শিরোনাম
পর্যটন খাতের আমূল পরিবর্তন কোনো একক সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়: পার্বত্য মন্ত্রীএমএন লারমা এঁর জীবন দর্শন বর্তমান সময়ে প্রাসঙ্গিক বিষয়লামায় পুকুরে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুলামা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান, সম্পাদক মোঃ আরমানরোয়াংছড়ি-রুমায় সরকারি সফরে যাচ্ছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাম্যাচিংকেবল পাঠ্যপুস্তকের পড়াশোনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না: পার্বত্য মন্ত্রীবাল্যবিবাহ প্রতিরোধে শুধু প্রশাসনের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়: রোয়াংছড়ি ইউএনওবাঘাইছড়িতে সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় চক্ষু চিকিৎসা, ঔষধ ও চশমা বিতরণরোয়াংছড়িতে বেসরকারি সংস্থার ওয়াশ প্রকল্পের আলোচনা সভাকাপ্তাইয়ে ভোক্তা অধিকারের অভিযানে ৩৫হাজার টাকা জরিমানা

পর্যটন খাতের আমূল পরিবর্তন কোনো একক সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়: পার্বত্য মন্ত্রী

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দর্শন এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘রংধনু জাতি’ গঠনের যে স্বপ্ন, তা বাস্তবায়নে পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠী বড় ভূমিকা রাখতে পারে। বৃহসস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বান্দরবান জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে পর্যটন উন্নয়ন বিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী সাচিং প্রু এসব কথা বলেন।

বান্দরবানের জেলা প্রশাসক মোঃ সানিউল ফেরদৌসের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই সভায় জেলা পুলিশ সুপার মোঃ ওহাবুল ইসলাম খন্দকারসহ বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি দপ্তরের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাহাড় ও সমতলের মানুষের মধ্যে সম্প্রীতির মেলবন্ধনের ওপর গুরুত্বারোপ করে মন্ত্রী বলেন, আসন্ন অক্টোবর মাস থেকে পর্যটকদের ভিড় বাড়ার কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকে এখন থেকেই সার্বিক প্রস্তুতি নেওয়ার নির্দেশ দেন। বিশেষ করে জেলার প্রবেশমুখ কেরানীহাটসহ পার্শ্ববর্তী সড়কগুলো যানজটমুক্ত ও পরিষ্কার রাখার তাগিদ দেন তিনি। এসময় তিনি রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানকে যুক্ত করে একটি সমন্বিত পর্যটন রুট চালুর বিশাল সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। পর্যটন সেবার মান নিয়ে মন্ত্রী সাচিং প্রু স্পষ্ট বার্তা দেন যে, হোটেল ও রেস্তোরাঁর রান্নাঘর থেকে শুরু করে আবাসিক কক্ষ এবং ওয়াশরুমে সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি খাবারসহ অন্যান্য সেবার মূল্য পর্যটকদের নাগালের মধ্যে রাখার নির্দেশ দেন তিনি। পার্বত্য চট্টগ্রামের পর্যটন সম্ভাবনাকে সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে বান্দরবানকে একটি শতভাগ পরিচ্ছন্ন, নিরাপদ ও পর্যটকবান্ধব জেলা হিসেবে গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন।

ট্যুরিস্ট গাইডদের জেলার ‘দূত’ হিসেবে আখ্যায়িত করে মন্ত্রী বলেন, পর্যটকদের সাথে তাদের আচরণ ও যোগাযোগ দক্ষতা হতে হবে অত্যন্ত মার্জিত। বিদেশি পর্যটকদের সুবিধার্থে ইংরেজিতে দক্ষ গাইড তৈরির উদ্যোগ নেওয়ারও পরামর্শ দেন তিনি। পাহাড়ি রাস্তায় পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চালকদের নিয়ন্ত্রিত গতিতে গাড়ি চালানোর ওপরও তিনি বিশেষ জোর দেন। পরিশেষে মন্ত্রী স্মরণ করিয়ে দেন, পর্যটন খাতের এই আমূল পরিবর্তন কোনো একক সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়। প্রশাসন, ট্যুরিস্ট পুলিশ, পরিবহন ও হোটেল মালিক এবং স্থানীয় জনসাধারণের যৌথ প্রচেষ্টাতেই বান্দরবানকে একটি আদর্শ পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের জাতীয়তাবাদী দর্শন এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘রংধনু জাতি’ গঠনের যে স্বপ্ন, তা বাস্তবায়নে পার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় জনগোষ্ঠী বড় ভূমিকা রাখতে পারে।