শিরোনাম
মানবিক মূল্যবোধের বিকাশেই একটি উন্নত ও শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে ওঠে: মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীখাগড়াছড়ির পানছড়িতে সড়ক দুর্ঘটনায় শিশুর মৃত্যু, বিজিবি’র সদস্য আহতবান্দরবানের লামায় ৬ কোটি ৩০ লাখ টাকার এলজিইডি’র সড়কের উন্নয়ন কাজ ব্যাপক অনিয়মে ?দুর্গম পাহাড়ে বঞ্চিত বহু মানুষের চিকিৎসা সেবায় মাটিরাঙ্গা সেনা জোনবাঘাইছড়িতে সেনা জোনের উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ঔষধ প্রদানবান্দরবানের লামায় কৃষক পরিবারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভুয়া তথ্য প্রচারের অভিযোগরাঙ্গামাটিতে দূর্গাপ্রতিমা বিসর্জন হলো সনাতন ধর্মাবলম্বী ও ভক্ত অনুরাগীদের অশ্রুনয়নেকাপ্তাই বাঁশকেন্দ্র জামে মসজিদটি পূর্ণ সংস্কার করে দেওয়া হোকখাগড়াছড়ির রামগড়ে পুজামন্ডপ পরিদর্শনে ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপিদুর্গাপূজা উপলক্ষে রামগড়ে ৫০ অসহায় নারীকে শাড়ি প্রদান

রাঙ্গামাটিতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে বই বিতরণ

১২৩

॥ পলাশ চাকমা ॥

সারাদেশের মতো রাঙ্গামাটিতেও প্রাথমিক, মাধ্যমিক স্কুলে বই বিতরণ করা হয়েছে । রবিবার (১ জানুয়ারি) সকালে রাঙ্গামাটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ও রানী দয়াময় উচ্চ বিদ্যালয়ের বই বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, রাঙ্গামাটি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাসরিন সুলতানা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মৃদুল কান্তি তালুকদার সহ শিক্ষক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

রাঙ্গামাটির সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত পাঠ্য পুস্তক বিতরণ উৎসবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে স্কুল প্রাঙ্গণ।

প্রধান অথিতি রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন,নতুন বছরে প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে পেরে আনন্দিত। নতুন বছরে বই দিতে পাড়ায় প্রধানমন্ত্রীকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানাই।

এদিকে রাঙ্গামাটি বনরুপা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী। এ সময় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, রাঙ্গামাটির ১০ উপজেলায় প্রথম থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ৮৯ হাজার ১৫০ জন শিক্ষার্থী, ৩লাখ ৭৬ হাজার ৫২৯ বই পাবে এবং জেলার ১০ উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ে ১৪০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সর্বমোট ৩ লাখ ৬০ হাজার ৩৫১টি বই বিতরণ করা হবে।

অপরদিকে, পাহাড়ে এ বছর প্রাথমিক পর্যায়ে শিশু শ্রেণি ও প্রথম শ্রেণির ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৬৭ হাজার শিক্ষার্থীর হাতে মাতৃভাষায় রচিত বই তুলে দেওয়া হয়। এতে করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বইয়ের মধ্যে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ভাষায় রচিত বইগুলো আকর্ষণীয় হওয়ায় শিশুরা পড়ালেখায় অনেক আগ্রহী হয়ে উঠবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।