শিরোনাম
খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে পাহাড় কাটার স্থান পরিদর্শনে তদন্ত কমিটিপার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় উৎসবগুলো আমাদের ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়লংগদুতে বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনালংগদুতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিতবর্ণিল আয়োজনে কাপ্তাইয়ে বৈশাখ বরণ, শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানহাসপাতাল নিজেই মাটির সাথে ল্যাপ্টে পড়ে আছে, সেবা বঞ্চিত ২০ হাজার মানুষখাগড়াছড়ির দিঘীনালায় বর্ষবরণ উপলক্ষে বৈশাখী’র আনন্দ শোভাযাত্রাপাহাড়ি ও বাঙালির সম্মিলিত অংশগ্রহণ সত্যিই প্রশংসনীয়: ব্রিগেডিয়ার নুরুল আমিনরাঙ্গামাটিতে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠির বৈসু উৎসবে নদীতে ভাসানো হয়েছে ফুলবাঘাইছড়ির বাঘাইহাটস্থ এতিমখানায় সেনাবাহিনীর খাদ্যদ্রব্য বিতরণ

বাঘাইছড়িতে জেন্ডার ভিত্তিক জনসচেতনতা কার্যক্রম সভা অনুষ্ঠিত

‎‎॥ বাঘাইছড়ি উপজেলা প্রতিনিধি ॥
‎‎রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়িতে বাংলাদেশ পুলিশ, বাঘাইছড়ি থানার আয়োজনে জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা ও ভিক্টিম সাপোর্ট সেন্টারের পরিষেবা বিষয়ক জনসচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১ ঘটিকায় উপজেলা মিলনায়তন কক্ষে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে বাঘাইছড়ি থানা অফিসার ইনচার্জ মোঃ হুমায়ুন কবিরের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি সার্কেল সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মাহামুদুল হাসান।

‎এসময় বিশেষ অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বাঘাইছড়ি পৌর বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব নিজাম উদ্দিন বাবু, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ ওমর আলী, উপজেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ জাবেদুল আলম, পৌর বিএনপির সাধারন সম্পাদক মোঃ রহমত উল্লাহ খাঁজা। এছাড়াও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর সদস্য, নারী নেত্রী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি সহ সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

‎অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ ও ভিক্টিম সাপোর্ট আমাদের সমাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। জেন্ডার ভিত্তিক সহিংসতা শুধু কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অপরাধ নয়, বরং এটি গোটা সমাজ ও জাতির অগ্রযাত্রার অন্তরায়। নারী, শিশু বা পুরুষ—যে কেউ এর শিকার হতে পারে। বিশেষ করে আমাদের নারীরা ও কন্যাশিশুরা প্রায়শই এই সহিংসতার শিকার হয়ে থাকে।

‎এসময় বক্তারা আরো বলেন, সহিংসতা প্রতিরোধের জন্য সবচেয়ে বড় শক্তি হলো সচেতনতা। আমরা যদি পরিবার থেকে শুরু করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র ও সমাজে পরস্পরের প্রতি সম্মান, ভালোবাসা ও সহযোগিতার মনোভাব গড়ে তুলতে পারি, তবে এ ধরনের সহিংসতা অনেকাংশে কমে যাবে। যারা ইতিমধ্যে সহিংসতার শিকার হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানোও আমাদের দায়িত্ব। ভিক্টিমদের সহায়তা, মানসিক সমর্থন, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। এজন্য সরকার, প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী, স্বাস্থ্যকর্মী, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং সর্বোপরি সাধারণ জনগণকে একসাথে কাজ করতে হবে।