শিরোনাম
খাগড়াছড়িতে জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের ৪৮’তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনবান্দরবানের লামায় ৩ দিনের মধ্যে পাহাড় কাটা বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশঅনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের বিএনপিতে কোন স্থান নাইমানিকছড়িতে বাজার শেড দখলমুক্ত সহ পুনঃস্থাপনের দাবী‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কাপ্তাইয়ে স্কুল পর্যায়ে ছাত্রদলের প্রচারণাকাপ্তাই নতুন বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানরোয়াংছড়িতে অভিভাবকদের নিয়ে শিশু সুরক্ষা বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিতকাপ্তাইয়ে ট্রাকের বাঁশের সাথে বৈদ্যুতিক তার আটকে ট্রন্সফরমার ক্ষতিগ্রস্তমাটিরাঙ্গায় গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় পুরস্কৃত হলো বিজয়ীরালংগদুতে ইউএনও এর জনকল্যাণমুখী পদক্ষেপে সুফল পাচ্ছেন মানুষ

রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতেও বন্যা ত্রাণ বরাদ্দে বৈষম্য এলাকাবাসীর ক্ষোভ

২২

॥ রাজস্থলী উপজেলা প্রতিনিধি ॥
রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলী উপজেলার তিনটি ইউনিয়নে বর্তমানে ভয়াবহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিস্থিতি বিরাজ করছে। উপজেলায় পাহাড়ি ঢলে অধিকাংশ ঘর-বাড়ি ও ফসলি জমি এখন পানির নিচে। তারমধ্যে পাহাড় ধসের ঘটনায় যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অবকাঠামোরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেছেন, এমন চরম বিপর্যয়ের মুখে থাকা সত্ত্বেও রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের বিশেষ প্রকল্প কর্মসূচি থেকে অন্যান্য উপজেলার তুলনায় রাজস্থলীতে মাত্র ২০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে তীব্র ক্ষোভ ও প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির তীব্রতাকে উপেক্ষা করে জনসংখ্যার সাধারণ হিসাব বা অস্পষ্ট মানদন্ডে এই বৈষম্যমূলক বরাদ্ধ কেন দেওয়া হলো তা নিয়ে ভুক্তভোগী এলাকাবাসী এখন কর্তৃপক্ষের কাছে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা ও মানবিক কারণে বরাদ্দের পুনঃমূল্যায়ন দাবি করেছেন।

অপর দিকে প্রবলবর্ষণে রাজস্থলী উপজেলার মহাজন পাড়া, বাজার পাড়ার কয়েক জনের গরু মহিষ ছাগল ভেসে গেছে। প্রচুর ক্ষতি হয়ছে শাক সবজি। হাজি পাড়ার কৃষক বলেন, কামাল উদ্দিন বলেন, আমার প্রায় ৫ গন্ডা জমির ফসলাদী এখন পানির নিচে। আমি এখন কি করে সংসার চালাবো জানিনা।

এদিকে শনিবার সকাল ৫ টার দিকে রাজস্থলী ফায়ার সার্ভিসের সহকারি ষ্টেশন অফিসার মোঃ আজম আমছড়া পাড়া হতে স্রোতে ভেসে যাওয়া কয়েকজন এইচএসসি পরীক্ষার্থীকে উদ্ধার করে নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে আসে।

উল্লেখ্য, টানা বৃষ্টিপাতের কারণে রাজস্থলীর বিভিন্ন এলাকায় পাহাড় ধসের ঝুঁকিবৃদ্ধি পাওয়ায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে এলাকা থেকে নিরাপদ আশ্রয়ে সড়ে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে। বন্যা কবলিত এলাকার মানুষ আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে অনীহা প্রকাশ করছে।