শিরোনাম
প্রত্যেক জাতিগোষ্ঠী তাদের স্ব-স্ব নামেই সামাজিক এই বৃহৎ উৎসব পালন করবে: পার্বত্য মন্ত্রীদীঘিনালায় নদীতে ফুল ভাসিয়ে চাকমা সম্প্রদায়ের ফুল বিঝু পালনবাঘাইছড়িতে মারিশ্যা জোন-২৭ বিজিবি’র পক্ষ থেকে বিঝু’র উপহার সামগ্রী বিতরণকাপ্তাইয়ে তনচংগ্যা সম্প্রদায়ের বিষু উৎসব বর্ণিল র‌্যালি ও আলোচনা সভাবাঘাইছড়িতে ফুল বিঝু’র বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও কাচালং নদীতে ফুল ভাসানো উৎসবরাঙ্গামাটিতে ইতিহ্যের বলি খেলায় চ্যাম্পিয়ন দিপু, রানার্সআপ সৃজনখাগড়াছড়িতে বিজিবি’র অভিযানে ১৪০০ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধারকাপ্তাইয়ে ৪৭তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহের উদ্বোধন ও পুরষ্কার বিতরণকাপ্তাইয়ে বিশেষ প্রকল্পে চাল ২শত জনের মধ্যে বিতরণখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় ৮দোকানীর মাথায় হাত, রাতে সব ঠিক থাকলেও সকালে ছাই

প্রত্যেক জাতিগোষ্ঠী তাদের স্ব-স্ব নামেই সামাজিক এই বৃহৎ উৎসব পালন করবে: পার্বত্য মন্ত্রী

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
বিগত সরকার বৈসাবি নামকরণের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্ত্বা সম্প্রদায়ের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে রেখেছিল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার পার্বত্য চট্টগ্রামেও কোনো বৈষম্য চায় না। পার্বত্য চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান উপলক্ষে আজ সকালে রাজধানী ঢাকায় এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি ও অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, এমপি এসব কথা বলেন।

রবিবার (১২এপ্রিল) সকালে বেইলি রোডের পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স থেকে র‌্যালি শুরু হয়ে রমনা পার্কের লেকে ‘বিজু ফুল’ ভাসানোর মাধ্যমে সমাপ্ত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভূমি মন্ত্রণালয় ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জনাব মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান এমপি বলেন, বিগত সরকার বৈসাবি নামকরণের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতিসত্ত্বা সম্প্রদায়ের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে রেখেছিল। মন্ত্রী বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কোনো বৈষম্য চায় না। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, এখন থেকে প্রত্যেক জাতিগোষ্ঠী তাদের স্ব-স্ব উৎসবের নামে নিজ নিজ সংস্কৃতি নির্বিঘেœ পালন করবে।

মন্ত্রী বলেন, এখন থেকে আর বৈসাবি নয়, প্রত্যেক জাতি গোষ্ঠির স্ব-স্ব নামেই উদযাপিত হবে পাহড়ের ঐতিহ্যবাহী এই সামাজিক উৎসব। বিজু, সাংগ্রাই, বৈসু, বিষু, চাংক্রান ও চাংলান–সবগুলো উৎসবই এখন থেকে রাষ্ট্রীয়ভাবে সমান সম্মানও পাবে। মন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের প্রত্যয় হলো বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়া। সমতল ও পাহাড়ের মানুষের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। আজকের এই উৎসব পাহাড়ি-বাঙালি ঐক্যের প্রতীক।

এ উৎসবের বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের দর্শনকে ধারণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যে রংধনু জাতি গঠনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন, এই র‌্যালিতে তারই প্রতিফলন ঘটছে। সবার আগে বাংলাদেশ এই নীতি ধারণ করে আমরা সম্প্রীতি ও উন্নতির পথে এগিয়ে যাব।

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, অতিরিক্ত সচিব মোঃ মনিরুল ইসলামসহ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ঢাকায় বসবাসরত তিন পার্বত্য জেলার বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষ ঐতিহ্যবাহী পোশাক ও সাজে অংশগ্রহণ করেন। পাহাড়ি-বাঙালি জনগোষ্ঠী এক আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যে অনুষ্ঠানের মুহূর্তগুলো উপভোগ করেছে। র‌্যালি শেষে রমনা পার্কের লেকে ফুল ভাসানোর মাধ্যমে উৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।