শিরোনাম
পাহাড়ের বিলুপ্তপ্রায় সংস্কৃতি রক্ষায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সজাগ থাকতে হবে: পার্বত্য মন্ত্রীকাপ্তাইয়ে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা শুরুজিয়াউর রহমান-ই পার্বত্য চট্টগ্রামের সমস্যা সমাধানে রূপরেখা তৈরি করেছিলেন: মীর হেলালআর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনালংগদু উত্তর ইয়ারাংছড়ি সেনামৈত্রী উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায়বান্দরবনের লামায় মাতামুহুরী নদীতে নিখোঁজ পর্যটকের লাশ ৬ ঘন্টা পর উদ্ধারমানিকছড়ির সিন্দুকছড়ি সেনা জোনের বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও মেডিকেল ক্যাম্পেইনকাপ্তাই শহীদ শামসুদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী বিদায় সংবর্ধনাখাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে পাহাড় কাটার স্থান পরিদর্শনে তদন্ত কমিটিপার্বত্য অঞ্চলের বৈচিত্র্যময় উৎসবগুলো আমাদের ঐতিহ্য, রীতিনীতি ও সাংস্কৃতিক পরিচয়

প্রশাসনের উচিৎ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনার

রাঙামাটিতে ক্রেতাদের নাভিশ্বাস : পণ্যের দাম বেড়েছে দেড় থেকে দ্বিগুণ

৭৫

॥ মোঃ আরিফুর রহমান ॥

রাঙামাটিতে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যে বৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস ত্রেতাদের। বেগুন, মরিচ, শষা, লেবুসহ বেড়েছে সব ধরনের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। মূল্য বৃদ্ধি মানুষের দুর্ভোগের মাত্রাকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে বলে অভিযোগ ক্রেতাদের। বাজরে গিয়ে পণ্যমূল্যের সাথে সামঞ্জস্য না হওয়াই নির্ধারিত পরিমাণের থেকে কম পণ্য কিনে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে অনেককেই। এসব দেখেও বাজার প্রশাসন নীরব ভূমিকা পালন করছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

শহরের বনরুপা, তবলছড়ি, রিজার্ভ বাজার ঘুরে দেখা যায়, রমজানের আগের দিনও যেটির দাম ৩০ টাকা ছিল এখন তার দাম বেড়েছে দেড় থেকে দ্বিগুণ। পবিত্র রমজানকে ঘিরে শষা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা কেজিতে অথচ ২দিন আগের দাম ছিল ৩০ টাকা , বেগুন ২০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০টাকা, লেবুর হালি ৬০ টাকা, মরিচের কেজি ১০০ টাকা, ফলের মধ্যে আপেল ও মাল্টা ৩০ টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৯০ টাকা কেজি, ২৫০ টাকার তরমুজ ৪০০-৪৫০ টাকা।

বনরুপা বাজারে পণ্য কিনতে আসা মোঃ আনিস জানান, সারা বিশ্বে রমজান মাসে দাম কমার রীতি থাকলেও আমাদেও দেশে উল্টো চিত্র। রমজান শুরু হয়েছে কিন্তু বাজার দাম কমেনি বরং কয়েকগুণ বেড়েছে । এভাবে চলতে থাকলে আমরা চলবো কি করে। পবিত্র রমজান মাসে দাম কমানো দরকার , তাই প্রশাসনের উচিৎ ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করা।

তবলছড়ি বাজারে নুর মোহাম্মদ জানান, একটি তরমুজ যেটি ২দিন আগেও ২৫০টাকা দিয়ে কিনেছিলাম আজকে তা ৫০০ টাকা দাম হাঁকাচ্ছে। আমাদের যা ইনকাম তাতে না নিয়েই চলে যেতে হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা আবুল হোসেন জানান, প্রতিবছরই রমজানের শুরুতেই কিছু জিনিসের দাম বেড়ে যায়। সপ্তাহ খানেকের মধ্যে দাম আবার কমে যাবে। কারণ এখন রমজান মাস, চাহিদা বেশি থাকায় এবং বাজারে আমদানি কম হওয়ায় প্রায় সব সবজির দাম বেড়ে গেছে।

মুদি বিক্রেতা ওসমান জানান, ছোলার দাম বাড়েনি, পেয়াজের দাম কমেছে। মোটামুটি সব জিনিসের দাম স্বাভাবিকই রয়েছে। নতুন পেঁয়াজ বাজারে আসার ফলে সরবরাহ বেশী থাকায় হয়তো আরো দু-এক টাকা কমতে পারে। তবে ক্রেতাদের অভিযোগ, ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে রমজানের সময় নিত্যপণ্যের দাম বাড়াচ্ছে। পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে বাজারে তদারকি ও নজরদারিতেও রয়েছে গাফিলতি। পণ্য আমদানি, মজুত ও সরবরাহের পরিমাণ চিহ্নিত করে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহবান জানান সাধারণ ক্রেতারা।