শিরোনাম
পার্বত্য চট্টগ্রামে কৃষকদের উন্নয়নে সরকার আন্তরিকশিক্ষার প্রসার ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী মানবিক: বাঘাইহাট জোনকর্ণফুলী কলেজে তালিজোড়া দিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম, ৩৭ এর মধ্যে কর্মরত ১০ শিক্ষকপ্রধানমন্ত্রী হতদরিদ্র মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছেক্রীড়া প্রতিভা খুঁজতে মাটিরাঙ্গায় ‘নতুন কুঁড়ি’র বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিতশিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখাতেও শেখান, ‘স্বপ্নবাহক’ বইয়ের মোড়ক উম্মোচনমহালছড়ির মুবাছড়ি বন বিহারে শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিতপুলিশ বা প্রশাসন একা মাদক নির্মূল করতে পারবে নাজিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত যুব কমপ্লেক্সই আজকের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর: দীপন তালুকদারপানছড়িস্থ ৩ বিজিবি’র ৭৮ বছরের গৌরবের পথচলায় মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

সংক্রামক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনাই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষার চাবিকাঠি: পার্বত্য মন্ত্রী

১৪

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এর দূরদর্শী ও সাহসী নেতৃত্বে সরকারের উন্নয়ন কর্মকান্ড আজ দেশের প্রতিটি প্রান্তে ইতিবাচক পরিবর্তন আনছে। গত ১৮০ কার্যদিবসের অভাবনীয় অর্জন জনকল্যাণ ও টেকসই উন্নয়নের যে শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করেছে, তার ওপর ভর করেই আমরা একটি নিরাপদ, আধুনিক এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার পথে এগিয়ে যাচ্ছি।

সোমবার (২৭এপ্রিল) বিকালে রাঙ্গামাটি জেনারেল হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জাপান সরকারের অর্থায়নে এবং ইউএনডিপি’র কারিগরি সহায়তায় স্থাপিত ‘হেলথ কেয়ার ওয়েস্ট ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট’-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে কানাডার হাইকমিশনার মিস্টার অজিত সিং, জাপান দূতাবাসের ডেপুটি চিফ অফ মিশন মিস্টার তাকাহাশী নাওকি, ইউএনডিপি-র আবাসিক প্রতিনিধি মিস্টার স্টেফান লিলার, এডিবি-র কান্ট্রি ডিরেক্টর মিস্টার হো ইউন জং, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদার এবং রাঙ্গামাটির সিভিল সার্জন ড. নূয়েন খীসাসহ স্থানীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবেই পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলায় ২৬টি সরকারি হাসপাতালে উন্নত বর্জ্য ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি স্থাপন করা হয়েছে। এটি দুর্গম পাহাড়ী জনপদে নিরাপদ স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। কোভিড-১৯ আমাদের শিখিয়েছে যে কেবল চিকিৎসা নয়, সংক্রামক বর্জ্যের সঠিক ব্যবস্থাপনাই পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য রক্ষার চাবিকাঠি।

মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, এই প্রকল্পটির মাধ্যমে কাউকে পেছনে ফেলে নয়, প্রধানমন্ত্রীর এই মূলমন্ত্রকে ধারণ করে পাহাড়ের সকল জাতিগোষ্ঠী সম্প্রদায় ও দুর্গম এলাকার মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বিশেষ করে নারীদের কর্মসংস্থান এবং ডিজিটাল মনিটরিং সিস্টেমের মাধ্যমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সরকারের আধুনিক স্বাস্থ্য ভাবনারই প্রতিফলন। জাপান সরকার, কানাডীয় হাইকমিশন ও ইউএনডিপি-র সহযোগিতার প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক এই অংশীদারিত্ব বাংলাদেশের উন্নয়নে সহায়ক ভূমিকা পালন করছে।