শিরোনাম
পাহাড়ের দূর্গম এলাকার মানুষ আগামীতে আধুনিকতার ছোঁয়া পাবে: মেজর মোঃ হাফিজসবজি ও ফল সংরক্ষণে লামায় দুই ‘মিনি কোল্ড স্টোরেজ’ কৃষকের মূখে হাসিখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিতখাগড়াছড়ির রামগড়ে মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টায় থানায় অভিযোগক্যান্সার রোগী মহিবুল্লাহর জন্য এবার মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সহায়তাবিলাইছড়ি বাজার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনালে ব্রাদারহুড জয়ীজোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে লংগদুর মাইনীমূখ একাদশ চ্যাম্পিয়নকাপ্তাই উপজেলায় ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত লক্ষ্যমাত্রা ৬হাজার শিশুবান্দরবনের লামা পৌরসভার বাজেট ১১ কোটি ২৩ লক্ষ, উন্নয়ন খাতে প্রায় ৯ কোটি টাকাঅবশেষে রাঙ্গামাটিতে আয়েশা বেগম হত্যায় জড়িত দুই যুবক গ্রেপ্তার

পাহাড়ের দূর্গম এলাকার মানুষ আগামীতে আধুনিকতার ছোঁয়া পাবে: মেজর মোঃ হাফিজ

॥ রাজস্থলী উপজেলা প্রতিনিধি ॥
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে নানা ঝুঁকি মোকাবিলা করে পার্বত্য চট্টগ্রামে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। এখানকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আত্ম-সামাজিক উন্নয়নে নিরলসভাবে অবদানও রেখে চলেছে। আধুনিকতার এই সময়ে দুর্গম এলাকার মানুষ কেন বঞ্চিত থাকবে। তাই পাহাড়ের দূর্গম এলাকার মানুষ আগামীতে আধুনিকতার ছোঁয়া পাবে।

সোমবার (২৯জুন) সকাল ১১ টায় রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলায় হেডম্যান ও কারবারী সম্মেলন সভাপতির বক্তব্যে রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর রণজয়ী আটত্রিশ এর সাব-জোন কমান্ডার মেজর মোঃ হাফিজ এসব কথা বলেন।

রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই জোনের জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় আয়োজিত এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সেনাবহিনীর রাজস্থলী রণজয়ী আটত্রিশ এর সাব-জোন কমান্ডার মেজর মোঃ হাফিজ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী সাব-জোনের জেসিও ওয়াঃ অফিসার তৌহিদ, ১ নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ২ নং গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মৌজা থেকে আগত ৪ জন মেম্বার, ৫ জন হেডম্যান ও ৫৩ জন কারবারী। এছাড়াও গণমাধ্যমকর্মীরা এ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে মেজর মোঃ হাফিজ বলেন, রণজয়ী আটত্রিশ দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে এলাকায় কাজ করে যাচ্ছে। এই অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করতে পেরে নিজেকেও গর্বিত মনে করেন। তিনি আরও বলেন, কাপ্তাই জোনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সাথে আরও সুসম্পর্ক গড়ে তোলা এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

সকলের সহযোগিতা নিয়ে একসাথে কাজ করতে চাই। দুর্গম এলাকার মানুষ যারা এখনো আধুনিকতার ছোঁয়া পায়নি, তাদেরকে একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক সুবিধার আওতায় আনার জন্য আমরা কাজ করছি। তাই আগামীতে তারাও আধুনিকতার ছোঁয়া পাবে। ভবিষ্যতেও এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। এলাকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সম্মেলনটি নিয়মিত মাসিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়। সাব-জোন কমান্ডার স্থানীয় হেডম্যান ও কারবারীদের সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন সমস্যা সহ প্রয়োজন ও সম্ভাবনা সম্পর্কে অবগত হন।