শিরোনাম
দেশে পরিকল্পিত সন্ত্রাস ও নৈরাজ্য সৃষ্টির প্রতিবাদে কাপ্তাইয়ে সমাবেশকাপ্তাই উপজেলার চিৎমরম ইউনিয়নের মানুষ একাধিক সুবিধা থেকে বঞ্চিতজাল নোট প্রচলন প্রতিরোধে দীঘিনালায় জনসচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মশালাপাহাড়ের সকল জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করা: ওয়াদু ভুঁইয়া এমপিরাত নামলেই রামগড়-টু-বারৈয়ারহাট সড়কে বিভিন্ন অংশে ডাকাতিখাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে অনুমোদিত পদ ৮২টি কর্মরত আছেন ১৭দুইটিলা আর্মি ক্যাম্পে কারবারি সম্মেলন ও বিদ্যালয়ে চেয়ার-টেবিল-বেঞ্চ বিতরণদীঘিনালায় দূর্গম মধ্য বানছড়া এলাকায় সেনবাহিনীর চিকিৎসা সেবাদীঘিনালায় বৌদ্ধ বিহারে সেনাবাহিনীর পাওয়ার টিলার প্রদানবান্দরবানের থানচিতে মিষ্টি কুমড়া চাষে ঝুঁকছে চাষিরা, ফলন ও আয় ভাল

পাহাড়ের দূর্গম এলাকার মানুষ আগামীতে আধুনিকতার ছোঁয়া পাবে: মেজর মোঃ হাফিজ

১৪

॥ রাজস্থলী উপজেলা প্রতিনিধি ॥
বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দীর্ঘদিন ধরে নানা ঝুঁকি মোকাবিলা করে পার্বত্য চট্টগ্রামে সফলতার সাথে কাজ করে যাচ্ছে। এখানকার পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর আত্ম-সামাজিক উন্নয়নে নিরলসভাবে অবদানও রেখে চলেছে। আধুনিকতার এই সময়ে দুর্গম এলাকার মানুষ কেন বঞ্চিত থাকবে। তাই পাহাড়ের দূর্গম এলাকার মানুষ আগামীতে আধুনিকতার ছোঁয়া পাবে।

সোমবার (২৯জুন) সকাল ১১ টায় রাঙ্গামাটির রাজস্থলী উপজেলায় হেডম্যান ও কারবারী সম্মেলন সভাপতির বক্তব্যে রাজস্থলীতে সেনাবাহিনীর রণজয়ী আটত্রিশ এর সাব-জোন কমান্ডার মেজর মোঃ হাফিজ এসব কথা বলেন।

রাঙ্গামাটি জেলার কাপ্তাই জোনের জোন কমান্ডারের নির্দেশনায় আয়োজিত এ সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন সেনাবহিনীর রাজস্থলী রণজয়ী আটত্রিশ এর সাব-জোন কমান্ডার মেজর মোঃ হাফিজ। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রাজস্থলী সাব-জোনের জেসিও ওয়াঃ অফিসার তৌহিদ, ১ নং ঘিলাছড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, ২ নং গাইন্দ্যা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মৌজা থেকে আগত ৪ জন মেম্বার, ৫ জন হেডম্যান ও ৫৩ জন কারবারী। এছাড়াও গণমাধ্যমকর্মীরা এ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

সভাপতির বক্তব্যে মেজর মোঃ হাফিজ বলেন, রণজয়ী আটত্রিশ দায়িত্বভার গ্রহণের পর থেকে অত্যন্ত নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে এলাকায় কাজ করে যাচ্ছে। এই অঞ্চলে দায়িত্ব পালন করতে পেরে নিজেকেও গর্বিত মনে করেন। তিনি আরও বলেন, কাপ্তাই জোনের উদ্যোগে আয়োজিত এই সম্মেলনের মাধ্যমে স্থানীয় জনগণের সাথে আরও সুসম্পর্ক গড়ে তোলা এবং উন্নয়ন কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে।

সকলের সহযোগিতা নিয়ে একসাথে কাজ করতে চাই। দুর্গম এলাকার মানুষ যারা এখনো আধুনিকতার ছোঁয়া পায়নি, তাদেরকে একবিংশ শতাব্দীর আধুনিক সুবিধার আওতায় আনার জন্য আমরা কাজ করছি। তাই আগামীতে তারাও আধুনিকতার ছোঁয়া পাবে। ভবিষ্যতেও এই উন্নয়নের ধারা অব্যাহত থাকবে। এলাকার শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।

সম্মেলনটি নিয়মিত মাসিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আয়োজন করা হয়। সাব-জোন কমান্ডার স্থানীয় হেডম্যান ও কারবারীদের সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন সমস্যা সহ প্রয়োজন ও সম্ভাবনা সম্পর্কে অবগত হন।