শিরোনাম
পর্যটন খাতের আমূল পরিবর্তন কোনো একক সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়: পার্বত্য মন্ত্রীএমএন লারমা এঁর জীবন দর্শন বর্তমান সময়ে প্রাসঙ্গিক বিষয়লামায় পুকুরে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুলামা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান, সম্পাদক মোঃ আরমানরোয়াংছড়ি-রুমায় সরকারি সফরে যাচ্ছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাম্যাচিংকেবল পাঠ্যপুস্তকের পড়াশোনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না: পার্বত্য মন্ত্রীবাল্যবিবাহ প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়: রোয়াংছড়ি ইউএনওবাঘাইছড়িতে সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় চক্ষু চিকিৎসা, ঔষধ ও চশমা বিতরণরোয়াংছড়িতে বেসরকারি সংস্থার ওয়াশ প্রকল্পের আলোচনা সভাকাপ্তাইয়ে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩৫হাজার টাকা জরিমানা

সংক্রামক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনাই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষার চাবিকাঠি: পার্বত্য মন্ত্রী

১৪

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর দূরদর্শী ও সাহসী নেতৃত্বে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড আজ দেশের প্রতিটি প্রান্তে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। গত ১৮০ কার্যদিবসের অভাবনীয় অর্জন জনকল্যাণ ও টেকসই উন্নয়নের যে শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছে, তার ওপর ভর করেই আমরা একটি নিরাপদ, আধুনিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছি।

সোমবার (২৭এপ্রিল) বিকালে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জাপান সরকারের অর্থায়নে এবং ইউএনডিপি’র কারিগরি সহায়তায় স্থাপিত ‘হেলথ কেয়ার ওয়েস্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট’-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে কানাডার হাইকমিশনার মিস্টার অজিত সিং, জাপান দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অফ মিশন মিস্টার তাকাহাশী নাওকি, ইউএনডিপি-র আবাসিক প্রতিনিধি মিস্টার স্টেফান লিলার, এডিবি-র কান্ট্রি ডিরেক্টর মিস্টার হো ইউন জং, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার এবং রাঙ্গামাটির সিভিল সার্জন ড. নূয়েন খীসাসহ স্থানীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় ২৬টি সরকারি হাসপাতালে উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি স্থাপন করা হয়েছে। এটি দুর্গম পাহাড়ী জনপদে নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কোভিড-১৯ আমাদের শিখিয়েছে যে কেবল চিকিৎসা নয়, সংক্রামক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনাই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষার চাবিকাঠি।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, এই প্রকল্পটির মাধ্যমে কাউকে পেছনে ফেলে নয়, প্রধানমন্ত্রীর এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে পাহাড়ের সকল জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায় ও দুর্গম এলাকার মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে নারীদের কর্মসংস্থান এবং ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সরকারের আধুনিক স্বাস্থ্য ভাবনারই প্রতিফলন। জাপান সরকার, কানাডীয় হাইকমিশন ও ইউএনডিপি-র সহযোগিতার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।