শিরোনাম
যানবাহন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা গুরুতর অপরাধ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালদক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি করছেন রামগড়ের সন্তান মংসাথোয়াইসুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

ম্রো ও ত্রিপুরা শিশুদের শিক্ষার নামে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে

১২

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
ধর্ষণের পর চিহ্নিত ধর্ষকদের গ্রেফতার করা হলেও অনেক সময় ধর্ষকদের রক্ষা করতে বিভিন্ন ষড়যন্ত্র করতে দেখা যায়। বান্দরবানের থানচিতে ৫ বছরের ত্রিপুরা শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার (৪জুন) খাগড়াছড়ি উপজেলার দিঘীনালায় সারা বিশ্বে আগ্রাসনের শিকার নিরীহ শিশুদের জন্য আন্তর্জাতিক শিশু দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন।

এ উপলক্ষ্যে অগ্রণী শিশু কিশোর কেন্দ্র দিঘীনালা শাখার উদ্যোগে বাঘাইছড়ি দুওর এলাকায় র‌্যালী বের করা হয়। সুপারিবাগান এলাকা থেকে শুরু করে বাঘাইছড়ি আনন্দ বাজারে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। শিশু র‌্যালী শেষ সংক্ষিপ্ত সমাবেশে অগ্রণী শিশু কিশোর কেন্দ্রের পক্ষ থেকে লিখিত বক্তব্য উত্তাপন করেন উদোল বাগান উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অর্জন চাকমা।

বক্তব্যে অর্জন চাকমা বলেন, দেশে নারী শিশু ধর্ষণ দিন দিন বাড়ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামেও নারী ও শিশু ধর্ষণ ঘটনা ঘটেই চলেছে। তিনি আরো বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে ধর্মান্তরকরণ করা হচ্ছে। এখানে ধর্মীয়, সংস্কৃতি ও জাতিগত আগ্রাসনের ফলে বান্দরবানে ম্রো ও ত্রিপুরা শিশুদের শিক্ষার নামে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে। এসব বন্ধ করা জরুরী প্রয়োজন। এতে সকল জাতিসত্তার ভাষা-সংস্কৃতির ওপর বিরুপ প্রভাব পড়ছে।

সমাবেশে বক্তারা বলেন সারাদেশে নারী শিশু ধর্ষন-হত্যা বন্ধ করতে হবে রামিশা ধর্ষণ ও হত্যার সাথে জড়িত সোহেল রানা ও থানচিতে ৫ বছরের ত্রিপুরা শিশু ধর্ষণকারী বিজয় বড়ুয়াকে ফাঁসি দাও। সারাদেশে ধর্ষণের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদন্ড কার্যকর কর। শিশু-নারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

উল্লেখ্য যে ১৯৮২ সালে লেবানন যুদ্ধে সন্ত্রাস ও আগ্রাসনের কারনে শারীরিক, মানবিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ শিশুদের স্মরণে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ৪ জুনকে শিশু আগ্রসনের আন্তর্জাতিক দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।