শিরোনাম
সরকারি মাতামুহুরী কলেজের শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবিতে ৭২ ঘন্টার আলটিমেটামখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ওএমএসের পন্য বিক্রি শুরুখাগড়াছড়ির রামগড়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিজিবির মানবিক সহায়তারাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে সরকারী নির্দেশ অমান্য করে ঋণের কিস্তি আদায়রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে ৩৮ বোতল দেশীয় কেয়ারু মদ জব্দলামায় জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিতসরকারের প্রধান লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা: দীপেন দেওয়ানকফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ জরুরিপার্বত্য এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিশেষ মনোযোগ রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালঅবশেষে দুই দিন পর কাপ্তাই হ্রদেই মিলল ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতির মরদেহ

সেনাবাহিনী সবসময়ই সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে: কর্নেল মাসুদ খান

১৫

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব ‘বিজু’ উপলক্ষে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে মাটিরাঙ্গা জোন সদরে এক মানবিক সহায়তা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

গুইমারা রিজিয়নের অধীন ১৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি (মাটিরাঙ্গা জোন) এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্থানীয় দুস্থ ও অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে ঈদ ও বিজুর উপহার সামগ্রী বিতরণ করে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য ও অন্যান্য সামগ্রী প্রদান করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে: সেমাই, গুঁড়ো দুধ, চিনি, বাদাম, চাল, ডাল ও ভোজ্য তেল। এছাড়াও স্থানীয় একটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে উন্নত মানের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ। একই দিনে সাধারণ মানুষের জন্য দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাটিরাঙ্গা জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ খান, পিএসসি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময়ই সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমরা চাই, প্রতিটি পরিবার যেন সমানভাবে ঈদ ও বিজুর আনন্দ উপভোগ করতে পারে।

অনুষ্ঠানে মাটিরাঙ্গা জোনের পদস্থ সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সেনাবাহিনীর এমন সময়োপযোগী ও মানবিক উদ্যোগ পাহাড়ে সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।