শিরোনাম
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পানির ঢলে যৌথ এক পরিবারের ২টি ঘর নদীগর্ভেইউএনও’র পরিদর্শন কাপ্তাইয়ে কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্রে ১০৫জন আশ্রয় নিয়েছেপ্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই: মাটিরাঙ্গা ইউএনও মিতুরাঙ্গামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক নাজমা, বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত, নিহত ১কাপ্তাইয়ে দুই শিশু আহত, নিরাপদে সরানো হলো ৮০ জনকেটানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও সচেতনতায় প্রশাসনের মাইকিংরাঙ্গামটির কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ১৮আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে: ইউএনওবান্দরবনের রায়াংছড়িতে ড্রাম ট্রাকের চাপায় শিশু নিহতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সাড়ে তিনশ কৃষকদের মাঝে ফলজ চারা বিতরণরাঙ্গামাটির লংগদুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

অবশেষে লামায় টোব্যাকোয় ডাকাতির মাস্টারমাইন্ড করিম অস্ত্র সহ গ্রেফতার

৬২

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥
বান্দরবানের লামায় ‘আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেড’ এর টাকা লুটের ঘটনায় পুলিশের আরেক অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, তাজা বুলেট, ধারালো ছুরি ও নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিকেল ৫টায় লামা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড সিলেটি পাড়া আব্দুল করিমের বাবা ওয়াসের আলাীর বাড়ির পাশ থেকে এইসব উদ্ধার হয়।

উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন, বান্দরবান জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন শাখা) আব্দুল করিম। আরো উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা গোয়েন্দা শাখার প্রধান কামরুল আজম, লামা থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এনামুল হক, উপ-পরিদর্শক নুরুজ্জামান, সাংবাদিক, আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির প্রতিনিধি ও স্থানীয় লোকজন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল করিম উদ্ধার অভিযান শেষে সাংবাদিকদের জানান, লামা আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেডের টাকা ডাকাতির ঘটনায় বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী লামা পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। বিকেল ৫টায় ডাকাতির ঘটনার মাস্টারমাইন্ড আব্দুল করিমের বাবার বাড়ির পাশ থেকে তার দেখানো তথ্য মতে মাটি খুঁড়ে ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাজা বুলেট, ধারালো ছুরি, লোহা কাটা কাটার ও নগদ ৭০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এনামুল হক বলেন, আজ বৃহস্পতিবার এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড আব্দুল করিম কে গ্রেফতার করা হয়। এই পর্যন্ত মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৬টি পৃথক অভিযানে মোট ৫১ লাখ ৮৭ হাজার ২০০ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এখনো আরো ১ কোটি ২০ লাখ ৮৮ হাজার ৪৩৮ টাকা বাহিরে রয়েছে। বান্দরবান জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি পরিচালনা করছে।