শিরোনাম
কাপ্তাইয়ে দুই শিশু আহত, নিরাপদে সরানো হলো ৮০ জনকেটানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও সচেতনতায় প্রশাসনের মাইকিংরাঙ্গামটির কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ১৮আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে: ইউএনওবান্দরবনের রায়াংছড়িতে ড্রাম ট্রাকের চাপায় শিশু নিহতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সাড়ে তিনশ কৃষকদের মাঝে ফলজ চারা বিতরণরাঙ্গামাটির লংগদুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যুপাহাড় ধসে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বৃদ্ধার মৃত্যু, সতর্কতার জন্য মাইকিংশুধু পুলিশের একক প্রচেষ্টায় সহিংসতামুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব নয়কাপ্তাই হ্রদে অভিযান চালিয়ে জব্ধ করা জাল ও নৌকা ৮ জুলাই নিলামে উঠছেখাগড়াছড়িতে সাড়ে ১১ মাসের মাথায় শিশু ধর্ষণ ঘটনায় আসামীর মৃত্যুদন্ড

রুমায় ট্যুরিস্ট গাইড পেশায় ক্যারিয়ার নিয়ে প্রশিক্ষণ

৫৮

॥ রুমা উপজেলা প্রতিনিধি ॥

বর্তমান বান্দরবানে রুমা উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হওয়ার কারণে ট্যুরিস্টদের সংখ্যা দিন দিন ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। বিশেষ করে বান্দরবানে অবস্থিত রুমা উপজেলার প্রাকৃতির সৌন্দর্য ট্যুরিস্টদের মনোযোগ আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছে। তাই এ উপজেলায় প্রতিনিয়ত আসছে অসংখ্য ট্যুরিস্ট। এসব ট্যুরিস্টকে ঘুরে বেড়ানোর জন্য প্রয়োজন হয় একজন গাইডের। যিনি ট্যুরিস্টদের ভ্রমণ সম্পর্কে বিভিন্ন বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেন। যারা ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করেন, তারা এই পেশায় আসতে পারেন।

তারই ধারাবাহিকতায় বুধবার (২রা ডিসেম্বর) সকালে রুমা সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় হল রুমে ইকো-ট্যুরিজম এওয়ারনেস ২০২০ একদিন ব্যাপী গাইড প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ এ্যাডভেঞ্চার ও ট্যুরিস্ট সোসাইটি লিমিটেড এর আয়োজনে এ প্রশিক্ষকের সফলতায় সার্বিক সহযোগীতা দিয়েছে রুমা উপজেলা প্রশাসন।

এ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান উহ্লাচিং মারমা, মাধ্যমিক শিক্ষা বিভাগের কর্মকর্তা মোঃ হাবিবুল্লাহ ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এ প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ এ্যাডভেঞ্চার ও ট্যুরিস্ট সোসাইটি লিমিটেড এর প্রতিনিধি মামুনুর রশিদ, সালমান হোসেন, শেখ মোঃ কামালসহ তাদের সদস্যবৃন্দ।

এ সময় বাংলাদেশ এ্যাডভেঞ্চার ও ট্যুরিস্ট সোসাইটি লিমিটেড এর পরিচালক বলেন, আগামী ৭রা ডিসেম্বর রোজ সোমবার বান্দরবানে দুর্গম উপজেলার যাহা থানচি উপজেলার অবস্থান করে সে উপজেলায় একদিন ব্যাপী প্রশিক্ষণ নেয়া হবে।

উপজেলা চেয়ারম্যান উহ্লাচিং মারমা বক্তব্য জানান, শিক্ষিত যুবক যুবতিরা প্রশিক্ষণ নিয়ে ট্যুরিস্ট গাইড পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে পারেন এবং ঘুরে বেড়ানোর পাশাপাশি ভালো আয় করতে পারেন। এই পেশায় আপনাকে সাহসী হতে হবে। কারণ, আপনি যদি পর্যটন কেন্দ্রে গিয়ে আকস্মিক কোনো কিছু দেখে দুর্বল হয়ে পড়েন তাহলে পর্যটকরা আস্থা হারিয়ে ফেলবে। সেক্ষেত্রে আপনাকে যথেষ্ট পরিমাণ সাহসী ও ধৈর্যশীল হতে হবে। ট্যুরিস্ট গাইডদের অবশ্যই বিনয়ী এবং স্মার্ট হওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ, বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা সংস্কৃতি, ধর্ম, বর্ণ, ভাষার ভিন্ন লোক বা পর্যটকরা দেশে আসেন। তাদের পছন্দ ও চাহিদা অনুযায়ী কাজ করতে হবে। তাদের সাথে হাসিমুখে ও আন্তরিকতার সাথে এবং উপস্থিত জ্ঞানের ভিত্তিতে কাজ করতে হবে।

তিনি আরো জানান, ট্যুরিস্ট গাইডদের পার্টটাইম কাজের সুযোগ রয়েছে। বিভিন্ন ভাষাভাষী পর্যটকদের জন্য অনেক প্রতিষ্ঠান পার্টটাইম বা চুক্তিভিত্তিক গাইড নিয়োগ দেয়। আবার ফুলটাইমও নিয়োগ দেয়া হয়। তবে এই পেশায় মেয়েরা কম আসে। মেয়েদের নিরাপত্তার বিষয় নিশ্চিত না হওয়ায় দেশে মেয়েরা এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সাথে সাথে এই পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে সর্বনিম্ন এইচএসসি পাস হতে হবে। ভিনদেশীদের ভাষা বোঝার মতো ক্ষমতা থাকতে হবে। আর যারা নতুন তাদের ক্ষেত্রে অন্য রকম একটি অভিজ্ঞতাও হয়ে থাকে। তবে এই পেশায় ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে গাইডকে বান্দরবানের ঐতিহাসিক স্থান এবং পর্যটন কেন্দ্র সম্পর্কে এবং কোথায়, কিভাবে যাতায়াত করবে, নানা বিষয়ে জ্ঞান থাকতে হবে।