শিরোনাম
যানবাহন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা গুরুতর অপরাধ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালদক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি করছেন রামগড়ের সন্তান মংসাথোয়াইসুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

অবশেষে লামায় টোব্যাকোয় ডাকাতির মাস্টারমাইন্ড করিম অস্ত্র সহ গ্রেফতার

৬২

॥ মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম, লামা ॥
বান্দরবানের লামায় ‘আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেড’ এর টাকা লুটের ঘটনায় পুলিশের আরেক অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র, তাজা বুলেট, ধারালো ছুরি ও নগদ টাকা উদ্ধার হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২২ মে) বিকেল ৫টায় লামা পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড সিলেটি পাড়া আব্দুল করিমের বাবা ওয়াসের আলাীর বাড়ির পাশ থেকে এইসব উদ্ধার হয়।

উদ্ধার অভিযানে নেতৃত্ব দেন, বান্দরবান জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অর্থ ও প্রশাসন শাখা) আব্দুল করিম। আরো উপস্থিত ছিলেন, বান্দরবান জেলা গোয়েন্দা শাখার প্রধান কামরুল আজম, লামা থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এনামুল হক, উপ-পরিদর্শক নুরুজ্জামান, সাংবাদিক, আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানির প্রতিনিধি ও স্থানীয় লোকজন।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল করিম উদ্ধার অভিযান শেষে সাংবাদিকদের জানান, লামা আবুল খায়ের টোব্যাকো কোম্পানি লিমিটেডের টাকা ডাকাতির ঘটনায় বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী লামা পৌরসভার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হয়। বিকেল ৫টায় ডাকাতির ঘটনার মাস্টারমাইন্ড আব্দুল করিমের বাবার বাড়ির পাশ থেকে তার দেখানো তথ্য মতে মাটি খুঁড়ে ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র, ১০ রাউন্ড তাজা বুলেট, ধারালো ছুরি, লোহা কাটা কাটার ও নগদ ৭০ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও থানা পুলিশের পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) এনামুল হক বলেন, আজ বৃহস্পতিবার এই ঘটনার মাস্টারমাইন্ড আব্দুল করিম কে গ্রেফতার করা হয়। এই পর্যন্ত মোট ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ৬টি পৃথক অভিযানে মোট ৫১ লাখ ৮৭ হাজার ২০০ টাকা উদ্ধার হয়েছে। এখনো আরো ১ কোটি ২০ লাখ ৮৮ হাজার ৪৩৮ টাকা বাহিরে রয়েছে। বান্দরবান জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে মামলাটি পরিচালনা করছে।