শিরোনাম
সেনাবাহিনীর সহযেগীতায় রোয়াংছড়ির দুর্গম লুংলেই পাড়ায় মিটল পানির সংকটখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিকতায় দুঃস্থরা সুস্থ থাকতে ঔষুধ পেয়েছেনবৈষম্য নয়, তামাশাও নয় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে দ্রুত নতুন পরিষদ চায় পার্বত্যবাসীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে এবার জব্দ করা হলো প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাপ্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালবান্দরবনের লামার ফাইতংয়ে দুই বোনের ভূমি জালিয়াতিতে অতিষ্ঠ এলাকার মানুষ !খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনজুলাইয়ের চেতনায় বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ার আহ্বানজাতীয়তাবাদী দল জনগণের লক্ষ্য বাস্তবায়নেই কাজ করে যাচ্ছে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে সরকার বিহার নির্মাণ প্রকল্প হাতে নিয়েছে

১০

॥ মোঃ সোহেল রানা, দীঘিনালা ॥
অহিংসা পরম ধর্ম গৌতম বুদ্ধের মর্মবাণী আত্নবিশ^াস রেখে পালন করছেন বৌদ্ধ ধর্ম। খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমা দীঘিনালা উপজেলায় বৌদ্ধ বিহার ও শিক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন উপলক্ষে মতবিনিময় সভা করা হয়েছে।

সোমবার (৭জুন) সকালে খাগড়াছড়ি দীঘিনালায় কয়েটি বৌদ্ধ বিহার পরিদর্শন শেষে দীঘিনালা ইউনিয়নের বাঘাইছড়িস্থ জ্ঞানাংকুর বৌদ্ধ বিহার ও শিক্ষাকেন্দ্র পরিচালনা কমিটির আয়োজনে মতবিনিমিয় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমা দীঘিনালা উপজেলায় বৌদ্ধ বিহার ও শিক্ষা কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যোগ দেন। জ্ঞানাংকুর বৌদ্ধ বিহারের সধারন সম্পাদক শাক্যমুনি চাকমার সঞ্চালনায় এতে বক্তব্য রাখেন চাঙমা সাংস্কৃতিক শিল্পী গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক আনন্দ মোহন চাকমা, দীপু লাক্ষ্য চাকমা, দীঘিনালা উপজেলা সাবেক চেয়ারম্যান ধর্মজ্যোতি চাকমা প্রমূখ।

মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ভাইস চেয়ারম্যান ভবেশ চাকমা বলেন, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রেখে বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠি পাহাড়ে বসাবাস করছে। সারাদেশে ৩হাজার ৪টি বিহার রয়েছে। পার্বত্য অঞ্চলের দূর্গম এলাকায় বৌদ্ধ বিহার গুলো জরাজীর্ণ সংস্কার করতে হবে। প্যাগোডা ভিত্তিক ধর্মীয় শিক্ষা কেন্দ্রের মাধ্যমে অহিংসা পরম ধর্ম গৌতম বুদ্ধের বানী প্রচার করে বিহারে শিশুদের মাঝে ত্রিপিটক শিক্ষা দিতে হবে। প্রত্যক উপজেলায় বৌদ্ধ ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের মাধ্যমে দৃষ্টিনন্দন বৌদ্ধ বিহার নিমার্ণ প্রকল্প সরকার হাতে নিয়েছে।