শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

সেনাবাহিনী সবসময়ই সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে: কর্নেল মাসুদ খান

১৫

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব ‘বিজু’ উপলক্ষে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে মাটিরাঙ্গা জোন সদরে এক মানবিক সহায়তা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

গুইমারা রিজিয়নের অধীন ১৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি (মাটিরাঙ্গা জোন) এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্থানীয় দুস্থ ও অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে ঈদ ও বিজুর উপহার সামগ্রী বিতরণ করে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য ও অন্যান্য সামগ্রী প্রদান করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে: সেমাই, গুঁড়ো দুধ, চিনি, বাদাম, চাল, ডাল ও ভোজ্য তেল। এছাড়াও স্থানীয় একটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে উন্নত মানের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ। একই দিনে সাধারণ মানুষের জন্য দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাটিরাঙ্গা জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ খান, পিএসসি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময়ই সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমরা চাই, প্রতিটি পরিবার যেন সমানভাবে ঈদ ও বিজুর আনন্দ উপভোগ করতে পারে।

অনুষ্ঠানে মাটিরাঙ্গা জোনের পদস্থ সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সেনাবাহিনীর এমন সময়োপযোগী ও মানবিক উদ্যোগ পাহাড়ে সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।