শিরোনাম
রাঙ্গামাটিতে পাসের হারে শ্রেষ্ঠ কাপ্তাই নৌবাহিনী স্কুল এন্ড কলেজরাঙ্গামাটির কাপ্তাইয়ে শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তারএম এন লারমা পার্বত্য চট্টগ্রামের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্বনির্বাচনী সকল ওয়াদা পূরণ করা হবে: দীপেন দেওয়ান এমপিকাপ্তাই উপজেলার ভলুকিয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় এমপিওভুক্ত করার আশ্বাসলংগদুতে স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মতবিনিময় সভাযানবাহন ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রেখে চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা গুরুতর অপরাধ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালদক্ষিণ কোরিয়ার পূর্ণ অর্থায়নে পিএইচডি করছেন রামগড়ের সন্তান মংসাথোয়াইসুস্থ থাকতে হলে খাবার খাবেন হাত ধুয়েতরুণ সমাজকে মাদক ও নানা সামাজিক অবক্ষয় থেকে দূরে রাখতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রী

যৌতুক ও মাদক সমাজের জন্য অত্যন্ত ভয়ংকর সামাজিক ব্যাধি: পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী

৩

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
যৌতুক ও মাদকের ভয়াবহতা থেকে সমাজকে রক্ষা করতে হলে নিজের ঘর ও পরিবার থেকেই পরিবর্তনের সূচনা করতে হবে। সমাজ পরিবর্তন করতে হলে সবার আগে নিজেদের মন-মানসিকতা ও চিন্তা-ভাবনায় পরিবর্তন আনতে হবে। ব্যক্তিবিশেষ বা অন্যের মুখাপেক্ষী হয়ে এই সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।

শনিবার (১আগষ্ট) রাতে আঞ্জুমানে রজরিয়া ট্রাস্ট কর্তৃক আয়োজিত যৌতুক ও মাদক মুক্ত সমাজ প্রতিষ্ঠায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি, এসব কথা বলেন।

চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরে এলজিইডি ভবন মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মুহাম্মদ আবুল কাশেম নূরী (মু.জি.আ) সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট আলেম-ওলামা ও স্থানীয় সামাজিক ব্যক্তিবর্গরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা একদিকে দীন ও মানবিকতার কথা বলি, আবার অন্যদিকে বিয়েতে যৌতুক ও অতিরিক্ত বরযাত্রীর অজুহাতে কন্যাপক্ষকে চাপে ফেলে দেই এটি অত্যন্ত দুঃখজনক। যৌতুকের কারণে প্রতিনিয়ত আমাদের আশেপাশেই নারীরা নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন। আমরা নিজেদের মেয়ের সাথে যে সম্মানজনক ও মানবিক আচরণ করি, ঠিক একই আচরণ যদি ছেলের স্ত্রীর সাথেও করি, তবে সমাজ থেকে যৌতুকের নিপীড়ণ চিরতরে দূর হবে। যে ভালো কাজের অন্যকে করার নসিহত করছি, তা আগে নিজের পরিবারে বাস্তবায়ন করতে হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, মাদক সমাজকে পুরোপুরি বিশৃঙ্খল ও ধংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে। বিগত ১৭ বছরে আমাদের নীতি, নৈতিকতা ও সামাজিক মূল্যবোধের যে চরম অবক্ষয় হয়েছে, তা থেকে বের হতে হলে মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলা ছাড়া কোনো উপায় নেই। পাড়া, মহল্লা ও গ্রামে অপরাধীদের পরিচয় গোপন থাকে না। যুবসমাজ ও সামাজিক মূল্যবোধ রক্ষায় নিজের সন্তানও যদি মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ে, তাকেও আইনের হাতে তুলে দিতে হবে।

জনসচেতনতা বৃদ্ধির কার্যকর মাধ্যম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ইউটিউব, ফেসবুক, ইনস্টগ্রাম), বেতার-টেলিভিশন ও পথনাটক দিয়ে সচেতনতামূলক প্রচার বাড়াতে হবে। একইসাথে আলেম-ওলামাগণ ওয়াজ মাহফিল ও শুক্রবারের খুতবায় যৌতুক ও মাদকের ভয়াবহতা নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে জনমত গড়ে তুলতে পারেন। সমাজকে কলুষমুক্ত করতে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি প্রসারিত করে ধর্মীয়, সামাজিক, রাজনৈতিক ও প্রশাসনিকভাবে সকলকে সম্মিলিতভাবে রুখে দাঁড়াতেই হবে। কেননা যৌতুক ও মাদক সমাজের জন্য অত্যন্ত ভয়ংকর সামাজিক ব্যাধি।