শিরোনাম
রোয়াংছড়িতে কাঠ ব্যবসায়ী সমিতির অফিস ও কমিউনিটি সেন্টার উদ্বোধনখাগড়াছড়িতে মারমা যুব ঐক্য পরিষদের সাংগঠনিক সভাবান্দরবানের লামায় ক্রাশ প্রোগ্রামের আওতায় ম্রো শিশুদের টিকাদানশিক্ষকরা মানসিকভাবে ভালো না থাকলে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত সম্ভব নয়পর্যটন খাতের আমূল পরিবর্তন কোনো একক সংস্থার পক্ষে সম্ভব নয়: পার্বত্য মন্ত্রীএমএন লারমা এঁর জীবন দর্শন বর্তমান সময়ে প্রাসঙ্গিক বিষয়লামায় পুকুরে ডুবে ৭ বছরের শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যুলামা প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ কামরুজ্জামান, সম্পাদক মোঃ আরমানরোয়াংছড়ি-রুমায় সরকারি সফরে যাচ্ছেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাম্যাচিংকেবল পাঠ্যপুস্তকের পড়াশোনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না: পার্বত্য মন্ত্রী

শহীদ জিয়ার পর যারা ক্ষমতায় এসেছেন তারা নদী-খাল দখলেই মত্ত ছিলেন: পার্বত্য মন্ত্রী

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
বিগত সরকারের সময়ে এই জনহিতকর কার্যক্রম বন্ধ থাকায় এবং জবরদখলের প্রতিযোগিতায় অনেক খাল ভরাট হয়ে গিয়েছিল। ফলে বৃষ্টির পানি নিষ্কাশন ব্যাহত হওয়া ছাড়াও শুষ্ক মৌসুমে পানির তীব্র সংকট তৈরি হয়। সাথে জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করেছে।

রবিবার (২৬ এপ্রিল) দুপুরে রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার সাপছড়ি ও কুতুকছড়ি ইউনিয়নে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খাল পুনঃখনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে গিয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, এমপি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেছেন, দেশের কৃষকের সার্বিক উন্নতি এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনের সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নিয়েই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচি হাতে নিয়েছিলেন। শহীদ জিয়ার পর যারা বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতায় এসেছেন, তারা নদী-খাল খনন তো করেনইনি, বরং নদী-খাল দখলেই মত্ত ছিলেন।

এসময় মন্ত্রী সাপছড়ি ও কুতুকছড়ি ইউনিয়নে ৮ কোটি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে প্রায় ৩৩ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য খাল পুনঃখনন কাজের শুভ সূচনা করেন। এর মধ্যে রয়েছে মানিকছড়ি ছড়া ব্রিজ হতে বড়পাড়া নালা এবং কুতুকছড়ি বাজার হতে মোনতলা পর্যন্ত মাউরুম ও বগাছড়ি পর্যন্ত খাল খনন।

পার্বত্য মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের ঘোষিত ৩১ দফা সংস্কার কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৮০ দিনের অগ্রাধিকার পরিকল্পনায় আবারও দেশব্যাপী খাল খনন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, খাল খনন কর্মসূচির মাধ্যমে শুধু কৃষি উৎপাদনই বাড়বে না, বরং এই এলাকায় নতুন নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টি করা হবে। স্থানীয় কর্মক্ষম ব্যক্তিদের আত্ম-কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে সরকার বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করছে, যা পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক নাজমা আশরাফী, মন্ত্রীর একান্ত সচিব (উপ-সচিব) রবীন্দ্র চাকমা, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুল হোসেন চৌধুরী, এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী আহাম্মদ সফি, রাঙ্গামাটি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন সহ স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।