শিরোনাম
খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে পাহাড় কাটার স্থান পরিদর্শনে তদন্ত কমিটিপার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় উৎসবগুলো আমাদের ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়লংগদুতে বায়তুশ শরফ মাদ্রাসার দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনালংগদুতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ ও বিজ্ঞান মেলা অনুষ্ঠিতবর্ণিল আয়োজনে কাপ্তাইয়ে বৈশাখ বরণ, শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানহাসপাতাল নিজেই মাটির সাথে ল্যাপ্টে পড়ে আছে, সেবা বঞ্চিত ২০ হাজার মানুষখাগড়াছড়ির দিঘীনালায় বর্ষবরণ উপলক্ষে বৈশাখী’র আনন্দ শোভাযাত্রাপাহাড়ি ও বাঙালির সম্মিলিত অংশগ্রহণ সত্যিই প্রশংসনীয়: ব্রিগেডিয়ার নুরুল আমিনরাঙ্গামাটিতে ত্রিপুরা জনগোষ্ঠির বৈসু উৎসবে নদীতে ভাসানো হয়েছে ফুলবাঘাইছড়ির বাঘাইহাটস্থ এতিমখানায় সেনাবাহিনীর খাদ্যদ্রব্য বিতরণ

বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে সরকার বিহার নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
অহিংসা পরম ধর্ম গৌতম বুদ্ধের মর্মবাণী আত্নবিশ^াস রেখে পালন করছেন বৌদ্ধ ধর্ম। খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমা দীঘিনালা উপজেলায় বৌদ্ধ বিহার ও শিক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন উপলক্ষে মতবিনিময় সভা করা হয়েছে।

সোমবার (৭জুন) সকালে খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় কয়েটি বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন শেষে দীঘিনালা ইউনিয়নের বাঘাইছড়িস্থ জ্ঞানাংকুর বৌদ্ধ বিহার ও শিক্ষাকেন্দ্র পরিচালনা কমিটির আয়োজনে মতবিনিমিয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমা দীঘিনালা উপজেলায় বৌদ্ধ বিহার ও শিক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। জ্ঞানাংকুর বৌদ্ধ বিহারের সধারন সম্পাদক শাক্যমুনি চাকমার সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন চাঙমা সাংস্কৃতিক শিল্পী গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আনন্দ মোহন চাকমা, দীপু লাক্ষ্য চাকমা, দীঘিনালা উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান ধর্মজ্যোতি চাকমা প্রমূখ।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমা বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠি পাহাড়ে বসাবাস করছে। সারাদেশে ৩হাজার ৪টি বিহার রয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলের দূর্গম এলাকায় বৌদ্ধ বিহার গুলো জরাজীর্ণ সংস্কার করতে হবে। প্যাগোডা ভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে অহিংসা পরম ধর্ম গৌতম বুদ্ধের বানী প্রচার করে বিহারে শিশুদের মাঝে ত্রিপিটক শিক্ষা দিতে হবে। প্রত্যক উপজেলায় বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন বৌদ্ধ বিহার নিমার্ণ প্রকল্প সরকার হাতে নিয়েছে।