শিরোনাম
সরকারি মাতামুহুরী কলেজের শিক্ষার্থীদের ৫ দফা দাবিতে ৭২ ঘন্টার আলটিমেটামখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় বন্যাদুর্গত মানুষের জন্য ওএমএসের পন্য বিক্রি শুরুখাগড়াছড়ির রামগড়ে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বিজিবির মানবিক সহায়তারাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে সরকারী নির্দেশ অমান্য করে ঋণের কিস্তি আদায়রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে ৩৮ বোতল দেশীয় কেয়ারু মদ জব্দলামায় জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিতসরকারের প্রধান লক্ষ্য ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা: দীপেন দেওয়ানকফি ও কাজুবাদাম চাষ সম্প্রসারণে আধুনিক প্রযুক্তি প্রয়োগ জরুরিপার্বত্য এলাকার উন্নয়নে সরকারের বিশেষ মনোযোগ রয়েছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালঅবশেষে দুই দিন পর কাপ্তাই হ্রদেই মিলল ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতির মরদেহ

বড় আদামের রীমা সংসারের খরচ যোগান দিচ্ছে ফুল বিক্রী করে

২১

॥ দেবদত্ত মুৎসুদ্দী (গোপাল) ॥
ফুলকে ভালোবাসে না এমন মানুষ হয়তো খুবই কম পাওয়া যাবে না। প্রকৃতি ও সৌন্দর্যপিপাসু সখের বসে প্রায় মানুষ তাদের বাড়ির উঠানে বা ছাদে বিভিন্ন টবে ফুল চাষ করে থাকেন। কেউ বা আবার ফুলের গাছ টবে লাগিয়ে বাড়ির ছাদে, জানালার গ্রীলে, বাড়ির সামনের গেইটে রাখেন। কেউ কেউ এই ফুল বিক্রি করেই সংসার চালান।

তাদের মধ্যে রীমা চাকমা (৩৮) একজন। তিনি দু সন্তানের জননী। রাঙ্গামাটি সদর উপজেলার বড় আদাম এলাকার বাসিন্দা, রীমা চাকমা ঘরের কাজ সহ ২ ছেলের পড়পলেখা দেখাশোনার পাশাপাশি ফুল বিক্রী করতে যায় বড় আদাম এলাকার পাশে বিলাইছড়ী বাজারে। তিনি সংসার চালানোর জন্য এবং একটু সচ্ছলতার আশায় বাজারে এসে মানুষের কাছে ফুল বিক্রি করেই চার সদস্যদের সংসাওে ভরণপোষনের যোগান দিচ্ছেন।

রীমা চাকমা বলেন, কৃষি কাজের পাশাপাশি গত কয়েক বছর ধরে ফুল চাষ করছি বসত বাড়ীর চার পাশে। আমার স্বামী পাহাড় থেকে লাকড়ী কুড়িয়ে বিক্রি করে, কেনাবেচা তেমন ভালো নয়, আমার দুই সন্তান, বড় চেলের বয়স সারে নয় বছর, সে প্রাইমারিতে পড়ে, ছোট ছেলের বয়স পাঁচ বছর সে এখন শিশু শ্রেণীতে পড়ে। তাদের মানুষ করতে গেলে টাকার প্রয়োজন। আমিও ফুল বিক্রি করে পরিবারের খরচ চালাচ্ছি। বসতী জায়গায় সবজি চাষের পাশাপাশি গাদা ফুল জাতের বীজ বাজার থেকে এনে চাষ শুরু করি। এখন ফুল বিক্রি করেই দৈনিক তিন থেকে চার শত টকা লাভ হয়। সে টাকা দিয়ে সংসারের খরচ যোগান দেই।