বহু ভাইরাসের মানবতা কিছুটা থাকিলেও এই লুটেরা ভাইরাসের মানবতার মা-ও নাই, বাপও নাই। আবার কুঞ্জ হইতে বাহির হইলেই ভাইপোগোর নজরবন্দি, তার মইধ্যে বিনা বেতনে চাকুরী ব্যাটা ছোট্ট জেঠার পাঠশালায় কামিং গোইং এখন হরদম, যোগ হইয়াছে বায়না ধরা। এই জেঠাও নানান কিছিমের রঙ্গরসের কুইশান লইয়া খালি প্রশ্নের রান করিতে ওস্তাদ, বায়না ধরে কম্পোটারে গেইম খেলিবো, জঙ্গল দেখিবো, পাহাড়-নদী-নালা দেখিবো, আমি জেঠা যে কোন খানে লুকাইবো হেই চিন্তা লইয়া খুবই চিন্তায়ও আছি… যাউ¹া…

চান্দি গরম পথচারী, বাইক চালক, বিদ্যালয় পড়ুয়া জেঠা জেঠিরা কহিলো, শহরের আমামীলীগ আফিস সংলগ্ন ট্রাক টার্মিনালের ট্রাকের অত্যাচারে যান চলাচলে সমে সমে বান মারিতেছে। মালামাল লোড-আনলোড টার্মিনালে ভিতরে করিতে আদেশ থাকিলেও রাস্তার ধারেই লোড আনলোড চলিতেছে। মূল সড়কের পাশেই এইসব চলিতে থাকিলেও প্রেশাসনের কর্তাব্যক্তির চোখ যেন পড়েই না। ক’দিন আগেও আমাগো এক ব্যবসায়ী দুই সন্তানের জেঠা ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হইয়া প্রান গিয়াছে। যানতো চলে আর চলে, হুট করিয়া বান ধরিলে হরনের চিৎকারে কানও ঝালাফালা হইতেছে। হ্রদ ভরাইয়া এই টার্মিনাল করিতে যাইয়া একে হৃদের জায়গা দখল অন্যতে যানমালের ঝুঁকিতে জেঠা-জেঠিরা। তার মইধ্যে টার্মিনাল লইয়া দুই পুতিষ্ঠানের টানাটানিতো ফাঁকে ফাঁকে চলিতেছে। কথা হইলো নগর পরিকল্পনাবিদগোর বেতন ভাতা চলিলেও নগরের ওলটপালট ঠিক করনের কর্তা নাই, চিন্তায় আছি…

নদ জেঠা কহিলো আমাগো পুরসভায় আমামীলীগের হেই শয়তানগোর সাঙ্গপাঙ্গরাই তালিমালির কাইজ কাম চালাইয়াই যাইতেছে। আমামীলীগের লুটেরা টাউট শ্রেণীগোর সাহস পাইয়া বহুতে নগরের অহসায় বহুজেঠা-জেঠিগোরে তলে তলে ঠকাইবার কাইজ কাম নাকি চালাইয়া যাইতেছে। আমাগো এক অসহায় জেঠি কহিলো হেইখানের ট্যকস শাখার ঘুষখোর কিছুতে মোটা অংকের ঘুষ খাইয়া গরিবের ঘরের হোল্ডিং অন্যের নামে ব্যবহার করিয়া মামলা মোকদ্দমায় জড়াইয়া দিতাছে। বহুতের ইয়া বড় বড় দালান, বেড়া-কাঠের ঘরবাড়ীতে মাপে-যোগে বেশ কম করিয়া টেকসর টাকা নিজেগোর পকেটে ঢুকাইতেছে। জন্ম সনদ, মরণ সনদ লইয়াতো লুকোচুরি করিয়া বহুতের পেটও দেখি বড় বড় হইয়া গিয়াছে। আমাগো প্রশাসক জেঠার কাছে বহুতে ভালা কিছু আশা করিলেও এখুন নিরাশায় দিন পার করিতেছে। কথা হইলো ক্ষেমতারে ললিপপ ভাবিয়া চুষিয়া যাইতেছে, বহুতে সমুয় পার করিতেছে আর বহুতে বগলের তলে বাঁশি ফুটাইতেছে, চিন্তায় আছি…

নবী জেঠা কহিলো ফ্রন্টের জাতীয় ইলেকশন লইয়া রাজনৈতিক দলগুলাইন ঘর গুছাইতে রাইতরে দিন দিনরে রাইত করিয়া যাইতেছে। আমাগো মাদার ডিস্ট্রিক্টে বিএনপির টিকিট পাইয়াছে অ্যাড. দীপেন জেঠা তয় তাইনেরে লইয়া দলের নেতাকর্মীা পাহাড়ের আনাচে কানাচে চষিয়া বেড়াইতেছে। দলের বহুতে ভাবিয়াছিল মনিস্বপন জেঠা এইবারও টিকিট পাইবে তাঁগোর মইধ্যে তলে তলে তাইনের পক্ষে মৌন সমর্থন থাকিলেও শেষমেষ দীপেন জেঠারে দল মনোনীত করিয়াছে। দলের নেতা ক’জনা কহিলো তারেক জেঠা নাকি কহিয়াছিল ইলেকশান কামিশন তফসিল ঘোষণা করিলে বহুতস্থানে প্রার্থীও বদল ঘটিতে পারে তয় যাঁগো আগে নাম ঘোষণা করা হইয়াছে তাঁগোরেও সম্মানীয় স্থান দেওন হইবে যদি বিএনপি সরকার গঠন করিতে পারে। কথা হইলো র্নিবাচনের দিন যথই ঘনাইয়া আসিতেছে ততই আমাগো দ্যাশের পুরিস্থিতি ঘোলাটে হইয়া যাইতেছে বলিয়া মনে হইতেছে, চিন্তায় আছি…

গপু জেঠা কহিলো জাতীয়তাবাদী দল তিন পাহাড়ের জেলা উপুজিলায় ঐতিহাসকি ৭নভেম্বর পালন করিয়াছে। নেতা-নেত্রী জেঠা-জেঠি বহুতে কহিলো সিপাহী জনতা হেইদিন বিপ্লব না ঘটাইলে জাতি চরম বিপদে পড়িত, স্বাীধনতা সার্বভৌমত্ত হারাইয়া ফেলিত। সামরিক বন্দী দশা হইতে মেজর জিয়াকে সিপাহী জনতাই মুক্ত করিয়া স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতান্ত্রিক ধারা নতুন গতি পায়। মেজর জিয়াই সেদিন দেশ রক্ষায় সকলভয়কে উপেক্ষ করিয়া দেশো হাল ধরিয়াছে। কথা হইলো হেই সমুয়ে যারা জিয়ার লগে ষড়যন্ত্র করিয়াছে তাঁগো বিচারও হওনের দরকার, চিন্তায় আছি…

মীর জেঠা কহিলো, খাগড়াছুড়ির গুইমারায় ক্ষতিগ্রস্ত ৯৭পরিবারকে সাড়ে সাতাইশ লক্ষ টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করিয়াছে জেলা প্রশাসন। আমাগো সরকারের দূর্যোগ ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এর উদ্যোগে এই সব ক্ষতিগ্রস্ত পবিারকে এই সহায়তা প্রদান করা হইয়াছে। গেল বিশুধবার খাগছুড়ির জেলা প্রশাসক জেঠা উপস্থিত থাকিয়া এই নগদ অর্থ বিভিন্ন অংকে পরিবারগুলাইনের মাঝে বিতরণ করিয়াছেন। যাউ¹া দেশ গ্রেরামের এখুন যেই অবুস্থা ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলাইন সরকারের এই সহযোগীতা পাইয়া অন্তত নিজেগোর হাল ধরিয়া রাখিতে সচেষ্ট হইবে। কথা হইলো বিপদ যাহাতে কারোরেই জড়াইয়া ধরিতে না পারে হেই দিকেও আমাগো হ¹লরে নজর দিয়া রাখিতে হইবে, চিন্তায় আছি…
আবার আমাগো মাত্তাল লেদু কহিলো আর কত্ত। অবৈধভাবেই সারা বছরই জেঠা-জেঠিগোরে চুষিয়াই খাইলি। ক্ষেমতার অধিকারী হইয়া রাজনৈতিক লেজুরভিত্তি চালাইয়া শহর নগরের অসহায় জেঠা-জেঠিরে ভালবাসার পল্টি মারিয়া লাগাতারই ছেঁচড়াইতেছে। জেঠা বহুতে কহিলো জন্ম নিবন্ধন লইয়া যেই অত্যাচারিত হইতেছি তয় মানবকুলে আর জন্ম লওনের দরকারও নাই। ঢের ভালা পাখি হইয়া জন্মিলে গোটা পুত্থিবী ঘুরিলেও, পাসপোর্ট, ভিসা, পুরিচয়পুত্র, জন্ম নিবন্ধুনের দরকার হইবে না। এই কামে, হেই কামে বহুতে ফিরিকশন লাগাইয়া দিয়া চুইংগামের মতন লম্বা করিতেছে, আবার নানান কিছিমের আকাম লইয়াও দৌড়াইতেছে। লেদু কহিলো খালি জনগনরে ল্যাং মারনের তালে। ক্ষেমতারে ললিপপ ভাবিয়া লুটপাট-সুবিধা চালাইতে বহুতেরে পাঁটায় তুলিয়া ছেঁচিতেছে। লুটেরার দল আছমকা গন্ডোগোল আর আবোল তাবোল দল বাঁধাইয়া হ¹লই হাতাইয়া নিতে গোল পাকাইতেছে। যা মনে হইতেছে মাত্তাল লেদু মধু খাইলেও হুঁস জ্ঞান ঠিকই আছে, চিন্তায় আছি…

ভাইপো-রে পার্বত্য এলাকায় আর কতো রকম-বেরকমের কান্ডকারখানা দেখিতে হুনিতে হইবো বুঝিতে পারিতেছিনা। রাজনীতির মাঠতো হঠাৎ করিয়া চুড়ান্ত গরম হইয়া পড়িবে ঐ গরমে কে পোড়া আর কে আধপোড়া হইবে পাবলিক জেঠারা ডরে ভয়ে দিনাতিপাত করিতেছে। প্রত্যন্ত অঞ্চলের অনেক জেঠা জেঠি কহিলেন সন্ধ্যার পর অনেকে ডরে ভয়ে স্থান ত্যাগ করিয়াও রাত্রি যাপন করিতেছে। আধিপত্য, চাঁন্দাপত্য, ঘায়েলপত্য, খাদ্যপত্য নানান অপকর্মপত্যর বিস্তার লইয়া কয়েক গ্রুপতো ফটর ফটর করিয়া খালি মানুষ মারিতে ওস্তাদ, ভাই-পো রে খালি দুঃখ আর দুঃখ আমি জেঠাও কখন জেলে ঢুকি এই চিন্তা লইয়া আরো বহুত ঘটনা বাকি থাকিলেও আইজ এই পর্যন্ত লিখিয়া ইতি টানিতেছি, তবুও চিন্তায় আছি….

ইতি-
পা.স.চি.জে.মি.ব.
০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ খ্রিঃ রবিবার