শিরোনাম
এক ইঞ্চি জমিরও সরকারি রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না: ভূমি প্রতিমন্ত্রীহামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তদের চিকিৎসার যেন ত্রুটি না হয়- পার্বত্য মন্ত্রীরাঙ্গামাটির বিলাইছড়িতে ক্রীড়া সরঞ্জাম বিরতণকাপ্তাইয়ে দুটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে ভ্রাম্যমান আদালতের অর্থ জরিমানাখাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধনবিলাইছড়িতে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ-২০২৬ উদযাপন, র‌্যালী ও আলোচনা সভাকাপ্তাইয়ে বৈদ্যুতিক তারে জড়িয়ে আহত অবস্থায় লজ্জাবতী বানর উদ্ধারযতো বেশী প্রচার ততো বেশী উপকার: যুগ্ম ও দায়রা জজখাগড়াছড়ির মানিকছড়ি ইউএনও-এসিল্যান্ডকে অপসারণের দাবিলংগদু সেনা জোনের উদ্যোগে অসহায় পরিবারদের মাঝে ঢেউটিন বিতরণ

নতুন বছরে নতুন বই পেয়ে খুশিতে আত্মহারা শিক্ষার্থীরা

৯৬

॥ মোঃ আরিফুর রহমান ॥

নতুন বছরের প্রথম দিনে নতুন বই পেয়ে খুশিতে আত্মহারা বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। বই পেয়ে খুশির ঝিলিক দেখা গেছে তাদের মধ্যে। নতুন বই যেন শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল নতুন বছরের এক উপহার।

সারাদেশের ন্যায় রাঙ্গামাটির বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বই বিতরণ উৎসব পালিত হয়েছে। গতকাল শনিবার শহরের গোধুলী আমানতবাগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বই বিতরণের মাধ্যমে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন, রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অংসুইপ্রু চৌধুরী।

এসময় তিনি বলেন, ১৯৯৬ সালের আগে হতাশ ছিলাম। তখন বছরের শুরুতেই নতুন বই দেওয়া হতো না, ছিল অস্থিতিশীল পরিস্থিতি। ১৯৯৬ সালেন পর দেশ স্থিতিশীলতায় ফিরে। ২০০৯ থেকে উন্নয়নের পথে এগোতে থাকে বাংলাদেশ। অর্জনের একটি অংশগ্রহণ হিসেবে আজকের এই বই উৎসব কর্মসূচি।

তিনি আরো বলেন, জাতি হিসেবে আমরা গর্বিত। জাতির জনকের স্বপ্ন বাস্তবায়নে উন্নয়ের যাত্রা অব্যাহত রাখার জন্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সরকার ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ করার যে পরিকল্পনা করেছে তা তিনি ইতিমধ্যেই কাজ শুরু করে দিয়েছেন। শিক্ষা ছাড়া দেশ কখনো উন্নত হবে না। তাই প্রাথমিকে শিক্ষার হার শত ভাগ করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ সাজ্জাদ হোসেন জানান, রাঙ্গামাটির ১০টি উপজেলার মোট ৮৫০২৮জন শিক্ষার্থীর মাঝে ৩লক্ষ ৮৯ হাজার, ৯০১টি বই বিতরণ করা হচ্ছে। ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর শিশুদের মধ্যে চাকমা ২২৮০৫টি, মারমা ৪২৭৮টি এবং ত্রিপুরা ভাষায় ১৭৯৭টি বই বিতরণ করা হয়।

রাঙ্গামাটি জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জানান, সরকারের উদ্যোগে ২০১৭ সাল থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসরত চাকমা, মারমা ও ত্রিপুরা জনগোষ্ঠীর শিশুরা মাতৃ ভাষায় পড়তে পাচ্ছে। ইতোমধ্যে জেলার দশ উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে সাধারণ পাঠক্রম ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মাতৃ ভাষার বই বিতরণ করা হচ্ছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে সরকারী নির্দেশনা অনুযায়ী জনসমাগম না করে শ্রেনী ভিত্তিতে বি বিতরণ করা হচ্ছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো সাজ্জাদ হোসেন, সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার পরিণয় চাকমা, মোঃ রবিউল হোসেন,বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটি নেতৃত্ববৃন্দ, শিক্ষক ও শিক্ষার্থী ও অবিভাবক। #