শিরোনাম
সরকারি মাতামুহুরী কলেজের শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবিতে ৭২ ঘন্টার আলটিমেটামখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ওএমএসের পন্য বিক্রি শুরুখাগড়াছড়ির রামগড়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিজিবির মানবিক সহায়তারাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে সরকারী নির্দেশ অমান্য করে ঋণের কিস্তি আদায়রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে ৩৮ বোতল দেশীয় কেয়ারু মদ জব্দলামায় জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিতসরকারের প্রধান লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা: দীপেন দেওয়ানকফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ জরুরিপার্বত্য এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিশেষ মনোযোগ রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালঅবশেষে দুই দিন পর কাপ্তাই হ্রদেই মিলল ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতির মরদেহ

মাটিরাঙ্গায় ২৫ হাজার শিশুকে ভিটামিন এ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে

৪১

॥ আবুল হাসেম,মাটিরাঙ্গা ॥

মাটিরাঙ্গায় জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন (১১-১৪ ডিসেম্বর) -২০২১ উদযাপন উপলক্ষ্যে উপজেলা এ্যাডভোকেসী ও কর্মপরিকল্পনা সভায় অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার (৮ ডিসেম্বর) দুপুরে মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সম্মেলন কক্ষে এনএসএস,মহাখালী,ঢাকা ও উপজেলা স্বাস্থ্য ও প: প: কর্মকর্তার আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ খায়রুল আলম।

এ্যাডভোকেসী ও কর্মপরিকল্পনা সভায় বক্তব্য রাখেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নিটোল মনি চাকমা, উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান, ডাঃ নাসরিন আক্তার, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের সামাজিক টেকসই সেবা প্রকল্পের ব্যবস্থাপাক মোঃ মামুনুর রশীদ ও ব্রাকের স্বাস্থ্য বিভাগের ম্যানেজার মোঃ সাঈদ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

শিশুদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ভিটামিন ক্যাপসুল অতীব গুরুত্বপুর্ন মন্তব্য করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মো.খায়রুল আলম বলেন,ভিটামিন ‘এ’ শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি অপুষ্টিজনিত মৃত্যু প্রতিরোধ করা এবং রাতকানা রোগের প্রাদূর্ভাব এক শতাংশের নিচে কমিয়ে আনতে সাহায্য করে। সভায় আগামী প্রজন্মকে সুস্থ্য ও সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে সকলকে দায়িত্ববোধ নিয়ে কাজ করারও আহবান জানান বক্তারা। সভায় জানানো হয়, মাটিরাঙ্গা উপজেলার ১৯৩টি কেন্দ্রে ৬-১১ মাস বয়সী ৩ হাজার ৫০জন শিশুকে নীল ক্যাপসুল ও এক থেকে পাঁচ বছর বয়সী ২২হাজার ২শ শিশুকে লাল ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।