শিরোনাম
দীর্ঘ গবেষণা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় আলুবোখারা চাষে আমরা সফলতা পেয়েছিআওয়ামীলীগ গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতাকে হরণ করেছিল: মাটিরাঙ্গায় বিক্ষোভখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শত পরিবারের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করলো সেনা বাহিনীআসামি জামিনে এসে অবারো হুমকি নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলনরামগড়ে কম্পিউটার ও সেলাই প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণসেনাবাহিনীর সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের পাঠদানে যেন প্রাণ ফিরে পেয়েছেখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সেনা জোনের উদ্যোগে বৃক্ষ রোপন অভিযানপ্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলের সহায়তা পেল খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গার ১০৪ পরিবারমাটিরাঙ্গায় শ্রমিককে গুলির ঘটনায় জড়িতদের ধরতে ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটামবান্দরবনের লামায় বৃদ্ধাশ্রমের জায়গা নিয়ে সংঘর্ষ পরে সেনা-পুলিশ মোতায়েন

দীর্ঘ গবেষণা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টায় আলুবোখারা চাষে আমরা সফলতা পেয়েছি

॥ মোঃ মাসুদ রানা, রামগড় ॥
খাগড়াছড়ির রামগড় উপজেলায় পাহাড়ী মাটিতে আলুবোখারা চাষে সফলতা অর্জন করেছে পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। দীর্ঘ গবেষণা, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ধারা বাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ সাফল্য অর্জিত হওয়ায় পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষিতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হয়েছে।

জানা গেছে, রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হকের নেতৃত্বে কয়েক বছর ধরে পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা চাষ নিয়ে গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। শুরুতে বিষয়টি গবেষকদের জন্য বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। কারণ পাহাড়ি অঞ্চলের মাটি, আবহাওয়া ও পরিবেশ সমতল এলাকার তুলনায় ভিন্ন হওয়ায় এ ফলের চাষ উপযোগী করা সহজ ছিল না।

তবে নিরলস গবেষণা, উন্নত পরিচর্যা পদ্ধতি ও উপযোগী জাত নির্বাচন করে গবেষকরা ধীরে ধীরে সফলতা অর্জন করেন। বর্তমানে গবেষণা কেন্দ্রের পরীক্ষামূলক বাগানে উৎপাদিত আলুবোখারা গাছে ভালো ফলন দেখা যাচ্ছে, যা স্থানীয় কৃষকদের মাঝেও ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে।

কৃষি গবেষণা কেন্দ্র সূত্রে জানা যায়, পাহাড়ি এলাকায় প্রচলিত ফসলের পাশাপাশি নতুন ও লাভজনক ফল চাষ সম্প্রসারণে কাজ করছে গবেষণা কেন্দ্র। আলুবোখারা চাষ সফল হওয়ায় পাহাড়ি কৃষকদের জন্য এটি একটি সম্ভাবনাময় অর্থকরী ফল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রামগড় পাহাড়াঞ্চল কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হক বলেন, পাহাড়ি মাটিতে আলুবোখারা (বারি ১) চাষ এক সময় বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। দীর্ঘ গবেষণা ও ধারাবাহিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে আমরা সফলতা পেয়েছি। এখন পাহাড়ি এলাকার কৃষকরাও এ ফল চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

”তিনি আরও বলেন, বাণিজ্যিকভাবে আলুবোখারা চাষ সম্প্রসারণ করা গেলে পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষকদের আয় বৃদ্ধি পাবে এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। পাশাপাশি পাহাড়ি এলাকায় বহুমুখী ফল চাষের সম্ভাবনা আরও বিস্তৃত হবে।