শিরোনাম
রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতেও বন্যা ত্রাণ বরাদ্দে বৈষম্য এলাকাবাসীর ক্ষোভরাঙ্গামাটির বিলাইছড়িতে ১৪ গ্রাম প্লাবিত দিশেহারা মানুষ ত্রাণ পায়নিপ্রধানমন্ত্রী দুঃখী মানুষের পাশে সবসময় আছেন: ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর উদ্যোগে জলাবদ্ধতা নিরসনবিলাইছড়িতে দুর্যোগ কবলিতদের পাশে ইউএনও এবং সেনাবাহিনীব্যাটারি চালিত গাড়ির চার্জ দিতে গিয়ে মাটিরাঙ্গায় বৃদ্ধের মৃত্যু আহত ২প্রকৃতি সংরক্ষণে জাতীয় স্বীকৃতি পেলেন মাটিরাঙ্গার মাহফুজরাজস্থলীতে ছাত্রদলের সদস্যরা দুর্গত মানুষের জন্য খাবার বিতরণ করলোবান্দরবনের থানচিতে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত খোলা হয়েছে ১৫ আশ্রয় কেন্দ্রবান্দরবনের লামায় পাহাড়ধসে শিশু সহ ৫ জনের মৃত্যু

রাঙ্গামাটির বিলাইছড়িতে ১৪ গ্রাম প্লাবিত দিশেহারা মানুষ ত্রাণ পায়নি

॥ বিলাইছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি ॥
টানা বৃষ্টির রাঙ্গামটি জেলার অন্যান্য উপজেলার মতো বিলাইছড়ি উপজেলার পরিস্থিতি ভয়াবহ। এ উপজেলার বেশ কিছু ইউনিয়নের গ্রামের মধ্যে ফারুয়ার ইউনিয়নের ১৪টি গ্রাম এখন পানির নিচে। ফলে এসব গ্রামের হাজারো মানুষ এখন দিশেহারা অবস্থায় দিন কাটাচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, চলমান কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে পানির ঢলে উপজেলার ৩নং ফারুয়া ইউনিয়নের ১৪টি গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। কোন কোন বাড়িতে পানি ছুঁই ছুঁই অবস্থা। কোথাও কোথাও এমনও পরিস্থিতি যে ঘুমানোর মতো জায়গা নাই। এ ইউনিয়নের হাজারো মানুষ এখন উভয় সংকটে পড়ে দিশেহারা।

আবার কোথাও কোথাও বন্যার পানির স্রোতে ঘর থেকে বের হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেনা বিশেষ করে বয়োবৃদ্ধরা। তার মধ্যে মোবাইল নেটওয়ার্ক না থাকায় সকল গ্রামের অবস্থা জানা সম্ভব হয় নি গ্রামগুলোর ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

ইউনিয়নের যমুনাছড়ি বম পাড়ার হেডম্যান পালম বম জানান, যমুনাছড়িতে কমপক্ষে ২০ পরিবার এবং ২টি গির্জা পানিতে তলিয়ে গেছে। বন্যার পানির কারণে তারা পরস্পরের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছেন এবং পানি কমে না যাওয়া পর্যন্ত তাদের ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ ও বিবরণ জানা সম্ভব নয়। এসব পাড়াসমূহ এখনও পানিতে ডুবে আছে। বিপদগ্রস্ত মানুষ এখনো ত্রাণ পায়নি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান বিদ্যালাল তঞ্চঙ্গ্যা জানান, অবস্থা ভয়াবহ। ভোর রাত হতে প্রবল বর্ষণে ফারুয়ার নিম্নাঞ্চলের সকল গ্রাম এখন পানিতে তলিয়ে আছে। তিনি জানান তাঁর ইউনিনের চাইন্দা পাড়া, আলিখিং পাড়া, উলুছড়ি, তক্তানালা উত্তর, তক্তানালা দক্ষিন, ওরাছড়ি পুর্ব, ওরাছড়ি পশ্চিম, লত্যাছড়ি, এগুজ্যাছড়ি, এগুজ্যাছড়ি বাঙ্গালাী পাড়া, গোয়াইনছড়ি, ফারুয়া বাজার, তারাছড়ি, যমুনাছড়ি।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ জাকির হোসেন বলেন, জেনেছি ভোরের প্রবল বৃষ্টিতে ফারুয়ার অনেক মানুষ পানিবন্দী হয়ে আছেন। আমরা পরিদর্শন ও ত্রাণ ব্যবস্থার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছি। কিন্তু আমরাও পানিবন্দী হয়ে আছি। স্রোতের জন্য আমরাও সেখানে যেতে পারছিনা। এ বিষয়ে চেয়াম্যান এর সাথে যোগাযোগ হয়েছে। সেখানে স্থানীয়ভাবে ব্যবস্থা করে ত্রাণ বিতরণের জন্য বলা হয়েছে। তবে যারা আশ্রয়কেন্দ্রে আছেন তাদের ত্রাণ সামগ্রী দেয়া হচ্ছে।