শিরোনাম
গঠিত এসব কমিটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সহ সকল সম্প্রদায়ের সম্প্রীতি সুদৃঢ় হবে বলে প্রত্যাশাপার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি, সম্প্রীতি ও নিরাপত্তা রক্ষায় জাতীয় কমিটিকে অভিনন্দন‘সাজু আপা’ নিজেই নির্যাতিত কিন্তু কোন নারী-শিশু নির্যাতন হতে দেখলেই ছুঁটে যানরাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সমাহিত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মান্নানরামগড়ে সীরাত কন্ফারেন্স ও কুইজ প্রতিযোগীতা অনুষ্ঠিতকোনো শিক্ষার্থীর স্বপ্ন যেন অসাধু ব্যক্তির কর্মকাণ্ডে নষ্ট না হয়: পার্বত্য মন্ত্রীজুয়া খেইলতু হনে হর আবার দুধ দিয়েনা গোসলঅ গড়রনাইক্ষ্যংছড়িতে পুলিশের অভিযানে ৬০ হাজার ইয়াবাসহ আটক- ১খাগড়াছড়ির রামগড়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধনঅস্বাস্থ্যকর মিষ্টি বিক্রি করায় মাটিরাঙ্গায় বনফুল প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক বধির সপ্তাহে বক্তারা

রাঙ্গামাটিতে বধিরদের নামে কোন জায়গা, বিদ্যালয় বা ছাত্রাবাস নাই

৩৮

॥ নিজস্ব প্রতিবেদক ॥

জাতিসংঘ ঘোষিত আন্তর্জাতিক ইশারা ভাষা দিবস ও আন্তর্জাতিক বধির সপ্তাহ-২০২১ উপলেক্ষ্যে রাঙ্গামাটিতে র‌্যালি, মানববন্ধন ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাঙ্গামাটি বধির কল্যাণ সমিতির আয়োজনে ও বাংলাদেশ জাতীয় বধির সংস্থার সহযোগিতায় বধির সপ্তাহ-২০২১ পারন করা হয়।

আসামবস্তিস্থ মাশরুম প্রশিক্ষণ সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে রাঙ্গামাটি বধির কল্যাণ সমিতির সভাপতি কানু দাশ গুপ্তের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারি ভূমি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অঞ্জন কুমার দাশ। বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা সমাজ সেবা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক বিশ্বজিৎ চাকমা, রাঙ্গামাটি প্রতিবন্ধী সেবা ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. উক্রাচিং মারমা। স্বাগত বক্তব্য রাখেন, বধির কল্যাণ সমিতির সাধারণ সম্পাদক টিটু চৌধুরী (বধির) ও মুক্তা বেগম (বধির)। সাংস্কৃতিক ভাষায় অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন রাঙ্গামাটি বধির বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাছিনা বেগম (দো-ভাষী)। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন শাপলা নারী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মোঃ নাছির উদ্দীন।

এ সময় বধিরদের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রত্যেকটি জেলায় বধির প্রতিবন্ধীদের নামে জায়গা, বিদ্যালয়, ভবন, অফিস ছাত্রাবাস থাকলেও অতি দুঃখের বিষয় রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলায় বধিরদের নামে সেই সব কিছুই নেই। তাই প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানাবো যে, বধিরদের জন্য যাতে ১টি জায়গা বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং সে জায়গায় বিদ্যালয় বা ছাত্রাবাস নির্মাণের ব্যবস্থা করা হয়।

পরে বধিরদের পক্ষ থেকে এ বক্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রধান অতিথি রাঙ্গামাটি জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সহকারি ভূমি কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট অঞ্জন কুমার দাশ একটি জায়গা ব্যবস্থা কর দেওয়ার আশ্বাস দেন।

এর আগে সকালে আসামবস্তি রাম ঠাকুর আশ্রম হতে মাশরুম প্রশিক্ষণ সেন্টার পর্যন্ত একটি র‌্যালি বের হয়ে মাশরুম সেন্টারের সামনে মানববন্ধনও অনুষ্ঠিত হয়। পরে মাশরুম প্রশিক্ষণ সেন্টারের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।