শিরোনাম
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পানির ঢলে যৌথ এক পরিবারের ২টি ঘর নদীগর্ভেইউএনও’র পরিদর্শন কাপ্তাইয়ে কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্রে ১০৫জন আশ্রয় নিয়েছেপ্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই: মাটিরাঙ্গা ইউএনও মিতুরাঙ্গামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক নাজমা, বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত, নিহত ১কাপ্তাইয়ে দুই শিশু আহত, নিরাপদে সরানো হলো ৮০ জনকেটানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও সচেতনতায় প্রশাসনের মাইকিংরাঙ্গামটির কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ১৮আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে: ইউএনওবান্দরবনের রায়াংছড়িতে ড্রাম ট্রাকের চাপায় শিশু নিহতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সাড়ে তিনশ কৃষকদের মাঝে ফলজ চারা বিতরণরাঙ্গামাটির লংগদুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

বান্দরবানের লামায় বৈরী পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা

১২

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥
দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও ভারী বর্ষণে পাহাড় ধ্বসে প্রাণহানির আশঙ্কায় বান্দরবানের লামা উপজেলায় ৬০টি পর্যটন কেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে স্থানীয় উপজেলা প্রশাসন। উপজেলার মিরিঞ্জা রেঞ্জ ও সুখিয়া দুখিয়া ভ্যালিতে অবস্থিত এসব পর্যটন কেন্দ্র আজ থেকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। রবিবার (১জুন) দুপুরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির এক জরুরী বৈঠক শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এই নির্দেশনা জারি করেছেন।

লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মইন উদ্দিন জানিয়েছেন টানা ভারী বর্ষণের কারণে পাহাড় ধসের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেই সাথে পাহাড়ি এলাকার সড়ক, পর্যটন এলাকা, ঝর্ণা ও স্থাপনা গুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভারী বর্ষণে পাহাড় ধসে প্রাণহানি ঠেকাতে ও পর্যটকদের জীবন রক্ষায় উপজেলার তিনটি স্থানের ৬০টি পর্যটনকেন্দ্র পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পর্যটকরা যাতে এই বৈরী আবহাওয়া ঝুঁকিপূর্ণভাবে পর্যটন কেন্দ্র গুলোতে যেতে ও রাত্রি যাপন করতে না পারে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে।

এদিকে গত কয়েকদিনের টানা ভারী বর্ষণে আবারো বান্দরবানের লামা ও আলীকদম উপজেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত মাতামুহুরী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। লামা উপজেলার ১০/১৫ স্থানে পাহাড় ভেঙ্গে বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। রবিবার সন্ধ্যায় লামা উপজেলার রূপসীপাড়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের পুকুরিয়া খোলা এলাকায় মোজাম্মেল হকের ছেলে মোঃ সোহেল এর বসতবাড়ির উপর পাহাড় ভেঙ্গে পড়ে সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এছাড়া বাতাস ও অতিবৃষ্টির কারণে অসংখ্য জায়গায় বিদ্যুতের তারের উপর গাছ ভেঙ্গে পড়েছে। শনিবার রাতে ঘরের উপর গাছ চাপা পড়ে আলীকদম উপজেলায় এক শিশু নিহত ও নাইক্ষ্যংছড়িতে প্রবল বৃষ্টির সময় বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে শর্ক লেগে একজন মারা গেছে।