শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

সেনাবাহিনী সবসময়ই সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে: কর্নেল মাসুদ খান

১৪

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥
খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় পবিত্র ঈদুল ফিতর ও পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী সামাজিক উৎসব ‘বিজু’ উপলক্ষে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে মাটিরাঙ্গা জোন সদরে এক মানবিক সহায়তা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

গুইমারা রিজিয়নের অধীন ১৮ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি (মাটিরাঙ্গা জোন) এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্থানীয় দুস্থ ও অসহায় পরিবারগুলোর মাঝে ঈদ ও বিজুর উপহার সামগ্রী বিতরণ করে।

সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে উৎসবের আনন্দ ভাগ করে নিতে প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য ও অন্যান্য সামগ্রী প্রদান করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে: সেমাই, গুঁড়ো দুধ, চিনি, বাদাম, চাল, ডাল ও ভোজ্য তেল। এছাড়াও স্থানীয় একটি স্কুলের শিক্ষার্থীদের মাঝে উন্নত মানের ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণ। একই দিনে সাধারণ মানুষের জন্য দিনব্যাপী বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ প্রদান।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাটিরাঙ্গা জোন কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল মাসুদ খান, পিএসসি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সবসময়ই সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং ধর্মীয় ও সামাজিক উৎসবের আনন্দ সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই আমাদের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমরা চাই, প্রতিটি পরিবার যেন সমানভাবে ঈদ ও বিজুর আনন্দ উপভোগ করতে পারে।

অনুষ্ঠানে মাটিরাঙ্গা জোনের পদস্থ সামরিক কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সেনাবাহিনীর এমন সময়োপযোগী ও মানবিক উদ্যোগ পাহাড়ে সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করবে বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।