শিরোনাম
সরকারি মাতামুহুরী কলেজের শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবিতে ৭২ ঘন্টার আলটিমেটামখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ওএমএসের পন্য বিক্রি শুরুখাগড়াছড়ির রামগড়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিজিবির মানবিক সহায়তারাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে সরকারী নির্দেশ অমান্য করে ঋণের কিস্তি আদায়রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে ৩৮ বোতল দেশীয় কেয়ারু মদ জব্দলামায় জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিতসরকারের প্রধান লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা: দীপেন দেওয়ানকফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ জরুরিপার্বত্য এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিশেষ মনোযোগ রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালঅবশেষে দুই দিন পর কাপ্তাই হ্রদেই মিলল ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতির মরদেহ

খাগড়াছড়ির পানছড়িতে সোয়া ৯ লাখ টাকার সেগুন কাঠ জব্দ করলো বিজিবি

॥ মোঃ ইসমাইল, পানছড়ি ॥
‎খাগড়াছড়ির পানছড়িতে বনজ সম্পদ রক্ষা এবং অবৈধভাবে কাঠ পাচার প্রতিরোধে পরিচালিত এক বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ উদ্ধার করেছে পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)। উদ্ধারকৃত কাঠের আনুমানিক বাজারমূল্য সোয়া ৯ লাখ টাকা। অবৈধভাবে পাচারের উদ্দেশ্যে এসব কাঠ মজুদ করা হয় বলে জানিয়েছে বিজিবি।

‎বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত সুরক্ষার পাশাপাশি পার্বত্য চট্টগ্রামের পরিবেশ ও বনজ সম্পদ সংরক্ষণে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে যাচ্ছে পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)। এরই অংশ হিসেবে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (৩১ মে) উপজেলার উল্টাছড়ি ইউনিয়নের মরাটিলা এলাকায় একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

অভিযান চলাকালে বিজিবি’র টহলদল পরিত্যক্ত অবস্থায় রাখা বিপুল পরিমাণ সেগুন কাঠ জব্দ করতে সক্ষম হয়। উদ্ধারকৃত কাঠের পরিমাণ ৭৩২ দশমিক ৮১ ঘনফুট, যা মোট ৭৯৪ পিস। বন বিভাগের নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী এসব কাঠের বাজারমূল্য প্রায় ৯ লাখ ১৬ হাজার ১২ টাকা। বিজিবি জানায়, উদ্ধারকৃত কাঠের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে খাগড়াছড়ি জেলার পানছড়ি বন বিভাগের কার্যালয়ে হস্তান্তর করা হয়েছে।

‎স্থানীয়দের মতে, পাহাড়ি এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি চক্র গোপনে বনজ সম্পদ পাচারের চেষ্টা চালিয়ে আসছে। বিজিবির এমন অভিযান অবৈধ কাঠ পাচারকারীদের জন্য কঠোর বার্তা হিসেবে কাজ করবে এবং পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পানছড়ি ব্যাটালিয়ন (৩ বিজিবি)-এর অধিনায়ক ও লোগাং জোনের জোন কমান্ডার লেঃ কর্নেল মোঃ রবিউল ইসলাম বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের বনজ সম্পদ দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ। এসব সম্পদ রক্ষায় বিজিবি নিয়মিত গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করে আসছে। ভবিষ্যতেও অবৈধভাবে কাঠ পাচার, চোরাচালান এবং বনজ সম্পদ ধ্বংসের বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

‎বনজ সম্পদ সংরক্ষণ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং অবৈধ পাচার রোধে বিজিবির এ ধরনের অভিযান পার্বত্যাঞ্চলে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। বিজিবির ধারাবাহিক তৎপরতায় সীমান্ত এলাকার পাশাপাশি পার্বত্য অঞ্চলের বনভূমিও আরও সুরক্ষিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।