শিরোনাম
চীনের বন্ধুত্বপূর্ণ সহযোগিতা বাংলাদেশের সাথে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করবে: প্রতিন্ত্রী মীর হেলালখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় মিষ্টি উৎপাদন প্রতিষ্ঠান মাতৃভান্ডারকে জরিমানাস্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা ও খাদ্য সহায়তায় সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি মাটিরাঙ্গা সেনা জোনেরখাগড়াছড়ির দীঘিনালায় শিক্ষার্থীদের মাঝে জোনের শিক্ষা সামগ্রী বিতরণলামায় কৃষিপণ্য মার্কেটিং চ্যালেঞ্জ সমাধানে করণীয় বিষয়ক এ্যাডভোকেসী সভাজনগণের ভোগান্তি কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না: ভুমি প্রতিমন্ত্রীকাপ্তাইয়ে সাংবাদিকদের নিয়ে জেন্ডার বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিতপার্বত্য মন্ত্রী দীপেন দেওয়ানের পদত্যাগ, রাজনীতিতে ও উন্নয়নে হতাশ রাঙ্গামাটিবাসীওবান্দরবনের থানচির সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করায় ৪৭ খুমী নাগরিক আটকবন্যপ্রানী সুরক্ষায় কাপ্তাইয়ে প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ

প্রশাসনের উচিৎ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার

রাঙামাটিতে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস : পণ্যের দাম বেড়েছে দেড় থেকে দ্বিগুণ

৭৫

॥ মোঃ আরিফুর রহমান ॥

রাঙামাটিতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যে বৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস ত্রেতাদের। বেগুন, মরিচ, শষা, লেবুসহ বেড়েছে সব ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। মূল্য বৃদ্ধি মানুষের দুর্ভোগের মাত্রাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। বাজরে গিয়ে পণ্যমূল্যের সাথে সামঞ্জস্য না হওয়াই নির্ধারিত পরিমাণের থেকে কম পণ্য কিনে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে অনেককেই। এসব দেখেও বাজার প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

শহরের বনরুপা, তবলছড়ি, রিজার্ভ বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানের আগের দিনও যেটির দাম ৩০ টাকা ছিল এখন তার দাম বেড়েছে দেড় থেকে দ্বিগুণ। পবিত্র রমজানকে ঘিরে শষা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজিতে অথচ ২দিন আগের দাম ছিল ৩০ টাকা , বেগুন ২০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০টাকা, লেবুর হালি ৬০ টাকা, মরিচের কেজি ১০০ টাকা, ফলের মধ্যে আপেল ও মাল্টা ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা কেজি, ২৫০ টাকার তরমুজ ৪০০-৪৫০ টাকা।

বনরুপা বাজারে পণ্য কিনতে আসা মোঃ আনিস জানান, সারা বিশ্বে রমজান মাসে দাম কমার রীতি থাকলেও আমাদেও দেশে উল্টো চিত্র। রমজান শুরু হয়েছে কিন্তু বাজার দাম কমেনি বরং কয়েকগুণ বেড়েছে । এভাবে চলতে থাকলে আমরা চলবো কি করে। পবিত্র রমজান মাসে দাম কমানো দরকার , তাই প্রশাসনের উচিৎ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা।

তবলছড়ি বাজারে নুর মোহাম্মদ জানান, একটি তরমুজ যেটি ২দিন আগেও ২৫০টাকা দিয়ে কিনেছিলাম আজকে তা ৫০০ টাকা দাম হাঁকাচ্ছে। আমাদের যা ইনকাম তাতে না নিয়েই চলে যেতে হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা আবুল হোসেন জানান, প্রতিবছরই রমজানের শুরুতেই কিছু জিনিসের দাম বেড়ে যায়। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে দাম আবার কমে যাবে। কারণ এখন রমজান মাস, চাহিদা বেশি থাকায় এবং বাজারে আমদানি কম হওয়ায় প্রায় সব সবজির দাম বেড়ে গেছে।

মুদি বিক্রেতা ওসমান জানান, ছোলার দাম বাড়েনি, পেয়াজের দাম কমেছে। মোটামুটি সব জিনিসের দাম স্বাভাবিকই রয়েছে। নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসার ফলে সরবরাহ বেশী থাকায় হয়তো আরো দু-এক টাকা কমতে পারে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে রমজানের সময় নিত্যপণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে বাজারে তদারকি ও নজরদারিতেও রয়েছে গাফিলতি। পণ্য আমদানি, মজুত ও সরবরাহের পরিমাণ চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান সাধারণ ক্রেতারা।