শিরোনাম
রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর বৃক্ষরোপণ অভিযান উদ্বোধন ও চারা বিতরণবান্দরবনের থানচিতে স্থানীয়রা চায় স্থায়ী সাপ্তাহিক বাজার সেট নির্মাণপাহাড়ের দূর্গম এলাকার মানুষ আগামীতে আধুনিকতার ছোঁয়া পাবে: মেজর মোঃ হাফিজসবজি ও ফল সংরক্ষণে লামায় দুই ‘মিনি কোল্ড স্টোরেজ’ কৃষকের মূখে হাসিখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিতখাগড়াছড়ির রামগড়ে মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টায় থানায় অভিযোগক্যান্সার রোগী মহিবুল্লাহর জন্য এবার মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সহায়তাবিলাইছড়ি বাজার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনালে ব্রাদারহুড জয়ীজোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে লংগদুর মাইনীমূখ একাদশ চ্যাম্পিয়নকাপ্তাই উপজেলায় ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত লক্ষ্যমাত্রা ৬হাজার শিশু

বান্দরবনের থানচিতে স্থানীয়রা চায় স্থায়ী সাপ্তাহিক বাজার সেট নির্মাণ

॥ চিংথোয়াই অং মার্মা, থানচি ॥
বান্দরবানের থানচিতে দুর্গম তিন্দু ইউনিয়নের সাঙ্গু নদীর তীরে প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে গড়ে ওঠে একটি অস্থায়ী বাজার। আশপাশের কয়েকটি দুর্গম পাহাড়ি গ্রামের মানুষের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাবেচার একমাত্র ভরসা এই বাজার। তবে বর্ষা মৌসুম শুরু হলে সাঙ্গু নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রতিবছরই বাজারটি ভেঙে ফেলতে হয়। এতে কয়েক মাসের জন্য চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয়রা জানান, শুষ্ক মৌসুমে নদীর বালুচরে বাঁশ, কাঠ ও টিন দিয়ে অস্থায়ীভাবে বাজারটি গড়ে তোলা হয়। সেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বিক্রি করা হয়। তবে বর্ষায় সাঙ্গু নদীর পানি বেড়ে গেলে ব্যবসায়ীরা প্রতিবছরই নিরাপদ স্থানে দোকানপাট সরিয়ে নেয়।

জানা গেছে, প্রতিবছর শুষ্ক মৌসুমে সাঙ্গু নদীর তীরে অস্থায়ী বাজার গড়ে ওঠে। বর্ষা মৌসুম শুরু হলে নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে বাজারটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। তখন তিন্দু গ্রুপিংপাড়ার পুরোনো বাজারেই আবার বেচাকেনা জমে ওঠে।
সম্প্রতি সরেজমিনে দেখা যায়, সাঙ্গু নদীতীরের অস্থায়ী বাজার ভেঙে পাহাড়ঘেঁষায় নিরাপদ স্থানে নতুন করে দোকানপাট গড়ে উঠেছে। ঝুঁকিপূর্ণ উঁচু ঢালেই অনেক ব্যবসায়ী দোকান, ঘরবাড়ি ও রিসোর্ট নির্মাণ করে জীবিকা চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতিবছর অস্থায়ী বাজার নির্মাণ এবং বর্ষা এলেই তা খুলে সরিয়ে নিতে অতিরিক্ত ব্যয় গুনতে হয়। বর্ষাকালে ব্যবসা ব্যাহত হওয়ায় আয়ও কমে যায়। একটি স্থায়ী ও নিরাপদ বাজার সেট নির্মাণ করে সাপ্তাহিক হাটবাজার বসাতে পারলে ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ উভয়েই উপকৃত হবে।

স্থানীয় বাসিন্দার উথোয়াই ওয়াং মারমা ও নাংথাং খুমীসহ অনেকেই জানান, তিন্দু বাজারের সাপ্তাহিক হাটবাজার বসাতে পারলে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কেনাবেচা সহজ হবে। একই সঙ্গে স্থানীয় কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সহজে তাঁদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে পারবেন এবং এলাকার সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।

অন্যদিকে তিন্দু ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ভাগ্যচন্দ্র ত্রিপুরা জানান, বর্ষা মৌসুমে এলেই অস্থায়ী বাজারটি গুটিয়ে গ্রুপিংপাড়ার পুরোনো বাজারে বেচাকেনা হয়। তবে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সেখানে নিয়মিত সাপ্তাহিক হাটবাজার বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল ফয়সাল জানান, অস্থায়ী বাজারের বিষয়টি জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে জেনেছেন। বিষয়টি নিয়ে জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।