শিরোনাম
প্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালবান্দরবনের লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের ভূমি জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ !খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনজুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বানজাতীয়তাবাদী দল জনগণের লক্ষ্য বাস্তবায়নেই কাজ করে যাচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালপাহাড়িদের জীবনমান উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে বিজিবি’র অভিযানে ইয়াবা সহ আটক-১খাগড়াছড়ির রামগড়ে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে শ্বশুর আটকখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর চিকিৎসাসেবা ও ঔষুধ বিতরণতৃণমূল ঐক্যের আহ্বানে পানছড়িতে ওয়ার্ড বিএনপি’র নতুন কার্যালয়

প্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, এমপি বলেছেন, ইনশাআল্লাহ সে যেই হোক না কেন “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত অপরাধের সাথে জড়িত প্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের স্পষ্ট নির্দেশনা এবং এটাই আমাদের সুদঢ় প্রতিজ্ঞা। দেশবিরোধী যেকোনো ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা সময়ের দাবি।

বুধবার (৫আগষ্ট) চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা মিলনায়তনে জেলা প্রশাসন আয়োজিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ এর আলোচনা সভা এবং জুলাই শহীদ পরিবার ও বীর জুলাই যোদ্ধাদের সম্মাননা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ইসরাফিল খসরু, চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার ড. মোঃ জিয়াউদ্দীন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী, পিপিএম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মোঃ শওকত আলী এবং চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলমসহ বিভিন্ন স্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের সূচনায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে বলেন, শহীদদের মহান আত্মত্যাগ কোনো অর্থ বা বস্তুতাত্ত্বিক প্রাপ্তি দিয়ে শোধ করা সম্ভব নয়। তাদের রক্তের প্রকৃত মূল্যায়ন তখনই সম্ভব হবে, যখন আমরা জনগণের সেবায় আত্মনিয়োগ করে একটি স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক, গণতান্ত্রিক ও বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারব।

গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে তিনি বলেন, এই ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান কোনো নির্দিষ্ট দল বা একক গোষ্ঠীর অর্জন নয়; বরং এটি দীর্ঘ বছরের জুলুম, নির্যাতন, গুম, খুন ও অর্থনৈতিক শোষণের বিরুদ্ধে ছাত্র, শিক্ষক, শ্রমিক, পেশাজীবীসহ দেশের আবালবৃদ্ধবনিতার এক অভূতপূর্ব ঐক্যবদ্ধ ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ। জনগণের জন্য উৎসর্গীকৃত রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠাই হবে এই আন্দোলনের মূল সার্থকতা। গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান সহ রাজনৈতিক বা আদর্শিক ভিন্নতা থাকলেও দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে আমাদের সবাইকে একসূত্রে গাঁথা থাকতে হবে। যেকোনো দেশবিরোধী ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় জাতীয় ঐক্য বজায় রাখা সময়ের দাবি।

পরে জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, আহত ও বীর জুলাই যোদ্ধাগণ, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা পর্ব শেষে প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল জুলাই শহীদ ও আহত পরিবারের সদস্যদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন এবং দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।