শিরোনাম
রাঙ্গামাটির লংগদুতে সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চক্ষু ক্যাম্প পরিচালিতগণঅভ্যুত্থানে নৃশংসতার বিচার ট্রাইব্যুনালে নয়, প্রচলিত আইনেই হবে: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির রামগড়ে মাদকবিরোধী ম্যারাথন দৌড়ে তিনশত জনের অংশ গ্রহনসড়ক দূর্ঘটনায় কাপ্তাই-এ ইউপি সদস্যের ছেলে নিহতসেনাবাহিনীর সহযেগীতায় রোয়াংছড়ির দুর্গম লুংলেই পাড়ায় মিটল পানির সংকটখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় সেনাবাহিনীর মানবিকতায় দুঃস্থরা সুস্থ থাকতে ঔষুধ পেয়েছেনবৈষম্য নয়, তামাশাও নয় পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোতে দ্রুত নতুন পরিষদ চায় পার্বত্যবাসীবান্দরবনের নাইক্ষ্যংছড়িতে এবার জব্দ করা হলো প্রায় ৯০ হাজার ইয়াবাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনাপ্রত্যেক অপরাধীর বিচার এই দেশেই নিশ্চিত করা হবে ইনশাআল্লাহ: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল

জোন কমান্ডার’স কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন মাটিরাঙ্গা বয়েজ ফুটবল একাদশ

৫০

॥ মোঃ আবুল হাসেম, মাটিরাঙ্গা ॥

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় ১৫ ফিল্ড রেজিমেন্ট আর্টিলারি, মাটিরাঙ্গা জোন কর্তৃক জোন কমান্ডার’স কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার ১০ জুলাই, সকালের দিকে মাটিরাঙ্গা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত ফাইনাল ম্যাচে গুইমারা সদর ইউনিয়ন ফুটবল একাদশ কে ২-১ গোলে হারিয়ে মাটিরাঙ্গা বয়েজ ফুটবল একাদশ বিজয়ী হয়।

শান্তি, সম্প্রীতি ও উন্নয়ন এ শ্লোগানকে সামনে রেখে যুব সমাজকে মাদক থেকে দূরে রেখে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহী করতে এ টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়।

এদিকে, একই দিনে মাটিরাঙ্গা জোন কর্তৃক বিশেষ মানবিক সহায়তার অংশ হিসেবে মাটিরাঙ্গা জোনের আওতাধীন নতুনপাড়া এলাকায় ৪১৮ জন পাহাড়ি উপজাতি নারী পুরুষ এবং ২৭৯ জন বাঙালী নারী ও পুরুষসহ সর্বমোট ৬৯৭ জনসাধারণের মাঝে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ও ঔষধ প্রদান করা হয়।

মাটিরাঙ্গা জোনের মেডিক্যাল অফিসার ক্যাপ্টেন মোঃ মুঈদ-উল করিম চৌধুরী চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন।

তাছাড়া, ডেঙ্গু ও ম্যালেরিয়া প্রতিরোধ কর্মসূচির আওতায় মাটিরাঙ্গা জোন সদর সহ মাটিরাঙ্গা জোনের অর্ন্তগত সকল ক্যাম্পসমূহের আওতাধীন প্রত্যন্ত অঞ্চলে পাহাড়ী ও বাঙ্গালীদের মাঝে বিনামূল্যে ৩৫০ টি মশারি বিতরণ করা হয়। যার আনুমানিক বাজার মূল্য ১ লাখ ২২ হাজার ৫শত টাকা।

মাটিরাঙ্গা জোনের অধিনায়ক লে: কর্ণেল মোঃ কামরুল হাসান পিএসসি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী শুরু থেকে বিভিন্ন মানবেতর চাহিদা পরিপূরণের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে আছে। তেমনিভাবে মানুষের একমাত্র সঠিক আস্থাভাজন এবং গৌরবের প্রতীক হিসাবে ভবিষতেও এই ধারা অব্যহত রাখবে।