শিরোনাম
তরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরি

রাঙ্গামটির কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ১৮আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে: ইউএনও

১৬

॥ মোঃ কবির হোসেন, কাপ্তাই ॥
রাঙ্গামাটির কাপ্তাই উপজেলা ৫ নম্বর ওয়াগ্গা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডেও চট্টগ্রাম-কাপ্তাই সড়কের বালুচরা এলাকায় টানা বৃষ্টির ফলে পাহাড় ধসে একটি বড় গাছ উপড়ে সড়কের উপর পড়ে। এছাও পাহাড়ের মাটি ধ্বসে সড়কের উপর জমা হওয়ায় যানবাহন চলাচলে বিঘœ ঘটছে। মঙ্গলবার (৭জুলাই) সকাল সাড়ে ১০ টা হতে সড়কে সকল প্রকার যানবাহন ও সাধারণ মানুষের চলাচল সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। একটিকে বৃষ্টি পড়ছে টানা তার মধ্যে বার লোডশেডিং হচ্ছে বিদ্যুৎ সরবরাহে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কাপ্তাই থানার ওসি শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল, ঐ ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোহাম্মদ সরোয়ার এবং প্রত্যক্ষদর্শী কাপ্তাই বিউবো স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক নুরুল কবির করিমী জানান, সোমবার রাত হতে টানা বৃষ্টির ফলে সড়কে গাছ সহ পাহাড় ধ্বসে পড়ে। ফলে উভয়ই দিক হতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার দেলোয়ার হোসেন এর নেতৃত্বে একটি দল ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় গাছ অপসারণ ও সড়ক পরিষ্কারের কার্যক্রম শুরু করে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাপ্তাই ফায়ার সার্ভিস, বন বিভাগ, পিডিবি, এবং স্থানীয়রা মিলে সড়ক হতে গাছ এবং মাটি অপসারণ করে যান চলাচলের জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। এই ঘটনায় কোনো হতাহতের সংবাদ পাওয়া যায়নি। কাপ্তাই নতুন বাজার ঢাকাইয়া কলোনি প্রায় ৫শ’পরিবার পাহাড়ের ঢালুতে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় বসবাস করছে।

কাপ্তাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রায়হানুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় কাপ্তাই থানার ওসি শেখ মাহমুদুল হাসান রুবেল, কাপ্তাই সহকারী তথ্য অফিসার দেলোয়ার হোসেন, কাপ্তাই প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ফরহাদ হোসেন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পরিদর্শন করে এবং পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণ্যভাবে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে আসার জন্য মাইকিং করা হয়েছে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসকের নির্দেশক্রমে উপজেলার ৫ টি ইউনিয়নে ১৮ টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। যারা আশ্রয় কেন্দ্রে আসবেন তাদেরকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে খাওয়াসহ সকল ধরনের নিরাপদে রাখার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে বলে জানান।

এ দিকে টানা বৃষ্টিপাতের ফলে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধস ও বসতভিটার ক্ষতি সাধনের খবর পাওয়া যায়। সাধারণ মানুষ টানা বৃষ্টির কারনে যথেষ্ট আতঙ্কে দিনযাপন করছে।