শিরোনাম
পার্বত্য চট্টগ্রামে কৃষকদের উন্নয়নে সরকার আন্তরিকশিক্ষার প্রসার ও জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী মানবিক: বাঘাইহাট জোনকর্ণফুলী কলেজে তালিজোড়া দিয়ে চলছে শিক্ষা কার্যক্রম, ৩৭ এর মধ্যে কর্মরত ১০ শিক্ষকপ্রধানমন্ত্রী হতদরিদ্র মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছেক্রীড়া প্রতিভা খুঁজতে মাটিরাঙ্গায় ‘নতুন কুঁড়ি’র বাছাই পর্ব অনুষ্ঠিতশিক্ষকরা শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখাতেও শেখান, ‘স্বপ্নবাহক’ বইয়ের মোড়ক উম্মোচনমহালছড়ির মুবাছড়ি বন বিহারে শুভ দানোত্তম কঠিন চীবর দান অনুষ্ঠিতপুলিশ বা প্রশাসন একা মাদক নির্মূল করতে পারবে নাজিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত যুব কমপ্লেক্সই আজকের যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর: দীপন তালুকদারপানছড়িস্থ ৩ বিজিবি’র ৭৮ বছরের গৌরবের পথচলায় মুক্তিযুদ্ধ ও শহীদদের শ্রদ্ধাভরে স্মরণ

রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলায় মৃত বন্যহাতির শুঁড় ও পা কেটে নিল দুর্বৃত্তরা

১৭

॥ মোঃ আলমগীর হোসেন, লংগদু ॥
রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলায় মারা যাওয়া একটি বন্য হাতির শুঁড় ও পায়ের অংশ কেটে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার (২৬এপ্রিল) গভীর রাতে এ ঘটনা ঘটে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সোমবার সকালে ঘটনাটির একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের পাবলাখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ শরিফুল ইসলাম জানান, রাতে বৃষ্টি হয়েছিল। সঙ্গে থাকা স্ত্রী হাতিটি সরে যাওয়ার সুযোগে দুর্বৃত্তরা মৃত হাতিটির শুঁড় ও পায়ের মাংস কেটে নিয়ে যায়। সকালে ঘটনাস্থলে আমাদের টিম পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে হাতিটিকে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।

রাঙামাটি জেলার ভেটেরিনারি সার্জন ডা. দেবনাথ চাকমা ও লংগদু উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সৌরভ সেনের যৌথ তত্ত্বাবধানে হাতিটির ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ডা. দেবনাথ চাকমা জানান, হাতিটির মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে নমুনা ঢাকায় পাঠানো হবে। পরীক্ষার ফলাফল পাওয়ার পর বিস্তারিত জানা যাবে।

ময়নাতদন্ত শেষে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে হাতিটিকে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে এবং ঘটনাস্থলে পাহারার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এর আগে, রোববার সকালে এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিমের সদস্যরা একটি মৃত হাতির দেহ দেখতে পেয়ে বন বিভাগকে অবহিত করেন। পরে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃত হাতিটি পরিদর্শন করেন।

স্থানীয় সূত্র ও বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, হাতিটি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ ছিল। ২০২৪ সালে প্রথম অসুস্থ হওয়ার পর বন বিভাগ ও চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি চিকিৎসক দল চিকিৎসা দিয়ে তাকে সুস্থ করে তোলে। চলতি বছরেও দুই দফায় অসুস্থ হলে পুনরায় চিকিৎসা দেওয়া হয়। প্রায় ৬৫ বছর বয়সী এ হাতিটি ছিল ওই এলাকার অন্যতম বৃহৎ ও বয়স্ক বন্য হাতি। এদিকে, এমন নৃশংস ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে স্থানীয়রা।