শিরোনাম
নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রামগড়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের পুরস্কার প্রদানরামগড় স্থলবন্দর অবকাঠামো পরিদর্শনে বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি দলরাঙ্গামাটি জেলা পরিষদের সাবেক সদস্য প্রকৌশলী রুবায়েত আর নেইবান্দরবানের লামায় বজ্রপাতে শিশু সহ নিহত ২, আহতকাপ্তাইয়ে ইসলামিক সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণসংবিধানের মূলনীতি অনুযায়ী সব নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান: সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাইঐতিহ্যবাহী শিল্পচর্চায় তরুণ প্রজন্মকে সম্পৃক্ত করা জরুরি: সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাইকাপ্তাই শিল্প এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক এ চুরিবান্দরবানের লামায় মৌচাক এর ৩২তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও নির্বাচন অনুষ্ঠিতমানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী

বাঘাইছড়িতে জেন্ডার ভিত্তিক জনসচেতনতা কার্যক্রম সভা অনুষ্ঠিত

১২

‎‎॥ বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি ॥
‎‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বাংলাদেশ পুলিশ, বাঘাইছড়ি থানার আয়োজনে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা ও ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারের পরিষেবা বিষয়ক জনসচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
‎
‎মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকায় উপজেলা মিলনায়তন কক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বাঘাইছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি সার্কেল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মাহামুদুল হাসান।
‎
‎এসময় বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন বাবু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ওমর আলী, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ জাবেদুল আলম, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ রহমত উল্লাহ খাঁজা। এছাড়াও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য, নারী নেত্রী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
‎
‎অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও ভিক্টিম সাপোর্ট আমাদের সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা শুধু কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ নয়, বরং এটি গোটা সমাজ ও জাতির অগ্রযাত্রার অন্তরায়। নারী, শিশু বা পুরুষ—যে কেউ এর শিকার হতে পারে। বিশেষ করে আমাদের নারীরা ও কন্যাশিশুরা প্রায়শই এই সহিংসতার শিকার হয়ে থাকে।
‎
‎এসময় বক্তারা আরো বলেন, সহিংসতা প্রতিরোধের জন্য সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সচেতনতা। আমরা যদি পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র ও সমাজে পরস্পরের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে পারি, তবে এ ধরনের সহিংসতা অনেকাংশে কমে যাবে। যারা ইতিমধ্যে সহিংসতার শিকার হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানোও আমাদের দায়িত্ব। ভিক্টিমদের সহায়তা, মানসিক সমর্থন, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এজন্য সরকার, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্বাস্থ্যকর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সর্বোপরি সাধারণ জনগণকে একসাথে কাজ করতে হবে।