শিরোনাম
অবহেলিত জনপদের শিক্ষাগুরু এঁর ৩৩ বছরের কর্মজীবন শেষে চোখের জ্বলে বিদায়রাঙ্গামাটি হাসপাতালে এবার চোখের চিকিৎসায় অস্ত্রোপচার কার্যক্রমের উদ্ভোধনফটোস্ট্যাট দোকানে ল্যাপটপ নিয়ে অনলাইন ভূমি সেবাকে নিরুৎসাহিত করুন: ভুমি প্রতিমন্ত্রীখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে চলেছে পাহাড় খেকোদের দৌরাত্ম্য, অভিযানে দুটি গাড়ি জব্দলংগদুতে এ্যাম্বুলেন্সের চালক এর অবহেলায় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগদীঘিনালায় বিজু মেলা উদযাপনে জোনের আর্থিক অনুদান প্রদানআতংকের নাম ‘তুইল্লার পাহাড়’ লামায় সেনা কর্মকতা হত্যা, প্রয়োজন যৌথবাহিনীর অভিাযানবান্দরবনের রোয়াংছড়িতে জলবায়ু সহনশীলতা ও নারীর ক্ষমতায়ন সভাখাগড়াছড়ির রামগড় স্বাস্থ্য কমপ্লক্সের চিকিৎসক বিজয় এর হামলায় সহকর্মী আহতহালদা নদীর মানিকছড়ি অংশে বাঁধ নির্মাণ ত্রিপাল জব্দ করেছে মৎস্য প্রশাসন

দ্বিতীয় পর্যায়ে খাগড়াছড়িতে দুইটি মডেল মসজিদ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

৪৫

॥ খাগড়াছড়ি জেলা প্রতিনিধি ॥

খাগড়াছড়ি জেলা সদরে একটি ও মানিকছড়িতে একটি মোট দুইটি দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

সোমবার (১৬ জানুয়ারি) সকালে গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এ মডেল মসজিদ উদ্বোধন করেন তিনি। এর আগে তিনি ভাষণ দেন। ভাষণে ইসলামের কল্যাণে আওয়ামী লীগ সরকারের নেওয়া নানা পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসক মোঃ সহিদুজ্জামান, পুলিশ সুপার মো: নাইমুল হক পিপিএম, খাগড়াছড়ি গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আনোয়ারুল আজীম, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মোঃ শাহজালাল, খাগড়াছড়ি রিজিয়নের ক্যাপ্টেন সালমান, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ শানে আলম, খাগড়াছড়ি প্রেসক্লাব সভাপতি জীতেন বড়ুয়া, প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার এস অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা, মোঃ সেলিমসহ, সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরে কর্মকর্তাবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি ও মুসলিবৃন্দসহ অনেকেই।
জানা গেছে, ধর্ম মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের যৌথ উদ্যোগে এ মসজিদ ও ইসলামী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের নির্মাণকাজ বাস্তবায়ন করেছে সরকারের গণপূর্ত অধিদপ্তর। জেলা সদরে শালবন এলাকায় ৪০ শতাংশ জায়গার ওপর নির্মাণ করা হয়েছে অত্যাধুনিক তিনতলার দৃষ্টিনন্দন মডেল মসজিদ। মডেল এ মসজিদ নির্মাণে ব্যয় হয়েছে প্রায় ১২ কোটি টাকা।

খাগড়াছড়ি গণপূর্ত বিভাগ সূত্র জানান, মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক এ কেন্দ্রে নারী ও পুরুষদের জন্য পৃথক পৃথক অজু ও নামাজ আদায়ের সুবিধা রয়েছে। এছাড়া লাইব্রেরি, গবেষণা ও দ্বীনি দাওয়া কার্যক্রম, পবিত্র কোরআন হেফাজ, শিশুশিক্ষা, অতিথিশালা, বিদেশি পর্যটকদের আবাসন, মৃতদেহ গোসলের ব্যবস্থা, হজযাত্রীদের নিবন্ধন, প্রশিক্ষণ ও ইমামদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা।

ইমাম ও মুয়াজ্জিনের আবাসনসহ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য অফিসের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। এ মডেল মসজিদে একসঙ্গে ৯শত মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন বলে জানা যায়।