শিরোনাম
কাপ্তাইয়ে দুই শিশু আহত, নিরাপদে সরানো হলো ৮০ জনকেটানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও সচেতনতায় প্রশাসনের মাইকিংরাঙ্গামটির কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ১৮আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে: ইউএনওবান্দরবনের রায়াংছড়িতে ড্রাম ট্রাকের চাপায় শিশু নিহতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সাড়ে তিনশ কৃষকদের মাঝে ফলজ চারা বিতরণরাঙ্গামাটির লংগদুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যুপাহাড় ধসে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বৃদ্ধার মৃত্যু, সতর্কতার জন্য মাইকিংশুধু পুলিশের একক প্রচেষ্টায় সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব নয়কাপ্তাই হ্রদে অভিযান চালিয়ে জব্ধ করা জাল ও নৌকা ৮ জুলাই নিলামে উঠছেখাগড়াছড়িতে সাড়ে ১১ মাসের মাথায় শিশু ধর্ষণ ঘটনায় আসামীর মৃত্যুদন্ড

প্রভাবশালী ব্যক্তির দ্বারা রাঙ্গামাটিতে এক পরিবার হুমকীর মুখে

প্রশাসনের এসবের বিষয়ে সঠিক ব্যবস্থা নেয়ার দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

৭৫

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

প্রভাবশালী ব্যক্তির দ্বারা রাঙ্গামাটিতে এক পরিবারকে উচ্ছেদে ও মিথ্যে মামলা হামলার প্রতিবাদে ক্ষতিগ্রস্ত এই পরিবার প্রশাসনের সহযোগীতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। বুধবার (২৮ এপ্রিল সকালে নিউ কোর্টবিল্ডং এলাকাস্থ রাঙ্গামাটি প্রেস ক্লাবের সম্মেলন কক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন করেন ক্ষতিগ্রস্তের দাবিদার সঞ্জু বড়ুয়া। সংবাদ সম্মেলনে তাঁর ছোট ছেলে সজিব বড়ুয়া, বড়পুত্র বধু বিথিকা বড়ুয়াও উপস্থিত ছিলেন।

লিখিত অভিযোগে সঞ্জু বড়ুয়া বলেন, তিনি পৌরসভা ৮ নং ওয়ার্ড, চম্পক নগর, ১০২ নং রাঙ্গাপানি মৌজা, রাঙ্গামাটি এর স্থায়ী বাসিন্দা হই। তাঁর নিজ বাড়িতেই বাবা- মা এবং স্বামীও পরলোক গমণ করেন। কিন্তু দীর্ঘ ৪৫ (পঁয়তাল্লিশ) বছর এর অধিক সময় ধরে উক্ত ওয়ার্ড ও মৌজার ৩৪১৮ ও ৩৪২০ দাগ এর ১৫ শতক জায়গায় এলাকার অন্যান্য অনেক পরিবার সহ সামাজিক সুন্দরভাবেই বসবাস করে আসছেন। চাকমা সার্কেল মৌজার অন্তর্গত উক্ত দাগ নাম্বারে অন্তত আরো ৪০ (চল্লিশ) পরিবারের অধিক পৌরসভা সহ সরকারি কর প্রদান পূর্বক স্থায়ীভাবেই বসবাস করছেন। দীর্ঘ বছর পর চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জ এলাকার জনৈক নিহার কান্তি দাশ নামীয় ব্যক্তি তাঁহার ভাই মৃত তুষার কান্তি দাশ এর জায়গা দাবি করে বিগত ৫/৬ বছর ধরে তাঁর সন্তান ও পরিবারকে নানান ভাবে হয়রানি সহ মিথ্যে মামলা মোকদ্দমা দিয়ে আসছেন। তিনি অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে তারই ভাড়াটিয়া বরিশাল জেলার বাসিন্দা বিজয় মন্ডলের সাথে আঁতাত করে তাকেই নিজের কেয়ারটেকার সাজিয়ে শাকে সমূলে উচ্ছেদের হুমকী প্রদান করে আসছেন বলে উল্লেখ করেন।

তিনি আরো বলেন, আমার ভাড়াটিয়া বিজয় মন্ডলও অর্থের বিনিময়ে নিহার কান্তি দাশের কেয়ার টেকার দাবি করে ভাড়া না দিয়ে ৪/৫বছর ধরে আমার বাসায় থাকছে। ভাড়া আদায় করতে তাকে উকিল নোটিশও দেয়া হয়েছে। জণেক নিহার কান্তি দাশকে স্থানীয় অনেকেই চেনেননা এবং তাঁহার নামে উক্ত ৮ নং ওয়ার্ড, চম্পক নগর এলাকায় কোন জায়গা বা বসতিও কখনো ছিল না। তিনি রাজনৈতিক ছত্র ছায়ায় থাকা স্থানীয় কিছু অসৎ ব্যক্তি ও ভুমিদস্যুদের সাথেও আঁতাত করে অর্থের এবং জায়গার প্রলোভন দেখাইয়া তার বসতবাড়ি দখলের পাঁতারা চালাছেন। এভাবেই তিনি একরে পর এক গন্ডোগল লাগিয়ে মামলা হামলা করেই যাচ্ছেন। তাঁর অত্যাচারে অত্যাচারে আমরা সর্বশান্ত হয়ে পড়ছি। তিনি প্রভাবশালী বলেই তাঁদের অধিকারের কথা কেউ শুনছেন না বলে দাবি করেন। তিনি রাজনৈতিক ছত্র ছায়ায় থাকা স্থানীয় কিছু অসৎ ব্যক্তি ও ভুমিদস্যুদের ব্যবহার করে তাঁর সন্তানদের রাস্তাঘাটে মারধর করাচ্ছেন।

লিখিত অভিযোগে সঞ্জু বড়ুয়া আরো বলেন, চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জের প্রভাবশালী এই নিহার কান্তি দাশ এর মৃত ভাই তুষার কান্তি দাশ এর নামে যদি জায়গা থাকে তাতে জায়গা বুঝে নিতে জেলা প্রশাসনসহ আইন কানুনগোর সহায়তা না নিয়ে তিনি কেন সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তা আমার পরিবার এবং স্থানীয়দেরও প্রশ্ন। তিনি বলছেন তাঁর ভাইয়ের জায়গায় সেখানে মসজিদ নির্মাণ হয়েছে এলাকার অনেকেও জানেন। অথচ তিনি আমাদের উপরই এককভাবে একের পর এক মামলা হামলা করানো দুরভিসন্ধি বলেই মনে হচ্ছে। তাঁর বিরুদ্ধে যিনিই কথা বলছেন তাকেও মামলায় জড়াবেন, পুলিশ দিয়ে গ্রেফতার করাবেন বলে হুমকী প্রদান করছেন। বর্তমানে কোর্টে মামলা থাকা সত্বেও গত ২২/৪/২১ইং তারিখ তিনি আমার ভাড়াটিয়ার বাসায় বিদ্যুৎ সংযোগ দিয়েছেন। এখন পানির লাইন আনার জন্য তোরজোড় চালাচ্ছেন তিনি কি এতই প্রভাবশালী যে, তাঁর কথাতেই দেশের আইন-কানুন প্রশাসন চলে। তাঁর এই অসৎ এবং দুরভিসন্ধি উদ্দেশ্যগুলি বের করে প্রশাসনের উচিৎ এসবের বিষয়ে সঠিক ব্যবস্থা নেয়া।

এ বিষয়ে নিহার কান্তি দাশের সাথে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে জায়গাটি তার বলে দাবি করেন।