শিরোনাম
রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে ক্রয় ক্ষমতার বাইরে সবজি, প্রয়োজনে ভ্রাম্যমান আদালতরাঙ্গামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি)’র নতুন ভিসি ড. মোঃ শফিকুল ইসলামরাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিতখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় খাল থেকে মাটি কাটার অপরাধে ৪০ হাজার টাকা জরিমানাখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ভারতীয় জুসের চালান জব্দখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বন্যায় ক্ষতিগস্তদের মাঝে শর্তহীন নগদ অর্থ বিতরণরাঙ্গামাটিতে মায়ের হাতে খুন হলো মাদকাসক্ত ছেলেমাটিরাঙ্গা-গোমতি সড়কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ সংস্কার করলেন বিএনপি নেতাখাগড়াছড়ির রামগড়ে ৪৩ বিজিবি’র উদ্যোগে নিরাপত্তা সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিতখাগড়াছড়ির রামগড়ে কলাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয়ে ফিরছে শিক্ষার্থীরা

রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে ক্রয় ক্ষমতার বাইরে সবজি, প্রয়োজনে ভ্রাম্যমান আদালত

॥ রাজস্থলী উপজেলা প্রতিনিধি ॥
রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলার বাজারগুলোতে ক্রেতাসাধারনের ক্র ক্ষমতার বাইরেই সকল প্রকারের সবজি। কিছু দিন আগেও ৩০/৪০ টাকা দামের সবজি এখন শতের ঘর পার হয়েছে। বন্যা পরিস্থির কারনে বাজারে পন্যের দাম ক্রয় ক্ষমতার বাইরেই বলে ক্রেতা সাধারণ অভিযোগ করছেন। উপজেলা প্রশাসন প্রয়োজনে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করবে।

এদিকে রাঙ্গামাটি রাজস্থলী উপজেলায় সাম্প্রতিকর ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় বেশিরভাগ সবজি ক্ষেত। বিশেষ করে রাজস্থলী উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের ঘিলাছড়ি, গাইন্দ্যা ও বেশীর ভাগ বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিসাধিত হয়েছে। লন্ডভন্ড হয়ে যায় মৎস্য চাষ সহ নানান প্রকারের সবজি ক্ষেত। বর্তমানে বাজারগুলোতে সাধারণ মানুষেল সবজি ক্রয় পরিস্থিতি খুবই বেহলা দশা। কাকরল, বরবটি, তিত করলা, ওল কচু মিষ্টি কুমড়া, শশা, চাল কুমড়া, আলু এসব সবজিগুলি বন্যার আগে কেজি ৩০ থেকে ৪০ টাকায় বিক্রি হতো। বর্তমানে ১০০ টাকার নিচে কোনো সবজি বাজারেই নাই।

বর্তমানে এই অবস্থা পার করতে হলে মৌসুমী সবজি বাজারে না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে বলে জানিয়েছেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মিন্টু মিয়া।

উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া বাজারে সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায় সবজীরতো দাম ক্রয় ক্ষমতার বাইরে তারমধ্যে মাছের দামও চড়া। বেশিরভাগ বাজারে মাছের উপস্থিতি নগন্যই বলা যায়। এই ভয়াবহ বন্যায় মৎস্য চাষিরাও এখন বিপাকে। পুকুর ও প্রজেক্টের মাধ্যমে মাছ চাষে সরকারের সহযোগিতা না পেলে চরম ক্ষতির পাশাপাশি বেকারের সংখ্যা বেড়ে যাবে, আবার অনেক মৎস্য চাষের আগ্রহ হারিয়ে ফেলবে।

মৎস্য চাষি বাবলু মিয়া বলেন, আমার যে পরিমান ক্ষতি হয়েছে আমি সেড়ে উঠতে সময় লাগবে। অপর দিকে মুরগী ফার্মের মালিক সাদেক বলেন, এবারের বন্যায় আমার পাঁচ লাখ টাকার মুরগী বন্যার পানিতে ভেষে গেছে আমি অসহায় হয়ে পড়েছি। আমার সামত্য নেই আবার ঘুরে দাঁড়াতে। উপজেলার রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দরা বলেছেন এবার রাজস্থলী উপজেলায় কৃষক ও মাছ চাষীদের প্রচুর ক্ষতি হয়েছে। তাদের ক্ষতিপূরন প্রদানের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানান।

অপর দিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইউছুপ হাসান বলেন, উপজেলা প্রশাসন বাজার মনিটরিং করবে। কেউ ইচ্ছে করে ক্রেতাসাধারণকে আর্থিক ভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা করা হলে প্রয়োজনে ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা হবে। অভিযোগ প্রমানিত হলে ভোক্তা অধিকার আইনে উপযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।