শিরোনাম
স্থানীয় জনগোষ্ঠিরা যাহাতে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বি হয় এমন প্রকল্প গ্রহন করা হবে১১ আরই ব্যাটালিয়নের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ প্রদানবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুমে বার্মিজ কারেন্ট জালসহ ৪ জন আটকখাগড়াছড়িতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮’তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনবান্দরবানের লামায় ৩ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশঅনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে কোন স্থান নাইমানিকছড়িতে বাজার শেড দখলমুক্ত সহ পুনঃস্থাপনের দাবী‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কাপ্তাইয়ে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রদলের প্রচারণাকাপ্তাই নতুন বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানরোয়াংছড়িতে অভিভাবকদের নিয়ে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত

অবশেষে লামায় টোব্যাকোয় ডাকাতির মাস্টারমাইন্ড করিম অস্ত্র সহ গ্রেফতার

৬২

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥
বান্দরবানের লামায় ‘আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেড’ এর টাকা লুটের ঘটনায় পুলিশের আরেক অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, তাজা বুলেট, ধারালো ছুরি ও নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিকেল ৫টায় লামা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড সিলেটি পাড়া আব্দুল করিমের বাবা ওয়াসের আলাীর বাড়ির পাশ থেকে এইসব উদ্ধার হয়।

উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন, বান্দরবান জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন শাখা) আব্দুল করিম। আরো উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা গোয়েন্দা শাখার প্রধান কামরুল আজম, লামা থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এনামুল হক, উপ-পরিদর্শক নুরুজ্জামান, সাংবাদিক, আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির প্রতিনিধি ও স্থানীয় লোকজন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল করিম উদ্ধার অভিযান শেষে সাংবাদিকদের জানান, লামা আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেডের টাকা ডাকাতির ঘটনায় বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী লামা পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। বিকেল ৫টায় ডাকাতির ঘটনার মাস্টারমাইন্ড আব্দুল করিমের বাবার বাড়ির পাশ থেকে তার দেখানো তথ্য মতে মাটি খুঁড়ে ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাজা বুলেট, ধারালো ছুরি, লোহা কাটা কাটার ও নগদ ৭০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এনামুল হক বলেন, আজ বৃহস্পতিবার এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড আব্দুল করিম কে গ্রেফতার করা হয়। এই পর্যন্ত মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৬টি পৃথক অভিযানে মোট ৫১ লাখ ৮৭ হাজার ২০০ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এখনো আরো ১ কোটি ২০ লাখ ৮৮ হাজার ৪৩৮ টাকা বাহিরে রয়েছে। বান্দরবান জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি পরিচালনা করছে।