শিরোনাম
সবজি ও ফল সংরক্ষণে লামায় দুই ‘মিনি কোল্ড স্টোরেজ’ কৃষকের মূখে হাসিখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিতখাগড়াছড়ির রামগড়ে মাদ্রাসা পড়ুয়া ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টায় থানায় অভিযোগক্যান্সার রোগী মহিবুল্লাহর জন্য এবার মানবকল্যাণ ফাউন্ডেশনের সহায়তাবিলাইছড়ি বাজার গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনালে ব্রাদারহুড জয়ীজোন কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনালে লংগদুর মাইনীমূখ একাদশ চ্যাম্পিয়নকাপ্তাই উপজেলায় ভিটামিন ‘এ’প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত লক্ষ্যমাত্রা ৬হাজার শিশুবান্দরবনের লামা পৌরসভার বাজেট ১১ কোটি ২৩ লক্ষ, উন্নয়ন খাতে প্রায় ৯ কোটি টাকাঅবশেষে রাঙ্গামাটিতে আয়েশা বেগম হত্যায় জড়িত দুই যুবক গ্রেপ্তাররাজস্থলীতে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
সারা দেশের ন্যায় খাগড়াছড়ি মাটিরাঙ্গায় উৎসবমুখর পরিবেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। উপজেলায় ২১ হাজারেরও অধিক শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়েছে। রবিবার (২৮ জুন) সকালে মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এর উদ্বোধন করেন মাটিরাঙ্গা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিজ উম্মে তাহমিনা মিতু।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শুভোন দত্ত-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য বিভাগের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এবারের ক্যাম্পেইনে উপজেলার তাইন্দং, তবলছড়ি, বড়নাল, আমতলী, গোমতী, বেলছড়ি, মাটিরাঙ্গা ও গুইমারা ইউনিয়নে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ২ হাজার ৯৪৪ জন শিশুকে নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ১৮ হাজার ৮১২ জন শিশুকে লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তারা জানান, ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল শিশুর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং অপুষ্টি, অন্ধত্বসহ ভিটামিন ‘এ’ এর ঘাটতিজনিত নানা জটিলতা প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। নির্ধারিত বয়সের প্রতিটি শিশুকে নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসতে অভিভাবকদের প্রতি বিশেষভাবে আহ্বান জানানো হয়।
দিনব্যাপী এই কার্যক্রম উপজেলার প্রতিটি টিকাদান কেন্দ্রে দক্ষ ও প্রশিক্ষিত স্বাস্থ্যকর্মী এবং স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হচ্ছে বলে উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ নিশ্চিত করেছে।