শিরোনাম
রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলায় মৃত বন্যহাতির শুঁড় ও পা কেটে নিল দুর্বৃত্তরাসংক্রামক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনাই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষার চাবিকাঠি: পার্বত্য মন্ত্রীবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে কৃষকের মাঝে আউশ ধান ও তিল বীজ প্রণোদনা বিতরণমানিকছড়িতে বিদ্যুতের খুঁটি ঘেঁষে ভবন নির্মাণ, পিডিবি আর আমি বুঝব তাতে আপনাদের কি?শহীদ জিয়ার পর যারা ক্ষমতায় এসেছেন তারা নদী-খাল দখলেই মত্ত ছিলেন: পার্বত্য মন্ত্রীবাঘাইছড়ির সাজেকে সেনাবাহিনীর অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজা সহ আটক ৪ জনকাপ্তাইয়ে এক গৃহবধুর গলায় ছুড়ি ঠেকিয়ে ডাকাতিউন্নয়ন কাজগুলো বাস্তবায়িত হলে পার্বত্য এলাকার চেহারা পাল্টে যাবে: পার্বত্য মন্ত্রীলোডশেডিংয়ের কারনে কাপ্তাই উপজেলায় অতিষ্ঠ এসএসসি পরীক্ষার্থীরাএক ইঞ্চি জমিরও সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না: ভূমি প্রতিমন্ত্রী

বান্দরবনের রোয়াংছড়িতে কৃষকের মাঝে আউশ ধান ও তিল বীজ প্রণোদনা বিতরণ

॥ হ্লাছোহ্রী মারমা, রোয়াংছড়ি ॥
বান্দরবানের রোয়াংছড়ি উপজেলায় প্রান্তিক কৃষকদের উৎপাদন বৃদ্ধির সহায়তা দিতে আউশ ধান ও তিলের বীজ প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ১২০০জন কৃষকের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (২৭ প্রপ্রিল) সকালে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে প্রণোদনা হিসেবে এসব বীজ বিতরণ করা হয়।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ এহসানুল হকের সভাপতিত্বে উপজেলা কৃষি অফিসের প্রাঙ্গণে আয়োজিত বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রোয়াংছড়ি সা-জোন ক্যাম্প কমান্ডার মোহম্মদ ছেয়দ রবিউল ইসলাম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন ১নং রোয়াংছড়ি সদর ইউপি চেয়ারম্যান মেহ্লাঅং মারমা, ৩নং আলেক্ষ্যং ইউপি চেয়ারম্যান বিশ^নাথ তঞ্চঙ্গ্যা, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা পাপন সরকারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তির্বগ।

এতে উপজেলার চারটি ইউনিয়নের কৃষকদের মাঝে উন্নতমানের বীজ, ডিএপি ও এমওপি সারসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ প্রদান করা হয়। জানা যায়, ১নং রোয়াংছড়ি সদর ইউনিয়নের ৩০০জন আউশ ধান ও ১৫জন তিল, ২নং তারাছা ইউনিয়নের ৩০০জন আউশ ধান ও ১৫জন তিল, ৩নং আলেক্ষ্যং ইউনিয়নের ৩০০জন আউশ ধান ও ১৫জন তিল, ৪নং নোয়াপতং ইউনিয়নের ৩০০জন আউশ ধান ও ১৫জন তিলসহ মোট ১২৬০জন কৃষক এ প্রণোদনার আওতায় আসেন। প্রত্যেক কৃষককে আউশ ধানের ১০কেজি ডিএপি ও তিলের উন্নতমানের বীজের পাশাপাশি ৫ কেজি এমওপি সার দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে প্রান্তি কৃষক পুলিন তঞ্চঙ্গ্যা বলেন সরকারের এ ধরনের প্রণোদনা কার্যক্রম কৃষকদের উৎপাদন বাড়াতে গুরুপ্তর্পূণ ভূমিকা রাখবে এবং কৃষিখাতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।