শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

রাঙ্গামাটির লংগদুতে ৩৫ কাঠুরিয়া হত্যার বিচারের দাবীতে আলোচনাসভা

৯

॥ লংগদু উপজেলা প্রতিনিধি ॥
পাকুয়াখালি গনহত্যার বিচারের দাবিতে এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পুনর্বাসন ও প্রতি পরিবার থেকে একজনকে সরকারি চাকরি প্রদানের জন্য পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ (পিসিসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যােগে র‍্যালী ও আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯সেপ্টেম্বর) সকালে লংগদু লঞ্চ ঘাট থেকে র‍্যালী বের করে গণকবরের সামনে নিহতদের কবর জিয়ারত দোয়া মোনাজাত করা হয়। পরে উপজেলা পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়।শোক সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম ছাত্র পরিষদ পাকুয়াখালী গনহত্যার দিবস উদযাপন কমিটির আহবায়ক আসিফ ইকবালের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব সুমন তালুকদারের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন কায়েস।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পিসিসিপি কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক রাসেল মাহমুদ, পার্বত্য বাঙালি ছাত্র পরিষদ রাঙ্গামাটি জেলার সাবেক সভাপতি মোঃ আলমগীর হোসেন, চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি গিয়াস উদ্দীন, লংগদু উপজেলা স্বেক সভাপতি মোঃ দেলোয়ার হোসেনসহ জেলা ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং নিহত পরিবারের সদস্যরা।

শোক সভায় পিসিসিপি’র নেতৃবৃন্দরা বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের রাঙ্গামাটি জেলার লংগদু উপজেলার পাকুয়াখালি গনহত্যার নির্মম এক ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে আজও বেঁচে আছেন একজন ইউনুস মিয়া। ৩৫ কাঠুরিয়াকে তৎকালীন শান্তিবাহিনী নৃশংস নির্যাতন করে নির্মমভাবে হত্যা করে। মোট ৩৬ পরিবারের মধ্যে ৩৫ জন নিরস্ত্র বাঙালি কাঠুরিয়াকে নির্মমভাবে টুকরো টুকরো করেছিলো সেদিন। একমাত্র বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি মোহাম্মদ ইউনুস মিয়া, তিনি কৌশলে পালিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছিলেন। তার বেঁচে ফেরার মাধ্যমে এই নির্মম হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন হয়েছিলো।

ঘটনার পর বাংলাদেশ সরকার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেই তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন আজও জনসম্মুখে আসেনি। বেঁচে থাকা ইউনুস মিয়াও একটি মামলা দায়ের করেন। তিনি নিজে সেই হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী স্বাক্ষী ছিলেন। স্বাক্ষী থাকা সত্ত্বেও গত ২৯ বছরে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের কোনো বিচার হয়নি। বেঁচে ফেরা ইউনুস মিয়াও বিচারের আশা ছেড়ে দিয়েছেন। যে ৩৫ জন কাঠুরিয়া এই নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন, তাদের পরিবার কাঁদছে ২৯ বছর ধরে। কারণ দেশের আইন-আদালত কোনো বিচার এনে দিতে পারেনি। তার পরও ইউনুস মিয়া স্বপ্ন দেখে একদিন এ জঘন্য হত্যাকান্ডের বিচার হয়তো করবে সরকার।