শিরোনাম
সরকারি মাতামুহুরী কলেজের শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবিতে ৭২ ঘন্টার আলটিমেটামখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ওএমএসের পন্য বিক্রি শুরুখাগড়াছড়ির রামগড়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিজিবির মানবিক সহায়তারাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে সরকারী নির্দেশ অমান্য করে ঋণের কিস্তি আদায়রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে ৩৮ বোতল দেশীয় কেয়ারু মদ জব্দলামায় জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিতসরকারের প্রধান লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা: দীপেন দেওয়ানকফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ জরুরিপার্বত্য এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিশেষ মনোযোগ রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালঅবশেষে দুই দিন পর কাপ্তাই হ্রদেই মিলল ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতির মরদেহ

জনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রী

১০

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
শুধু সময়মতো অফিসে উপস্থিত থাকাই যথেষ্ট নয়, নাগরিকদের দ্রুত, স্বচ্ছ ও মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করাও প্রশাসনের মূল দায়িত্ব। জনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। সোমবার (৮জুন) সকালে সাভারের আমিনবাজার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শনে গেলে ভুমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি উপস্থিত কর্মকর্তা কর্মচারীদের এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী সাভারের আমিনবাজার সহকারী কমিশনার (ভূমি) কার্যালয়ে আকস্মিক পরিদর্শনে যান। এসময় তিনি সেখানে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উপস্থিতি, সেবার মান এবং সামগ্রিক প্রশাসনিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করতে গিয়ে নানান অনিয়ম ও দায়িত্বে অবহেলার চিত্র দেখতে পান। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুপস্থিতি, নাগরিক সেবায় দীর্ঘসূত্রতা ও প্রশাসনিক অব্যবস্থাপনা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে ভূমি অফিসের বাইরে অপেক্ষমাণ সেবাপ্রার্থীদের সাথে কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। সেবাপ্রার্থীরা অভিযোগ করেন যে, বিভিন্ন সেবা নিতে বারবার অফিসে আসতে হলেও তারা কাঙ্খিত সেবা পাচ্ছেন না এবং হয়রানির শিকার হচ্ছেন। নাগরিক সেবায় এমন দীর্ঘসূত্রতা ও ভোগান্তির বিষয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।

পরিদর্শনের একপর্যায়ে কর্মকর্তাদের সঠিক উপস্থিতির সময় যাচাই করার জন্য সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। একই সাথে কার্যালয়ের তথ্যকেন্দ্র-কাম-হেল্প ডেস্কের কার্যকারিতা ও দুর্বল ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। তবে রেকর্ড কিপিং ও ডেটা এন্ট্রি ইউনিটের কর্মকর্তারা যথাসময়ে উপস্থিত থেকে দায়িত্ব পালন করছিলেন দেখতে পান তিনি। এ সময় প্রতিমন্ত্রী কার্যালয়ের বিভিন্ন রেকর্ডরুমও পরিদর্শন করেন এবং নথি সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

নামজারি (মিউটেশন) ও অন্যান্য ডিজিটাল সেবা সংক্রান্ত কাজে দীর্ঘসূত্রতার কারণ জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিমন্ত্রীকে জানান যে, দীর্ঘদিন ধরে সার্ভারজনিত সমস্যার কারণে মিউটেশন কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে না। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে নিয়ে সার্ভার ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় কারণ দর্শানোর (শোকজ)-এর জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন প্রতিমন্ত্রী। এছাড়া তথ্যকেন্দ্রকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করতে সেখানে নির্দিষ্ট জনবল নিয়োগের নির্দেশও দেন। পরিদর্শন শেষে ভূমি সেবার মানোন্নয়ন, প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহি বৃদ্ধি এবং জনগণের ভোগান্তি লাঘবে দ্রুত ও কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।