শিরোনাম
বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির হাঙ্গরঘোনায় বিপুল পরিমাণ পরিত্যক্ত ইয়াবা উদ্ধারপ্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ তিনি কৃতজ্ঞতায় আবদ্ধ করলেন বান্দরবানবাসীকেবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে স্থলমাইন বিস্ফোরণে যুবক নিহতবান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ইয়াবা, গাঁজা সহ আটক-১মাটিরাঙ্গায় মাদ্রাসা-এতিমখানা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বিজিবি’র সহায়তা৩ ঘণ্টার বৃষ্টিতে খাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শতাধিক পরিবার ঘরছাড়াযেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সমন্বয় জরুরি: লোগাং জোন কমান্ডারকাপ্তাই অটোরিকশা শ্রমিক ইউনিয়নের ত্রি-বার্ষিক নির্বাচন, চলছে প্রচারপরিশ্রান্ত বিএনপি’র সভাপতি দীপন তালুকদারকে স্বার্থক ও সম্মান করলো প্রধানমন্ত্রীখাগড়াছড়ির দীঘিনালা প্লাবিত সাজেক-লংগদু-সড়ক যোগাযোগ বন্ধ

রাঙ্গামাটিতে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলে বই বিতরণ

১২৩

॥ পলাশ চাকমা ॥

সারাদেশের মতো রাঙ্গামাটিতেও প্রাথমিক, মাধ্যমিক স্কুলে বই বিতরণ করা হয়েছে । রবিবার (১ জানুয়ারি) সকালে রাঙ্গামাটি সরকারী উচ্চ বিদ্যালয় ও রানী দয়াময় উচ্চ বিদ্যালয়ের বই বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, রাঙ্গামাটি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাসরিন সুলতানা, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মৃদুল কান্তি তালুকদার সহ শিক্ষক, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

রাঙ্গামাটির সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আয়োজিত পাঠ্য পুস্তক বিতরণ উৎসবে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠে স্কুল প্রাঙ্গণ।

প্রধান অথিতি রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন,নতুন বছরে প্রথম দিনে শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন বই তুলে দিতে পেরে আনন্দিত। নতুন বছরে বই দিতে পাড়ায় প্রধানমন্ত্রীকে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা জানাই।

এদিকে রাঙ্গামাটি বনরুপা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের হাতে নতুন বই তুলে দেন জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী। এ সময় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সাজ্জাদ হোসেন সহ অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়, রাঙ্গামাটির ১০ উপজেলায় প্রথম থেকে ৫ম শ্রেণী পর্যন্ত ৮৯ হাজার ১৫০ জন শিক্ষার্থী, ৩লাখ ৭৬ হাজার ৫২৯ বই পাবে এবং জেলার ১০ উপজেলার মাধ্যমিক পর্যায়ে ১৪০টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে সর্বমোট ৩ লাখ ৬০ হাজার ৩৫১টি বই বিতরণ করা হবে।

অপরদিকে, পাহাড়ে এ বছর প্রাথমিক পর্যায়ে শিশু শ্রেণি ও প্রথম শ্রেণির ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ৬৭ হাজার শিক্ষার্থীর হাতে মাতৃভাষায় রচিত বই তুলে দেওয়া হয়। এতে করে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর বইয়ের মধ্যে চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর ভাষায় রচিত বইগুলো আকর্ষণীয় হওয়ায় শিশুরা পড়ালেখায় অনেক আগ্রহী হয়ে উঠবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।