শিরোনাম
রাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালনক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঘুরে দাঁড়াতে কৃষি প্রণোদনা পেলেন মাটিরাঙ্গার নয়শত কৃষকখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবাকাপ্তাই উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জেলা পরিষদের চাল বিতরণ শুরুভিয়েতনামী লংগান চাষ করে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সফল প্রিয়দর্শী চাকমাখাগড়াছড়ির রামগড়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগীতাবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে পিসিপি থানা শাখার ১৮ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বন বিভাগের ২২ হাজার চারা বিতরণরাঙ্গামাটির কাপ্তাই এ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য জব্দরাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে গ্রাহকের বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঘুরে দাঁড়াতে কৃষি প্রণোদনা পেলেন মাটিরাঙ্গার নয়শত কৃষক

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে স্থানীয় কৃষকদেও মাঝে কৃষি প্রনোদনার অংশ আমন ধানের বীজ, গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির বীজ, সার ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব কৃষি প্রনোদনা বিতরণ করা হয়।

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে আমন ধানের বীজ, গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজির বীজ, সার ও অন্যান্য কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ শাহাবুদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন এবং কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে তাহমিনা মিতু। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সুমেন চাকমা, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বদিউল আলম, পৌর বিএনপির সভাপতি শাহজালাল কাজল এবং উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রানা, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ ইউনুছ নূরসহ কৃষি বিভাগের অন্যান্য কর্মকর্তা কর্মচারীরা।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) উম্মে তাহমিনা মিতু বলেন, সরকারের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঘুরে দাঁড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কৃষকদের আধুনিক প্রযুক্তি ও উন্নত জাতের বীজ ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক ফলন নিশ্চিত করতে হবে।

কৃষি অফিস সূত্রে জানানো হয়, উপজেলার ৪০০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের প্রত্যেককে সাত ধরনের গ্রীষ্মকালীন সবজির বীজের পাশাপাশি ১৫ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে। এ ছাড়া সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০০ জন কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে পাঁচ কেজি করে আমন ধানের বীজ বিতরণ করা হয়। সব মিলিয়ে উপজেলার প্রায় ৯০০ কৃষক এই কর্মসূচির আওতায় উপকৃত হয়েছেন।