শিরোনাম
যানবাহন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা গুরুতর অপরাধ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালদক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি করছেন রামগড়ের সন্তান মংসাথোয়াইসুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীরামগড় স্থানীয়দের মাঝে বিজিবি’র বিভিন্ন সহায়তা প্রদাননজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণ

খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ওএমএস’র চাল বিক্রয় শুরু, শুক্র ও শনিবার বন্ধ

৭

॥ দীঘিনালা উপজেলা প্রতিনিধি ॥
সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের খাদ্যসংকট সহ তাদের দুর্ভোগ লাঘবে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার কবাখালী বাজারে সরকারের স্বল্পমূল্যের খাদ্যশস্য বিক্রয় কর্মসূচি ‘খোলা বাজারে বিক্রয় (ওএমএস)’ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। রবিবার (১৯ জুলাই) থেকে শুরু হওয়া এ কর্মসূচির জন্য কবাখালী বাজারে ওএমএস কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। কেন্দ্রটির দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিলার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন নিপুণ চাকমা।

খাদ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ওএমএসের আওতায় প্রতি কেজি চাল ৩০ টাকা এবং প্রতি কেজি আটা ২৪ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। একজন ক্রেতা সর্বোচ্চ ৫ কেজি চাল ও ৫ কেজি আটা কিনতে পারবেন। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। তবে সাপ্তাহিক সরকারি ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবার বিক্রয় কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।

দায়িত্বপ্রাপ্ত ওএমএস ডিলার নিপুণ চাকমা বলেন, সরকারি ছুটি ছাড়া প্রতিদিন ওএমএস কার্যক্রম চলবে। এছাড়া একেক দিন একেক এলাকায় ঘুরে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে, যাতে দুর্গম এলাকার মানুষও স্বল্পমূল্যে খাদ্যশস্য কিনতে পারেন।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সাম্প্রতিক বন্যায় অনেক পরিবার ফসল, ঘরবাড়ি সহ আয়ের উৎস হারিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে স্বল্পমূল্যে চাল ও আটা বিক্রির এ উদ্যোগ তাদের জন্য স্বস্তিদায়ক হয়েছে। বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়তে থাকায় ওএমএসের মাধ্যমে কম দামে খাদ্যপণ্য সংগ্রহ করতে পেরে তারা সরকারের এ উদ্যোগকে সময়োপযোগী বলে মনে করছেন।

খাদ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ওএমএস কার্যক্রমের মাধ্যমে স্বল্প আয়ের ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের কাছে সাশ্রয়ী মূল্যে খাদ্যশস্য পৌঁছে দেওয়া এবং বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি পর্যায়ক্রমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে, যাতে অধিক সংখ্যক মানুষ এর সুবিধা নিতে পারেন।