শিরোনাম
রাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালনক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের ঘুরে দাঁড়াতে কৃষি প্রণোদনা পেলেন মাটিরাঙ্গার নয়শত কৃষকখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবাকাপ্তাই উপজেলায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে জেলা পরিষদের চাল বিতরণ শুরুভিয়েতনামী লংগান চাষ করে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় সফল প্রিয়দর্শী চাকমাখাগড়াছড়ির রামগড়ে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগীতাবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে পিসিপি থানা শাখার ১৮ তম সম্মেলন অনুষ্ঠিতখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় বন বিভাগের ২২ হাজার চারা বিতরণরাঙ্গামাটির কাপ্তাই এ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ কর্তৃক মেয়াদোত্তীর্ণ খাদ্যপণ্য জব্দরাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুতের দাবিতে গ্রাহকের বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা সেনা জোনের উদ্যোগে দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় অসহায় ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিশেষ মানবিক সহায়তা এবং বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়েছে। শনিবার (১আগস্ট) সকালে সেনাবাহিনীর নিয়মিত আর্থ-সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

গুইমারা রিজিয়নের অধীনস্থ দুর্গম মরাটিলা এলাকায় অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে অর্ধশতাধিক অসহায়, দুঃস্থ ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ এ সুবিধা গ্রহন করেন। ক্ষতিগ্রস্ত মানষের মাঝে খাদ্য ও ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করেন মাটিরাঙ্গা জোনের ক্যাপ্টেন মাইন চৌধুরী। এসময় সেনাবাহিনীর এ জনকল্যাণমূলক আয়োজনে মাটিরাঙ্গা জোনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ত্রাণ বিতরণের পাশাপাশি মরাটিলা এলাকার প্রায় শতাধিক দুঃস্থ নারী, পুরুষ ও শিশুকে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান করা হয়। চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম পরিচালনা করেন মাটিরাঙ্গা জোনের মেডিকেল অফিসার ক্যাপ্টেন নুরে রেজওয়ান তৌফিক রিজভী।

দুর্গম পাহাড়ি এলাকায় বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ত্রাণসামগ্রী পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা এই মানবিক উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ কল্যাণ কাজের জন্য মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়ক সহ সংশ্লিষ্ট সকলের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেন সুবিধাভোগীরা।

এ বিষয়ে মাটিরাঙ্গা জোন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ খান, পিএসসি বলেন, এ অঞ্চলে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মধ্যে যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থান ও চমৎকার সম্প্রীতি বিদ্যমান, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। তিনি আরও বলেন, আর্তমানবতার সেবায় পাহাড়ের দুর্গম এলাকাগুলোতে সেনাবাহিনীর এ ধরনের কল্যাণমুখী ও মানবিক কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।