শিরোনাম
দুইটিলা আর্মি ক্যাম্পে কারবারি সম্মেলন ও বিদ্যালয়ে চেয়ার-টেবিল-বেঞ্চ বিতরণদীঘিনালায় দূর্গম মধ্য বানছড়া এলাকায় সেনবাহিনীর চিকিৎসা সেবাদীঘিনালায় বৌদ্ধ বিহারে সেনাবাহিনীর পাওয়ার টিলার প্রদানবান্দরবানের থানচিতে মিষ্টি কুমড়া চাষে ঝুঁকছে চাষিরা, ফলন ও আয় ভালপার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তি লঙ্ঘন, সরকারের যেন উল্টো যাত্রা: দাবি নাগরিক সমাজেরচাঁদাবাজরা থার্ট পার্টি হলে দ্রব্যমূল্যের দামতো বাড়বে: উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যানকাপ্তাইয়ে বিজিবির হেফাজত থেকে চোরাকারবারীকে ছিনিয়ে নিলতথ্য পেতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে যাতে হয়রানির শিকার হতে না হয়খাগড়াছড়ির পানছড়িতে বিজিবি’র অভিযানে ভারতীয় পণ্য জব্দবাঘাইছড়িতে বিজিবির অভিযানে অস্ত্র-গুলি সহ বিদেশি সিগারেট উদ্ধার

দুইটিলা আর্মি ক্যাম্পে কারবারি সম্মেলন ও বিদ্যালয়ে চেয়ার-টেবিল-বেঞ্চ বিতরণ

৩

॥ ইব্রাহীম, বাঘাইছড়ি ॥
বাঘাইহাট সেনা জোনের উদ্যোগে দুইটিলা আর্মি ক্যাম্পে কারবারি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এলাকার সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, জনসাধারণের বিভিন্ন সমস্যা এবং জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম নিয়ে মতবিনিময় করা হয়। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯.৩০ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে সম্মেলনে ক্যাম্প কমান্ডার, ক্যাম্পের অন্যান্য সেনাসদস্য, কারবারী ও স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীসহ মোট ৪০ জন অংশগ্রহণ করেন।
সম্মেলনের শুরুতে ক্যাম্প কমান্ডার ক্যাপ্টেন খন্দকার মেহেদী হাসান উপস্থিত কারবারীদের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন এবং এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে তাদের মতামত ও পরামর্শ জানতে চান। এ সময় কারবারীরা এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সেনাবাহিনীর ভূমিকার প্রশংসা করেন। সেনাবাহিনীর নিয়মিত টহলের কারণে এলাকায় নিরাপত্তাবোধ বৃদ্ধি পেয়েছে। এলাকায় চাঁদা আদায়ের প্রবণতা অনেকাংশে কমেছে। ফলে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তারা তুলনামূলক স্বস্তির সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালনা করতে পারছেন।

রাইন্যাবনছড়া বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রয়োজনীয় শিক্ষা সহায়ক সামগ্রী (বেঞ্চ, চেয়ার, টেবিল) না থাকায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা দুরূহ হয়ে পরছিল। শিক্ষার মান ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন এর লক্ষ্যে সম্মেলন শেষে রাইন্যাবনছড়া বেসরকারি স্কুলের সহকারী শিক্ষক জয়েন চাকমা, কারবারি ও ছাত্র-ছাত্রীদের উপস্থিতিতে চেয়ার, টেবিল ও বেঞ্চ বিতরণ করা হয়। সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শিক্ষা ও জনকল্যাণমূলক এ ধরনের কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, হেডম্যান-কারবারী ও সাধারণ জনগণের সঙ্গে নিয়মিত মতবিনিময়ের মাধ্যমে পার্বত্য এলাকার শান্তি, সম্প্রীতি, নিরাপত্তা ও জনকল্যাণে সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকবে বলে আশা ব্যক্ত করেন।