শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

বড় আদামের রীমা সংসারের খরচ যোগান দিচ্ছে ফুল বিক্রী করে

২০

॥ দেবদত্ত মুৎসুদ্দী (গোপাল) ॥
ফুলকে ভালোবাসে না এমন মানুষ হয়তো খুবই কম পাওয়া যাবে না। প্রকৃতি ও সৌন্দর্যপিপাসু সখের বসে প্রায় মানুষ তাদের বাড়ির উঠানে বা ছাদে বিভিন্ন টবে ফুল চাষ করে থাকেন। কেউ বা আবার ফুলের গাছ টবে লাগিয়ে বাড়ির ছাদে, জানালার গ্রীলে, বাড়ির সামনের গেইটে রাখেন। কেউ কেউ এই ফুল বিক্রি করেই সংসার চালান।

তাদের মধ্যে রীমা চাকমা (৩৮) একজন। তিনি দু সন্তানের জননী। রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার বড় আদাম এলাকার বাসিন্দা, রীমা চাকমা ঘরের কাজ সহ ২ ছেলের পড়পলেখা দেখাশোনার পাশাপাশি ফুল বিক্রী করতে যায় বড় আদাম এলাকার পাশে বিলাইছড়ী বাজারে। তিনি সংসার চালানোর জন্য এবং একটু সচ্ছলতার আশায় বাজারে এসে মানুষের কাছে ফুল বিক্রি করেই চার সদস্যদের সংসাওে ভরণপোষনের যোগান দিচ্ছেন।

রীমা চাকমা বলেন, কৃষি কাজের পাশাপাশি গত কয়েক বছর ধরে ফুল চাষ করছি বসত বাড়ীর চার পাশে। আমার স্বামী পাহাড় থেকে লাকড়ী কুড়িয়ে বিক্রি করে, কেনাবেচা তেমন ভালো নয়, আমার দুই সন্তান, বড় চেলের বয়স সারে নয় বছর, সে প্রাইমারিতে পড়ে, ছোট ছেলের বয়স পাঁচ বছর সে এখন শিশু শ্রেণীতে পড়ে। তাদের মানুষ করতে গেলে টাকার প্রয়োজন। আমিও ফুল বিক্রি করে পরিবারের খরচ চালাচ্ছি। বসতী জায়গায় সবজি চাষের পাশাপাশি গাদা ফুল জাতের বীজ বাজার থেকে এনে চাষ শুরু করি। এখন ফুল বিক্রি করেই দৈনিক তিন থেকে চার শত টকা লাভ হয়। সে টাকা দিয়ে সংসারের খরচ যোগান দেই।