শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

দলের দুর্দিনের নিঃস্বার্থ কর্মী রামগড় জিয়া পরিষদের সাইফুল

১৭

॥ মোঃ মাসুদ রানা, রামগড় ॥
দলের দুঃসময়ে, যখন অনেকেই পিছিয়ে গিয়েছিল, ঠিক সেই সময় ১/১১ পরবর্তী কঠিন বাস্তবতায় যারা বুক চিতিয়ে দলের পতাকা ধারণ করেছিলো তার মধ্যেই একজন ছিলেন খাগড়াছড়ির রামগড় জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম।

ভয়, চাপ, অনিশ্চয়তা কিছুই তাকে দমাতে পারেনি, কারণ তার রাজনীতি ছিল বিশ্বাসের ভালোবাসার আর আদর্শ। তিনি জিয়া পরিষদ, রামগড় উপজেলার সাথে সম্পৃক্ত থেকে দলের জন্য সংগঠনের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, তিনি উপজেলা জিয়া পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, আর তার নেতৃত্বেই সংগঠনটি পেয়েছে নতুন গতি, নতুন শক্তি। পাহাড়ের কিংবদন্তি নেতা ওয়াদুদ ভূঁইয়া যখনই আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন চট্টগ্রাম থেকে খাগড়াছড়ি হাজির হয়েছেন।

আওয়ামী লীগের বাধা, চেকপোস্ট, নজরদারি সবকিছুকে উপেক্ষা করে তিনি পৌঁছে গেছে আন্দোলনের ময়দানে। কারণ তর কাছে দল ছিল প্রথম, আদর্শ ছিল সর্বোচ্চ। ৫ আগস্টের আগেই, যখন অনেক জায়গায় সংগঠনগুলো ছিল স্থবির, তখন কাউন্সিলের মাধ্যমে রামগড় উপজেলা জিয়া পরিষদের কমিটি ঘোষণা ছিল একটি সাহসী ও গণতান্ত্রিক পদক্ষেপ। এই সংগঠনের প্রতিটি কর্মী নিঃস্বার্থ ভাবে কাজ করে গেছে। নাম, পদ কিংবা ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য নয়, বরং দলের প্রতি ভালোবাসা থেকে।

হয়তো সময়ের সাথে সাথে কিছু নতুন ফোরাম এসেছে, কেউ কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থ খুঁজেছ কিন্তু জিয়া পরিষদের কর্মীরা প্রমাণ করেছে, সত্যিকারের রাজনীতি মানে ত্যাগ, নিবেদন, মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া। জাতীয় নির্বাচনে ও তারা পিছিয়ে থাকেনি নিজেদের ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনামকে কাজে লাগিয়ে প্রিয় নেতা ওয়াদুদ ভূইয়া এবং দলের পক্ষে জনমত গড়ে তুলেছে। সালাম সেই সকল নির্ভীক সৈনিকদের, যারা দুঃসময়ে থেকেছে আর আজও আছে দলের পাশে মানুষের পাশে।