শিরোনাম
এমএন লারমা স্বপ্ন দেখেছিলেন অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ নিমার্ণের, তা বাস্তবায়ন হোকগঠিত এসব কমিটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সহ সকল সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশাপার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতীয় কমিটিকে অভিনন্দন‘সাজু আপা’ নিজেই নির্যাতিত কিন্তু কোন নারী-শিশু নির্যাতন হতে দেখলেই ছুঁটে যানরাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নানরামগড়ে সীরাত কন্ফারেন্স ও কুইজ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিতকোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন যেন অসাধু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে নষ্ট না হয়: পার্বত্য মন্ত্রীজুয়া খেইলতু হনে হর আবার দুধ দিয়েনা গোসলঅ গড়রনাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশের অভিযানে ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক- ১খাগড়াছড়ির রামগড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন

৬ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে দূর্গা পূজা

রাঙ্গামাটির রাজস্থলীতে ‘মা’ দুর্গার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পী বৃন্দ

৪৭

॥ মোঃ,আজগর আলী খান, রাজস্থলী ॥

কিছুদিন পরই সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গা পূজা। এখনই ঘরে ঘরে চলছে দেবী দুর্গার আগমনী বার্তা। আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে রাজস্থলী উপজেলায় তিন টি মন্দিরে শুরু হয়েছে প্রতিমা তৈরিতে শিল্পীর রংতুলির কাজ।

প্রতিমা তৈরিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা। তারা দিন-রাত পরিশ্রম করে আপন মনে নিপুণ হাতে তৈরি করেছে মা দেবী দুর্গাকে। একাগ্র চিত্তে মনের মাধুরী মিশিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন তারা। আগামী ৬ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হবে এবারে দূর্গা পূজা। এরপর ১১ অক্টোবর ষষ্ঠী তিথিতে পূজার মূল পার্বন শুরু হয়ে ১৫ অক্টোবর দশমী তিথিতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে শেষ হবে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সব থেকে বড় এ ধর্মীয় উৎসব।

রাজস্থলী উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, এ বছর রাঙ্গামাটি জেলার রাজস্থলীতে মোট ০৩টি ম-পে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। সরেজমিনে মন্দিরে দেখা যায়, শিল্পীদের নিপুণ হাতে চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। নিখুঁতভাবে মনের মাধুরি মিশিয়ে শিল্পীরা ফুটিয়ে তুলেছেন ‘মা’ দেবী দুর্গাকে। পাশাপাশি চলছে লক্ষ্মী, স্বরসতী, গণেশ ও কার্তিক, অসুর, সিংহ, মহাদেবসহ ১২টি প্রতিমা তৈরির কাজ। তিনটি পূজা মন্ডবে চলছে মাটির কাজ।

রাজস্থলী পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সম্ভু নাথ বলেন, করোনা-১৯ ভাইরাসের কারণে গতবারের মতো এবারেও স্বাস্থ্য বিধি মেনে পূজা উদযাপনের নির্দেশনা রয়েছে। আমাদের কেন্দ্রীয় পূজা উদযাপন পরিষদের দেয়া নির্দেশনা মেনেই পূজা উদযাপন করা হবে। এবছর জেলার রাজস্থলী উপজেলার তিন টি পূজা মন্ডপে পূজা উদযাপনের আয়োজন চলছে। পুরাণ অনুযায়ী দুর্গা শব্দের অর্থ অপ্রতিরোধ্য। এ বছর মহাষষ্ঠীতে এই মহামায়া দশভূজা দেবী দুর্গার আগমন ঘটবে (ঘোড়ায় চড়ে) করে এবং পূজার সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে দোলায় (দোলনায় চড়ে) কৈলাশে ফিরবেন।

রাজস্থলী চন্দ্রঘোনা থানার দায়িত্বরত সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ আবু ছালেহ বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সব থেকে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা। পূজায় অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রতিটা মন্দিরেই থানা পুলিশের পাশাপাশি আনসার ও গ্রাম পুলিশের স্বেচ্ছাসেবক দল ও মোবাইল টিম মাঠে থাকবে। দেবী বিসর্জন পর্যন্ত সার্বক্ষণিক প্রশাসনিক নজরদারি থাকবে। আশা করছি, কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটবে না।

এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ ছাদেক বলেন, পূজা যাতে সুন্দর ভাবে উদযাপন করতে পারে সে দিকে প্রশাসন সার্বক্ষনিক মনিটরিং এর দায়িত্বে থাকবে। যে কোন অপ্রীতিকর ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ভাবে দমন করা হবে বলে তিনি জানান।