শিরোনাম
লংগদুতে মসজিদভিত্তিক শিশু গণশিক্ষা প্রকল্পের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের সাথে মতবিনিময়সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ে সেবায় মানিকছড়ি আইডিয়াল কলেজের শিক্ষার্থীরাবান্দরবনের লামায় বিদ্যুৎ লাইন নিয়ে লাইনম্যানের ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগকাপ্তাইয়ে কারেন্ট জাল জব্ধ করার পর পুড়িয়ে ফেলা হয়েছেবর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে রাঙ্গামাটি তথ্য অফিসের প্রেস ব্রিফিংসরকারের ঘোষিত উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবায়নে গণমাধ্যমের ভুমিকা গুরুত্বপূর্ণবর্তমান সরকারের ইসতেহার অনুযায়ী ১৮০ দিনের কার্যক্রমচন্দ্রঘোনা খ্রীস্টিয়ান হাসপাতালের নার্সিং ইনস্টিটিউটের আয়োজনে র‌্যালিদলের কেউ অপরাধে জড়ালে আইন হবে দশ গুণ বেশি শক্তিশালী: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক গণশুনানি অনুষ্ঠিত

বান্দরবনের লামায় বিদ্যুৎ লাইন নিয়ে লাইনম্যানের ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক, লামা ॥
বান্দরবানের লামায় বিদ্যুৎ বিভাগের লাইনম্যান নিপেন মন্ডলের বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের বিনানুমতিতে মেইন লাইন সরিয়ে নির্মাণাধীন ভবনের মালিক থেকে অনৈতিক সুবিধা দেয়া ও লক্ষাধিক টাকা ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ উঠেছে। জনৈক ব্যক্তিকে সুবিধা দিতে লামা পৌরসভার মধুঝিরি এলাকায় ৩২ বছরের পুরাতন ও জনগুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎ সরবরাহের মেইনলাইন সরানো বিষয়টি এলাকাবাসীর মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

জানা যায়, লামা পৌরসভার মধুঝিরি এলাকায় জনৈক মৃত দ্বিজেন্দ্র লাল দাশ এর ছেলে মৃদুল কান্তি দাশ পৌরসভার কোন অনুমতি ছাড়া অপরিকল্পিতভাবে নতুন ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। লামা পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী রুই প্রু মার্মা জানিয়েছেন, বিষয়টি লামা পৌরসভার অবগত হওয়ার পরে ভবনের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেয় এবং কাজটি বন্ধ রাখতে পৌরসভা নোটিশ ইস্যু করে। সেই অবৈধ ভবনের উপর ছিল বিদ্যুতের মেইন লাইন। ঘটনাস্থলের পার্শ্ববর্তী মধুঝিরি এলাকার বাসিন্দারা বলেন, গত ৩ মে ২০২৬ইং রবিবার সরকারি নিয়ম নীতি উপেক্ষা করে মৃদুল কান্তি দাশ লামা বিদ্যুৎ অফিসের লাইনম্যান নিপেন মন্ডলের সাথে লক্ষাধিক টাকা লেনদেনে ৩২ বছরের পুরাতন লাইন কেটে সরিয়ে ফেলে।

এবিষয়ে মৃদুল কান্তি দাশ বলেন, আমি বিদ্যুতের লাইনম্যানকে খরচের টাকা দিলে, তিনি লোকজন নিয়ে এসে মেইনলাইন সরিয়ে দেয়। সে কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়েছে কিনা আমি জানিনা। কত টাকা দেয়া হয়েছে এমন প্রশ্ন করলে তিনি এড়িয়ে যান।

লাইনম্যান (এ) নিপেন মন্ডল বলেন, আমাকে খরচের টাকা দিয়েছে, আমি লোকজন নিয়ে মেইন লাইন সরিয়ে দিয়েছি। এবিষয়ে অফিসের অনুমতি নেয়া হয়েছিল কিনা, এমন প্রশ্নে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন, আপনি যা পারেন করেন।

লামা বিদ্যুৎ বিভাগের আবাসিক প্রকৌশলী মোঃ জাকির হোসেন বলেন, লাইনম্যান নিপেন মন্ডল কয়েকদিন আগে লামায় যোগদান করেছে। তিনি প্রকৌশলী কারোর অনুমতি ব্যতিত এই লাইন সরিয়েছে। এই বিষয়ে আমরা জানিনা। তাকে অফিসিয়ালভাবে জবাবদিহিতা করতে শোকজ করা হবে। বিষয়টি জানার পরপরই আমি ঘটনাস্থলে সহকারী প্রকৌশলীকে পাঠিয়েছি। লাইনম্যান নিপেন মন্ডল মেইন লাইন সরানো পাশাপাশি উক্ত লাইনের ফিডার পরিবর্তন করেছে। যা করার ক্ষমতা আমারো নেই। তার অনৈতিক কার্যক্রমের কারণে তাকে পূর্বের স্টেশন চকরিয়া হতে লামায় বদলি করা হলেও সে সংশোধন হয়নি। এখানে এসেও অনেক অনৈতিক কাজে জড়িয়ে পড়েছে।