শিরোনাম
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পানির ঢলে যৌথ এক পরিবারের ২টি ঘর নদীগর্ভেইউএনও’র পরিদর্শন কাপ্তাইয়ে কয়েকটি আশ্রয় কেন্দ্রে ১০৫জন আশ্রয় নিয়েছেপ্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় পূর্বপ্রস্তুতির কোনো বিকল্প নেই: মাটিরাঙ্গা ইউএনও মিতুরাঙ্গামাটিতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক নাজমা, বুধবারের পরীক্ষা স্থগিত, নিহত ১কাপ্তাইয়ে দুই শিশু আহত, নিরাপদে সরানো হলো ৮০ জনকেটানা বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির নিম্নাঞ্চল প্লাবিত ও সচেতনতায় প্রশাসনের মাইকিংরাঙ্গামটির কাপ্তাই উপজেলার পাঁচ ইউনিয়নে ১৮আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে: ইউএনওবান্দরবনের রায়াংছড়িতে ড্রাম ট্রাকের চাপায় শিশু নিহতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সাড়ে তিনশ কৃষকদের মাঝে ফলজ চারা বিতরণরাঙ্গামাটির লংগদুতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে যুবকের মৃত্যু

মাটিরাঙ্গায় ১০ লক্ষ টাকার ভারতীয় মোবাইল সহ আটক ৩

১৮৪

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ১০ লক্ষ টাকার বিভিন্ন মডেলের ভারতীয় এন্ড্রয়েট মোবাইল ফোন জব্দ করেছে মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশ। সোমবার রাতে মাটিরাঙ্গার শান্তি কাউন্টারের সামনে থেকে এসব মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। এসময় ৩ চোরাকারবারিকে আটক করা হয়।

আটককৃতরা হলো, চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার পশ্চিম সাম্বল এলাকার বাসিন্দা কবির আহাম্মদেরর ছেলে মোঃ আব্দুর রহিম খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা উপজেলার দক্ষিণ শান্তিপুর এলাকার বাসিন্দা আব্দুর রশীদের ছেলে মোঃ ইমাম হোসেন ও মোঃ বেলাল হোসেন।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, একদল চোরাকারবারী ভারতে ব্যবহৃত পুরাতন মোবাইল ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে সুকৌশলে চোরাইপথে নিয়ে এসে চট্টগ্রামে নিয়ে যাওয়ার জন্য শান্তি কাউন্টারের সামনে অবস্থান করছে এমন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাটিরাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জাকারিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি টীম অভিযান পরিচালনা করে।

এসময়, পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবীরা পালানোর চেষ্টা করলে তাদেরকে আটক করা হয়। এসময় তাদের সাথে থাকা ব্যাগে তল্লাশী চালিয়ে বিভো, রেডমি, অপ্পো ও রিয়েলমীসহ বিভিন্ন ব্রান্ডের ৬০টি ভারতীয় এন্ড্রয়েট মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।

মাটিরাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ জাকারিয়া ফোন জব্দ করার বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ব্যাপারে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। জব্দকৃত ভারতীয় এন্ড্রয়েট মোবাইল ফোনের আনুমানিক বাজার মূল্য ১০ লাখ ৪৮ হাজার টাকা বলেও জানান তিনি।

শুল্ক ফাঁকি দিয়ে চোরাই পথে কোন পন্য প্রবেশ করতে দেয়া হবেনা জানিয়ে খাগড়াছড়ি পুলিশ সুপার মুক্তা ধর বলেন, যেকোন মূল্যে চোরাকারবারীদের লাগাম টেনে ধরা হবে। চোরাচালান রোধে খাগড়াছড়ি জেলা পুলিশের চলমান কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।